বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

♦মেহেদী হাসানের সখিনা♦

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)

X আজ লিখব আমাদের বিশিষ্ট VVIP মেহেদী হাসান এর প্রেমের কথা ওনি যে সখিনার প্রেমে পড়বেন তা তো ভাবিতে পারিনা।। যাইহোক ওনার গল্প লিখা শুরু করলাম নিচে ⤵⤵⤵ ঢাকায় বসবাসরত পোলা মেহেদী হাসান। কিন্তু সে পড়ালেখায় খুব দুর্বল। চারবার এসএসসি তে ফেল করে কৃতিত্ব এর সাথে রাস্তায় ঘুড়ে বেড়ানো ছেলে মেহেদী হাসান প্রভা।এইবার এসএসসি দিয়েছে পরীক্ষার আগের রাতে রাত ২ পর্যন্ত পড়ে নিজেকে বিদ্যাসাগরের মতো মনে করেছেন মেহেদী হাসান ভাই।কিন্তু পরীক্ষা র আগে বই নিয়ে একবারও বসে নি সে ras খালি এ দিক ওদিক ঘুড়েছে। তার আ আত্মবিশ্বাস এইবার সে ফেল করবেনা অন্তত পাশ করবে তাই নিজের বন্ধুদেরকে আগে থেকেই মিষ্টি খাইয়ে সুসংবাদ দিল। তারপর স্কুলে গিয়ে স্যারদের সামনে বুক ফুলিয়ে বলে উঠল,,, --- স্যার আমার রেজাল্ট দেন cool স্যারঃ আস মেহেদী হাসান প্রভা আস তোমাকে একটা চুমা দেই যেই রেজাল্ট করছ আমি তো টাস্কি খেয়ে গেলাম --- না স্যার থাক চুমাচুমির দরকার নাই নিশ্চই পাশ করেছি আমি আগে থেকেই জানি ☺ ☺ ☺ স্যারঃঃ আগে আমার অফিসে আস তারপর বলছি এরপর মেহেদী ভাই স্যারের অফিসে গিয়ে দারুণ ভাবে রেজাল্ট এর খবর উপভোগ করল।স্যার তাকে এমন উওর মধ্যম দিল যে তার শার্ট এর তিন নং বোতামও মেহেদী হাসান প্রভা ভাই কে উপহাস করছিল। তিনি আবার ফেল করেছেন। বাড়িতে ^^^^^^^^ """ আম্মু আম্মু আমি আবারও ফেল করেছি wow """ আম্মুঃ তুই ফেল করছস এমনিতেই বাসায় চারটা রিকশা আছে আর কিন্তু রিকশা কিনে দিতে পারবনা """ তাহলো এখন huh আম্মুঃ যা রাস্তায় ফুসকার দোকান দে তারপর সে রাস্তায় ফুসকার দোকান দেয়। একদিন হঠাৎ বিকেলে তার দোকানে একটা মেয়ে আসছিল সে প্রভা ভাই কে বলছিল দুই প্লেট ফুসকা দিতে প্রভা ভাই তাকে ফুসকা দিল তারপর সেই মেয়ে এমন প্রশংসা করল ফুসকার যে প্রভা ভাই তার দিকে চেয়েই রইল পরে দাম দেওয়ার সময় সেই মেয়ের নামটা জিজ্ঞাসা করলে সে বলে "আমার নাম সখিনা" তারপর প্রভা ভাই বাসায় যেয়ে বলে,,, """ আম্মু আম্মু আজ একটা মেয়ে আমার ফুসকার প্রশংসা করেছে wow আম্মুঃ কি সত্যি আজ যদি তোর.... """" আম্মু পুরানো ডাইলগ নতুন কিছু বল """ আচ্ছা আজ একটা মেয়ে তোর ফুসকার প্রশংসা করেছে যা তোকে পাঁচ টাকা দিলাম তুই কিছু খেয়ে নিস এরপর প্রতিদিন সখিনা প্রভা ভাই এর ফুসকার দোকানে আসত কারণ তার ফুসকা নাকি অনেক ভালো আস্তে আস্তে প্রভা ভাই তার প্রেমে পড়ে গেল ☺ ☺ ☺ ☺ কিন্তু তাকে এখনো বলেনি gjgjgj সে ভাবল তার বাবাকে ডাইরেক্ট বলবে, এরপর সখিনার বাবা খান সাহেবের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হয় আমার ফুসকাওয়ালা মেহেদী ভাই cool VVIP সে পড়ে হয় আগে ফুসকাওয়ালা ছিল gj গিয়ে দেখে এক লোক চেয়ারে বসে বসে সিগারেট খাচ্ছে সে মনে করছে এটাই সখিনার বাপ তাই সে কিছু না বলেই বলে উঠল, আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসী চেয়ার থেকোফিয়ে উঠে সেই লোকটি বলল,, বাবাজি মনে হয় এইবার এসএসসি তে ফেল করছে তাই মাথা খারাপ হইছে আমি তো এখনো বিয়েই করিনি blush আপনি তো খান সাহেব তাইনা """" জ্বি না আমি খান সাহেবের সেক্রেটারি cool তাদের কথোপকথনে খান সাহেবে সিড়ি বেয়ে নিচে নেমে এসে প্রভা ভাই কে বলল,, কিইইইইgj তুই আমার মেয়েকে ভালবাসীস টাকা আছে টাকা? প্রভা ভাই ঃঃ না কিন্তু আমার ফুসকার দোকান আছেgj """" কি ফুসকাওয়ালা আমার মেয়েকে ভালোবসে এটা হাইস্যকর দেশের জন্য এটা