বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মেরুজ্যোতি

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উৎস বিশ্বাস (০ পয়েন্ট)

X পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে সাধারণত উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকার রাতের আকাশে এক অপূর্ব সুন্দর উজ্জ্বল আলোর খেলা চোখে পড়ে। লাল, হলুদ, সবুজ, নীল এবং বেগুনি আলোর সমারোহে আকাশে ভেসে ওঠা এ আলোকচ্ছটাকে অরোরা বা মেরুজ্যোতি বলা হয়ে থাকে। উত্তর গোলার্ধে এটি অরোরা বোরিয়ালিস এবং দক্ষিণ গোলার্ধে অরোরা অস্ট্রালিস নামেই এটি বেশি পরিচিত। আকাশে নাচের ভঙ্গিতে ঘুরে বেড়ানো নানা রঙের এ আলোকচ্ছটা মূলত সূর্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়া বৈদ্যুতিকভাবে অভিযুক্ত কণা এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্যাসীয় পদার্থের সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হয়। নির্দিষ্ট কোনো আকৃতিতে সৃষ্টি না হয়ে মেরুজ্যোতির আকৃতি যেকোনো ধরনের হতে পারে। বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেছেন, উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুতে একই সঙ্গে, একই রঙের, একই আকৃতির মেরুজ্যোতির সৃষ্টি হয়। তবে তা দেখতে আয়নায় দেখা ছবির মতো উল্টো দেখায়। ১৮৫৯ সালের ২৮ আগস্ট এবং ২ সেপ্টেম্বর একটি সৌরঝড়ের কারণে সৃষ্টি হওয়া মেরুজ্যোতিকে ইতিহাসের সুন্দরতম মেরুজ্যোতি বলা হয়ে থাকে। বৃহস্পতি এবং শনি গ্রহে পৃথিবীর চেয়ে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র থাকার কারণে এ দুটি গ্রহেও মেরুজ্যোতি দেখা যায়। এ ছাড়া ইউরেনাস এবং নেপচুনের আকাশেও একই ধরনের মেরুজ্যোতির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মধ্যযুগে মেরুজ্যোতিকে যুদ্ধ বা দুর্ভিক্ষের লক্ষণ মনে করা হতো। এ ছাড়াও অনেক সম্প্রদায় মেরুজ্যোতিকে তাদের শিকার করা পশুর আত্মা মনে করত। সাধারণত ৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটারের মধ্যেই মেরুজ্যোতি চোখে পড়লেও কখনো কখনো এ উচ্চতা এক হাজার কিলোমিটারও ছাড়াতে পারে। সবচেয়ে সুন্দর মেরুজ্যোতি দেখার জন্য আদর্শ স্থান হলো কানাডার হাডসন উপসাগরের আশপাশ, উত্তর স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ নরওয়ে এবং সুইডেনের আকাশ। বাংলাদেশের আকাশে মেরুজ্যোতির দেখা না মিললেও ভাগ্য ভালো থাকলে কাছের দেশ শ্রীলঙ্কার আকাশে বিস্ময়কর এ সৌন্দর্যের দেখা মিলতে পারে। ১৬২১ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী পিয়েরি গাসেন্দি উত্তর মেরুতে মেরুজ্যোতি দেখেন এবং রোমাদের ভোরের দেবী অরোরার নাম অনুসারে এর নাম দেন অরোরা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মেরুজ্যোতি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now