বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Riaz (০ পয়েন্ট)

X মধ্যবিত্ত পরিবারে বড়ছেলে আবির সে ব্যবসায়ী একজন দোকানদার।পরিবারের সবার পছন্দমত সে বিয়ে করে মাশাআল্লাহ্ তার বউ যেমন সুন্দর তেমন চালাক ও তার বউয়ের নাম জেরিন।জেরিন অল্পদিনে সবাইকে আপণ করে নিছে।কখনো আবির এর মা,বাবা,ভাইদের কষ্ট দেয় নাই সবসময় সুন্দর করে হাসিমুখে জেরিন কথা বলে।তাই আবির তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসে।জেরিন এর সব আবদার সে পূরণ করে জেরিন এর আবদার গুলো তেমন বড় না যেমন? >মাঝরাতে রিমঝিম বৃষ্টি হলে তার স্বামীর হাত ধরে বৃষ্টিতে ভিজা >বাহিরে কোথাও তার স্বামীর হাত ধরে ঘুরাপেরা করা। >নীল আকাশে চাঁদ দেখা আর স্বামীকে নিয়ে তারা গণণা করা। এগুলো জেরিন আবদার আবির ও সে আবদার পূরণ করে। " " আবির রাতে তাড়াতাড়ি করে বাসায় ফিরে কারণ সে মা,বাবা,স্ত্রী সাথে একসাথে রাতের খাবার খাবে। কোনোদিন জেরিন তার স্বামীর জন্য রাতে অপেক্ষা করা লাগে না সময়মতো আবির চলে আসে।জেরিন খুব খুশি তার প্রিয় মানুষ তার স্বামীকে নিয়ে।একদিন পাশের বাসায় সুলতানা স্বামীর সাথে খুব ঝগড়া করতেছে আর বলতেছে?এতো টাকা দিয়ে কি করবা তুমি আমাকে সময় দাও না, যখন ফোন করি তখন বলো তুমি ব্যস্ত। আমার এতো টাকা চাই না শুধু ডাল_ভাত হলেও আমার চলবে প্লিজ তুমি আমাকে সময়দাও।রাতে তাড়াতাড়ি এসো আমরা সবাই মিলে ডিনার করবো। এগুলো শুনে জেরিন নিজেকে খুব ভাগ্যবতী মনে করলো।তার স্বামী কখনো এমন কাজ করে নাই সবসময় জেরিনকে তার স্বামী সময় দিছে। কিন্তু একটা পরীক্ষা বাকি রয়ে গেলো জেরিন এর।সেটা হলো স্বামীকে ফোন করে সে পরীক্ষা করবে ব্যস্ত থাকার সময় কি বলে আবির এটা জেরিন পরীক্ষা করতে চায়।পরেরদিন সকালে আবির দোকানে চলে গেছে।জেরিন তার শাশুড়ি মা,কে বলে?? __আম্মা আমি একটু বাজারে ডাক্তার এর কাছে যেতে চাই। __ তাহলে রিমণ কে সাথে করে নিয়ে যাও। __জ্বি আচ্ছা। রিমণ হলো আবির এর ছোট ভাই।এদিকে জেরিন সবকিছু তার দেবর কে খুলে বলছে।রিমণ তার ভাবী জেরিনকে বলে? __ আচ্ছা ভাবী যদি ভাইয়া ফোনে রাগ করে যদি বলে? আমি ব্যস্ত তুমি এখন কেনো ফোন করছো তুমি ভাবী রাগ করবা নাকি তখন? __ না রিমণ রাগ করবো কেন সে আমার প্রিয় মানুষ আমার স্বামী তার উপরে কেনো রাগ করবো। __সত্যি বলতেছো নাকি না পরে রাগ করে কান্না করবা। __না একদম না, কেন রাগ করবো তুমি চলো তোমার ভাইয়ার দোকানে। __আচ্ছা ঠিক আছে চলো। >>এ বলতে বলতে চলে আসলো দোকানের সামনে জেরিন হিজাব পড়ে দোকানের কিছু দূর থেকে দেখতেছে দোকানে প্রচণ্ড ভিড় কাস্টমার এর।