বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
→ এই তুমি ফাল্গুনির ফটোতে কমেন্ট করেছো কেনো?
→ সরি নিধু! মনে ছিলো না।
→ মনে থাকবে কেনো? আমিতো পুরনো হয়ে গেছি। আমার কথা মনে থাকবে না, আমাকে মনে থাকবে না। যাও গিয়ে ফাল্গুনির সাথে কথা বলো। আমাকে আর ফোন দিবেনা।
[কথা হচ্ছিলো মেঘ আর নিধির মধ্যে। দুজন দুজনকে প্রচন্ড ভালোবাসে। আর নিধি সব সময় মেঘের কেয়ার করে। মাথে করা নজরদারিও। আর একটুতেই অভিমান। এইতো একটু আগে মেঘ তার বান্ধবী ফাল্গুনির একটা ফেসবুকে ফটোতে কমেন্ট করেছে। তা দেখে সাথে সাথেই ফোন।
তাদের পরিচয়টা জুকারবার্গ এর ফেসবুকেই হয়েছিলো।
মেঘ মাঝে মাঝে কিছু লেখালিখি করে ফেসবুকে। আর সেই লেখাগুলোর ভক্ত হয়ে পড়ে নিধি। নিধি শুধু পোষ্টে কমেন্টই করতো। তাদের মধ্যে এখনো কথা হয়নি।
একদিন নিধি মেঘকে মেসেজ দেয়
→ হাই মিষ্টার হিমাদ্রীর মেঘ। কেমন আছেনন? (নিধি)
→হ্যালো। জ্বী মোটামুটি ভালই। আপনি?
→এইতো যাচ্ছে কোনোরকমে। কি করেন আপনি
→ এইতো আপনার সাথে কথা বলছি,,,
→ আরেহ সেটা বলিনি। আপনি কি কাজ করেন?
→ ওহ তাই বলুন। তেমন কিছু করিনা। পড়ালেখার পাশাপাশি একটা ছোট কোম্পানি তে কাজ করি। আপনি?
→ আমিও লেখাপড়া করি। এই যা, আপনার বাসা কোথায় সেটাইতো জানলাম না।
→ আমার বাসা যশোর..(.....)......... জায়গা। আপনার?
→আরেহ বলেন কি? আমারও তো যশোর,,,,,,,,......তে। কোথায় পড়েন?
→ এইতো যশোর...........কলেজে নতুন ভর্তি হয়েছি। আপনি?
→ আরেহ বলেন কি? আমাদের কলেজে পড়েন? কালকে কলেজে আসবেন তো?
→ ওহ। হ্যা কালকে যাবো।
→ ওকে। দেখা হবে কালকে
→ আচ্ছা।বাই।
→ওকে বাই।
এমনি করে কেকেটে গেছে বছর দয়েদয়েক। আর তাদের সম্পর্ক টাও আরো গভীর হয়েছে।
এখন মেঘ এর কাজ হলো নিধির রাগ ভাঙ্গানো। কিন্তু কি করে যে বোঝায়।
কিছুতেই পাত্তা দিচ্ছে না।
মেঘ ভাবছে ফোন দেবে। কিন্তু না, ফোন দিলেই লঙ্কা কান্ড বঁাধবে।
মেঘ তার এক বড় আপুর সাথে সব কথা শেয়ার করতো। তাকেই ফোন করলো।
→হ্যালো আপু(মেঘ)
→কিরে হঠাৎ কি মনে করে আজকে মনে পড়লো? (রাবেয়া আপু)
এর পর সবকথা বলার পর আপু বললো, আচ্ছা কালকে তোর কলেজ যাবো।
পরের দিন।
মেঘ আর রাবেয়া আপু বসে কলেজ ক্যান্টটিনে হেসে হেসে কথা বলছে।
এটা নিধির এক বান্ধবি নিধিকে বলা মাত্র
ক্যান্টিনে এসে হাজির।
→ কি হচ্ছে এসব? আমি কথা বলতে মানা করেছি বলে অন্য মেয়ের সাথে লাই মারা হচ্ছে? (নিধি)
→ আরেহ কি বলছো এসব? নিধি শোনো
→ কি শুনবো হ্যা? মেয়েকে সাথে নিয়ে হাসাহাসি করা হচ্ছে আর কি শুনবো হ্যা??
এই মেয়ে এই কে তুমি হ্যা?? লজ্জা করেনা ছেলের সাথে একা একা বসে হাসাহাসি করতে?
→ আরেহ নিধি ও রাবেয়া আপু। আমার কাজিন। কি বলছো এসব?
নিধি তো লজ্জায় লাল হয়ে গেছে।
কি বলবে ভাষা খুঁজে পাচ্ছে না।
→ সরি আপু!! আসলে(নিধি)
→ আরেহ না না ঠিক আছে।
→ এই তুমি আগে বললে না কেনো যে আপু.......!........(নিধি)
→বলার চাঞ্জ টা কই দিলে তুমি।
→ রাতে ফোন করনি কেনো?? আমি তোমার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু একবার ফোন করলে না।
→ আরেহ সরি তো। এই দেখো। দেখো আমার দিকে তাকাও।
→ যাহ দুষ্টু।
→ এই এই আমি কিন্তু গেলাম এখান থেকে[রাবেয়া আপু]
অতঃপর দুজন দুজনের হাতে হাত রেখে হাটছে সবুজ অরণ্যের মাঝে.................
,
,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now