হাইস্যকর । তোর মারে আমি এখনি খবর দিতাছি,,, তারপর প্রভা ভাই এর মা এসে প্রভা ভাই এর কান ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেল আর বলল,, আগে ফুসকার দোকানটা ভালো করে চালিয়ে বড়লোক হ তারপর খান সাহেবের মেয়েকে ভালোবাসবি কিন্তু সে থেমে থাকবেনা তাই দয়াল বাবার কাছে গেল,,, "" আমার দয়াল বাবা কলা খাবা গাছ লাগিয়ে খাও পরের গাছের পানি কেন মিটমিটাইয়া খাও বাবারে পরের গাছের পানি কেন মিটমিটাইয়া খাও,"""""" এই গান গেতে গেতে সে তার কাছে পৌঁছাল এবং বলল,,, বাবা আমি সখিনাকে ভালোবাসী তাকে কিভাবে আমার জন্য পাগল করাব দয়া বাবাঃ হক মাওলা হক মাওলা আমি সবই জানি বৎস। যাও কলা গাছের থেকে একটা জলা এনে আমাকে দেও তারপর প্রভা ভাই কলা দেয় এরপর দয়াল বাবা সেই কলাতে ফুঁ দেয় আর বলে এটা সখিনাকে ফুসকার সাথে মিশিয়ে দিও সে তোমার জন্য পাগল হবে প্রভা ভাই ঃঃ ধন্যবাদ দয়াল বাবা wow gj তারপর কলা নিয়ে প্রভা ভাই যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল তখন এক ক্ষুধার্থ পাগলনীর সাথে ধাক্কা খায় পাগলনী কলা দেখে কেড়ে নিতে চায় কিন্তু প্রভা ভাই দেয় পরে পাগলনীর সাথে অনেক মারামারি হয় শেষল পাগলনী জিতে strong পাগলনী কলা খেয়ে প্রভা ভাই এর জন্য পাগল হয়ে যায়gjgjgj পরে প্রভা ভাই দৌড়ে পালায়gj ---------------- ফুসকার দোকানে প্রভা ভাই মন খারাপ করে বসে আছে সে ভাবছে কিভাবে সখিনাকে পাওয়া যায় এমন সময় হঠাৎ টিভিতে দেখে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খান সাহেবের একমাত্র মেয়ে সখিনার কাল বিয়ে সকল ধনী গরীব মিসকিনকে দাওয়াত প্রভা ভাই হাউমাউ করে কেঁদে উঠে weep weep তারপর সে নদীর ধারে মন খারাপ করল বসে থাকে খান সাহেবের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান ঃঃঃঃঃঃঃঃ খান সাহেবঃ আজ আমার মাইয়ার বিয়া সকলে ভালো করে সবকিছু সাজা wow এমন সময় হঠাৎ ছেলে পক্ষ পিস্তল নিয়ে আসে আর বলে,, --খান সাহেব আমি আপনার সমস্ত সম্পত্তি চাই যদি না দেন তাহলে আপনার মেয়েকে বিয়ে করবনা সখিনাঃ ছি ছি ছি রফিক তুমি এমন আমি তা জানতম না । তারপর বর সখিনাকে ঠাস করে থাপ্পড় দেয় এই খবর মেহেদী ভাই এর এসিস্ট্যান্ট মালু মেহেদী ভাই কে দেয় তারপর মেহেদী ভাই এটা শুনে দৌড়ে খান সাহেবের বাড়ি যায় আর ওই ছেলেকে ঠাস করে চড় থাপ্পড় ঘুষি দিতে থাকে । এমন সময় পুলিশ এন্ট্রি নেয় আর বলে,, ইউ আর আন্ডার এরেস্ট মিস্টার মেহেদী মেহেদী ভাই ঃঃ আমি তো শুধু ঘুষি আর থাপ্পড় দিলাম এতে এরেস্ট হব huh পুলিশঃ যাইহোক এটাই আমাদের কাজ লাস্ট সময়ে এসে এরেস্ট করা সো ইউ আর আন্ডার এরেস্ট blush মেহেদী হাসান প্রভা ভাই: আমারে আন্ডার এরেস্ট করার আগে আপনার আন্ডার প্যান্ট ঠিক করেন ras পুলিশ ঃঃ আমার আন্ডার প্যান্ট নিয়ে কথা বলার সাহস কে দিল আপনাকে এখন তো জেলে যেতেই হবে angry আর সাথে ওই রফিককেও নিব নাহলে চাকরির থাকবনা gj হাইকোর্ট এর বিচারে ঃঃঃপুলিশের ইয়ে নিয়ে মানে আন্ডার প্যান্ট নিয়ে কথা বলায় মেহেদী হাসান প্রভা কে বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী মেহেদী হাসান প্রভা কে এক মাসের জন্য জেলের তরকারি খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলো। এক মাস পর মেহেদী ভাই ছাড়া পায় আর সখিনাকে বিয়ে করবে । সকলের দাওয়াত রইল icecream বিঃদ্রঃ সিরিয়াসলি নিলে আপনি দাওয়াত পাবেন না icecream ★সমাপ্ত★


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ♦মেহেদী হাসানের সখিনা♦

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now