জেরিন ফোন দিলো তার স্বামীকে? __আসসালামু-আলাইকুম কি করেন আপনি হুম। __আবির মুচকি হাসি দিয়ে বলে ওয়ালাইকুমসালাম তেমন কিছু না এই বসে বসে তোমার কথা চিন্তা করতেছি। __সত্যি নাকি? __হ্যাঁ সত্যি তোমার কথা চিন্তা করতেছে এই সময়ে তুমি ফোন করছো। __দোকানে কাস্টমার এর ঝামেলা নাই? __আছে তবে সমস্যা নাই তুমি কি বলবা বলো আমি শুনতেছি জেরিন? জেরিন স্বামীর কথা শুনে আনন্দ দুই চোখে পানি এসে গেছে।রিমণ দেখতেছে জেরিন কান্না করতেছে রিমণ বলে? __ কে ব্যাপার ভাবী কান্না করতেছো কেনো ভাইয়া তোমাকে কি বলছে। রিমণ দৌড় দিয়ে গেলো বড় ভাইয়ের কাছে আর রিমণ আবিরকে বলে? __ভাইয়া তুমি ভাবীকে কি বলছো সে ওখানে দাঁড়াইয় দাঁড়াইয় কান্না করতেছে। __কোথায় জেরিন আর আমিতো তেমন কিছু বলি নাই। এ বলে আবির দৌড় দিয়ে গেলো বউয়ের কাছে আর বলে? __বুঝতে পারছি তুমি আমাকে পরীক্ষা করতেছো। __হ্যাঁ তবে আর কখনো করবো না সরি। __আরে জেরিন আমি শত ব্যস্ত থাকার পরেও আমি ফোনে তোমার সাথে কথা বলতে পারবো। কখনো রাগ করে ফোনে কথা বলবো না হুম। __জেরিন কান্না মুখে আবার বলে সরি। __হইছে আর ঢং করে কান্না করতে হবে না চলো একটু ঘুরে আসি। __দোকানে কে বসবে তাহলে? আবির চিৎকার দিয়ে বলে? __ছোট ভাই তুই দোকানে বসে থাক আমি তোর ভাবীকে নিয়ে রঙধুনু দেখবো আর বসে বসে বাদাম খাবো। __যাও বড়ভাই আমি আছি টেনশন করবা না। __আচ্ছা ঠিক আছে। __বড়ভাই ঘুরে ঘুরে তোমার বউয়ের মতো একটা মেয়ে খুঁজে নিও যার প্রিয় মানুষটা আমি রিমণ হতে পারি। __ এরই ছোট ভাই আমি তোর বড়ভাইরে বলদা তুই আমাকে না বলে আমার বউকে বল যার প্রিয় মানুষ আমি। __ভাবী ঠিক তোমার মতো মেয়ে চাই বলে দিলাম কিন্তু। __জেরিন মুচকি হাসি দিয়ে বলে?হ্যাঁ রিমণ অব্যশই খুঁজে দিবো ইনশাআল্লাহ্। __ আচ্ছা ভাইয়া ঠিক অাছে এখন যাও ভাবীকে নিয়ে ঘুরে আসো আর দেখে আসো সাতরঙ এর মেলা। কাল্পনিক গল্প এটা তবে বাস্তবে জেরিন এর মতো বউরা তার প্রিয়মানুষটার কাছে কোটিটাকা চায় না।চায় না প্রতিদিন ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত খেতে। জেরিন মতো মেয়ে গুলো চায় তার স্বামীর কাছ থেকে অল্পকিছু সময়।আপনে দূরে কোথাও কাজ করেন সারাদিন কাজর্কম করে সন্ধ্যা টাইম হলে পরিবারের সবার সাথে কথা বলেন। কথা বলেন আপনার মা,বাবা,ছোটভাই বোনদের সাথে সবার সাথে কথা বলার পর অাধাঘন্টা আপনার বউটার সাথে কথা বলেন চেলেঞ্জ দিয়ে দিলাম আপনার সারাদিনের কষ্টের কথা ভুলে যাবেন যখন কথা বলবেন পরিবারের সবার সাথে আর মিষ্টি বউটার সাথে। মিষ্টি বউটার কথা কে না শুনতে চায়। সুখে থাকুক এমন প্রিয়মানুষ গুলোর প্রিয়জন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প
→ মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now