বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাংলাদেশের লোককাহিনীর বেশ বড় একটা অংশ জুড়ে আছে বেহু-লখিন্দরের গাঁথা। গোকুল মেধ সেই লোককাহিনীর ছোট্ট একটি অংশ। এটি লক্ষিনদারের মেধ নামেও পরিচিত। গোকুল মেধ রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায় অবস্থিত। এই নামটি নেওয়া হয়েছে বিখ্যাত গল্প লক্ষিন্দার এবং বেহুলা থেকে। ১৯৩৪-১৯৩৬ সালে এটি খনন করা হয় তখন একটি মন্দিরের অবশিষ্টাংশ উন্মুক্ত হয়। এখানে একটি উঁচু মঞ্চ আছে যেটি ১৭২ টি চারকোনা কক্ষ ধারন করতে পারে। পাল আমলে খননকালে (৬-৭ শতকে) এখানে টেরাকোটার তৈরি অলংকার ও স্মারক পাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে প্রথমে বগুড়া যেতে হবে আপনাকে। বগুড়া বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর। রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায় এই শহরটি অবস্থিত। ঢাকা থেকে প্রায় ২২৯ কিলোমিটার দূরে বগুড়া অবস্থিত। আপনি সেখানে বাস এবং ট্রেনে পৌছাতে পারেন। মহাস্থানগড় থেকে লক্ষিন্দারের গোকুল মেধ ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মহাস্থান থেকে একজন পর্যটক এখানে রিকশা অথবা সিএনজি অটো রিকশা নিয়ে যেতে পারেন। এখানে খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। আশে পাশে রেস্টুরেন্ট অথবা ফাস্ট ফুডের দোকান খুঁজে নিতে হবে। তাছাড়া সাথে করে খাবার নিয়েও যেতে পারেন।
ঢাকার ব্যস্ততা ছেড়ে গোকুল মেধের চারপাশের ছোট ছোট টিলা দেখতে বেশ ভালোই লাগবে। সেইসাথে ছবিও তুলতে পারবেন আপনি এখানে। যদি পুরোটা দিন কাটানোর পর মনে হয় আর কিছুদিন এখানে থেকে যাবেন বা রাত কাটাবেন তাহলেও কোন চিন্তা নেই। বগুড়ায় থাকার ব্যাবস্থা বেশ উন্নত। আপনি এখানে চার তারকা হোটেলও পেয়ে যাবেন। তাই পরিবার নিয়ে এখউনি ঘুরে আসুন ঐতিহাসিকভাবে খ্যাত গোকুল মেধ থেকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now