বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদিন আফদ্বলা সলাতিকা
সায়্যিদুল মুরসালিন,খাতামুন নাবিয়্যিন,ঈমানদারের প্রাণের স্পন্দন,মক্কার ম্যোতি,মদিনার জ্যোতি,হাবিবে কিবরিয়া নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে অনেক মু’জিযা প্রকাশ পেয়েছে। যা অগণিত-অসংখ্য। সব নবী-রাসূলদের আল্লাহপাক মু’জিযা দান করেছিলেন। অন্যান্য নবীদের মু’জিযা ছিল হিসাবের। কিন্তু সায়্যিদুল আম্বিয়া নবী মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আল্লাহপাক যা মু’জিযা দান করেছেন তা কোনো মানুষের পক্ষে বর্ণনা করা সম্ভব নয়।
মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর হাত মোবারকের স্পর্শে অনেক মানুষ বরকত লাভ করেছেন।
ইনশাআল্লাহ নিম্নে আমি তাঁর কয়েকটি বর্ণনা করছি-
১. হাতের পরশে কাঠের টুকরো তরবারি-
বদরযুদ্ধ চলাকালে হজরত উকাশা বিন মুহসিন (রদিআল্লাহু তা'আলা আনহু)-এর তরবারি ভেঙে যায়। তখন নবীয়ে করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাতে একটি শুকনো কাঠের টুকরো তুলে দেন যা তাঁর হাতে আসার পর তা একটি চমৎকার তরবারি হয়ে যায়। বদর যুদ্ধে বিজয় হওয়া পর্যন্ত তিনি ইহা দ্বারা যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে এ তরবারি আয়ূন বা সাহায্য নামে খ্যাত হয়।
(আততাবাকাতুল কোবরা)
২. খাদ্য পাত্রে খেজুরের ভাণ্ডার-
হজরত আবু হুরায়রা (রদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) বর্ণনা করেন, এক যুদ্ধে অগণিত সাহাবি উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের খাবার কিছুই ছিল না। এ সময় আমার কাছে একটি খেজুরের ডিব্বা আসে। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর জিজ্ঞাসার জবাবে আমি বললাম, আমার কাছে কিছু খেজুর আছে। তিনি বললেন নিয়ে এসো। আমি ডিব্বা নিয়ে হাজির হয়ে গুণে দেখি খেজুর মাত্র একুশটি। হুজুরে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ডিব্বার মধ্যে হাত মোবারক রেখে বললেন, দশজনকে ডেকে আন। আমি ডেকে আনলাম এবং তারা তা তৃপ্ত হয়ে খেয়ে নিলেন। এভাবে পুরো সৈন্যদল তৃপ্তি সহকারে খেজুর খান। এরপর হুজুরে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেন, যখন তুমি চাইবে এ পাত্র হতে হাত ঢুবিয়ে খেজুর বের করে নিবে কিন্তু তা উপুড় করবে না। আমি হুজুরে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তিন খলিফার যুগ পর্যন্ত এ পাত্র হতে খেয়েছি। যখন উসমান (রদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) শহীদ হন তখন আমার কাছ থেকে এ পাত্রটি চুরি হয়ে যায়। হজরত আবু হুরায়রা (রদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) বলেন, আমি দু’শ ওসাকেরও বেশি খেয়েছি।
(আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া)
৩. হাত মোবারকের বরকত দ্বারা ভাঙা হাড় জোড়া লেগে যায়-
হজরত বারা বিন আজিব (রদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) বর্ণনা করেন, হজরত আব্দুল্লাহ বিন আতিক প্রত্যাবর্তনকালে তাঁর নিজ গৃহের সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে তাঁর পায়ের গোড়ালি ভেঙে যায়। এ অবস্থায় তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সামনে উপস্থিত হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন তোমার পা খুলো। হজরত আব্দুল্লাহ বিন আতিক (রদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) বলেন, আমি পা প্রসারিত করলাম। হুজুরে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাত মোবারক বুলিয়ে দিলেন। হাত মোবারক বুলানো মাত্র পা এমনভাবে ভালো হয়ে গেল যেন তা কখনো ভাঙেনি।
(বুখারি)
সুবহানআল্লাহভালোবাসা অবিরাম
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now