বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৫ বাকি অংশ

"সাইমুম সিরিজ" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X হাসলো মিহরান মাসিস। বলল, ‘ধন্যবাদ মি. ওরান্তি ওরারতু। কাগজে-কলমে আমরা ঠিক আছি। কিন্তু আসলেই তো তারা হবে নতুন। এ বিষয়টা প্রশাসনসহ সচেতনদের চোখে পড়ে যেতে পারে। আমি এই ভয়টাই করছি।’ হাসল ওরান্তি ওরারতুও। বলল, ‘যাদের আপনি সচেতন বলছেন, যারা প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারে, তারা হয় জেলে থাকবে, নয়তো উচ্ছেদ হবে টাকা-পয়সা নিয়ে। সুতরাং প্রতিক্রিয়া প্রকাশের কেউ থাকবে না মি. মিহরান মাসিস।’ ‘এটাই ভরসা মি. ওরান্তি ওরারতু যে, যারা উচ্ছেদ হচ্ছে, তারা ঠিক উচ্ছেদ নয়। তারা জমি ও সম্পদের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ পেয়ে নিজেরা সরে যাচ্ছে। সুতরাং তাদের কোন অভিযোগ থাকছে না, প্রতিক্রিয়া প্রকাশেরও সুযোগ তাই হবে না। টাকা-পয়সা প্রচুর খরচ হলেও অবাঞ্ছিত পপুলেশনকে এইভাবে সরিয়ে দেয়ার আমাদের কৌশল খুবই ভালো হয়েছে।’ বলল মিহরান মাসিস। ‘এজন্যে ধন্যবাদ দিতে হয় ‘আমরা মানুষ’ নামের ইহুদি এনজিওকে। বুদ্ধিটা ওরাই দিয়েছে। ‘আমরা মানুষ’-এর প্রেসিডেন্ট মোশে অ্যাসেনাথ বলেছিলেন, ‘এই ধরনের তৃণমূল পরিবর্তনের কাজ কখনও গায়ের জোরে করবে না, বুদ্ধি দিয়ে করবে। বুদ্ধির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো টাকা। কৌশলে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি কর, নিরাপত্তাহীনতার আতংক ছড়াও, তারপর টাকা দাও নিরাপদ স্থানে সরে পড়ার জন্যে। দেখবে, ওরা তোমার শত্রু হয়ে নয়, তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে সরে যাচ্ছে, তুমি যেমনটি চাও।’ টার্গেটেড পরিবার ও লোকদেরকে ড্রাগ-ব্যবসায়ের ফাঁদে ফেলার বুদ্ধিও ‘আমরা মানুষ’ নামের ঐ ইহুদি এনজিওর কাছ থেকেই আমরা পেয়েছি। ধন্যবাদ তাদেরকে। তাদের এই বুদ্ধি মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে কাজ দিচ্ছে।’ ওরান্তি ওরারতু বলল। ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কিন্তু মি. ওরান্তি ওরারতু, একটা বড় গণ্ডগোল তো বেঁধে গেছে। আরিয়াসের বারজানি পরিবারকে কেন্দ্র করে আমাদের পরিকল্পনা সাংঘাতিকভাবে মার খেয়েছে। আপনি জানেন, ঐ পরিবারের সবচেয়ে সক্রিয় সদস্য যুবক আতা সালাহ ‍উদ্দিন বারজানিকে ড্রাগ-ব্যবসায়ের ফাঁদে ফেলে জেলে পুরেছি। তার পিতা-মাতা আছেন মস্কোতে। তাদের তরফ থেকে এখনও ভয়ের কিছু ঘটেনি। কিন্তু আতা সালাহ উদ্দিনের বোন ড. আজদা আয়েশা এসেছে জার্মানি থেকে। সেই এসে ঝামেলা পাকিয়েছে। তাকে ড্রাগের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ড্রাগ-ফাঁদ পাতার জন্য আমাদের বালক-বালিকা বাহিনীর একজন বালককে পাঠানোও হয়েছিল ড. আজদার ঘরে ড্রাগ রাখার জন্যে। কিন্তু ড. আজদা তাকে ধরে ফেলে। গোপনীয়তা যাতে বালকটি ফাঁস করতে না পারে সেজন্যে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে আমাদের লোকরা বালকটিকে হত্যা করে।’ বলে মিহরান মাসিস থামল এবং টেবিল থেকে পানির গ্লাস তুলে নিল। ‘চমৎকার কাজ করেছে আমাদের লোকরা। এরপর আমাদের কিছু লোক সেখানে মারা গেছে, এই তো! এটা আমি ভ্যান থেকেই শুনেছি।’ বলল ওরান্তি ওরারতু। মিহরান মাসিস পুরো গ্লাসের পানি ঢক ঢক করে গিলে নিয়ে বলল, ‘শুধু লোক মারা যাওয়া নয়, সেই লোকেরা কি অবস্থায় কিভাবে মারা গেল, তা অ্যালার্মিং। আমাদের একজন মূল্যবান বালক হারাবার শোধ নেয়ার জন্যে সেদিনই সন্ধ্যা রাতে ড. আজদাকে কিডন্যাপ করতে গিয়েছিল আমাদের কিছু লোক। ঠিক সেসময় পুলিশ সেখানে হাজির হয় এবং কিডন্যাপ করে ফেরার পথে আমাদের চারজনই পুলিশের গুলিতে মারা যায়, অথচ পরিচয় জানার পর পুলিশ তাদের মারার কথা নয়। আমাদের নীতি অনুসারে সেদিন রাতেই ড. আজদাকে তার বাড়ি থেকে ধরে আনার জন্যে দুর্ধর্ষ কয়েকজনকে পাঠানো হয়েছিল। তারা সকলেই মারা পড়ে। এর প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে শত্রুকে সময় না দেয়ার আমাদের যে নীতি, সেই অনুসারে হোম সার্ভিসের গাড়ি করে হোম সার্ভিসের ছদ্মবেশে আমাদের ৭জন কমান্ডো যায় সেখানে। ৭ জন কমান্ডোই মারা পড়েছে। পরবর্তী এই দু’ঘটনায় পুলিশের সাহায্য আমরা পাইনি।’ বিস্ময় ফুটে উঠেছিল ওরান্তি ওরারতুর চোখে-মুখে। মিহরান মাসিস থামতেই সে বলে উঠল, ‘কে হত্যা করল তাদের? ঐ পুঁচকে মেয়েটা? তা কি করে সম্ভব?’ ‘মেয়েটা নয়, তাদের বাড়িতে আসা একজন মেহমান। সম্ভবত ড. আজদার কোন আত্মীয়।’ মিহরান মাসিস বলল। ‘বারজানি পরিবার ও তাদের আত্মীয়-স্বজনের সবাই তো আমাদের নখদর্পণে। তাদের মধ্যে কেউ এই অসাধ্য সাধন করেছে বলে তো মনে হয় না।’ বলল ওরান্তি ওরারতু। ‘আমিও বুঝতে পারছি না কি ঘটনা। ইজডির পুলিশের ডিওপি খাল্লিকান যে মেসেজ আমাদের দিয়েছেন, সেটাও উদ্বেগজনক। বলেছেন তিনি, ড. আজদাদের মেহমান লোকটি সাধারণ নয়। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের সাথে তার যোগাযোগ থাকতে পারে।’ মিহরান মাসিস বলল। ‘রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের সাথে তার যোগাযোগ থাকতে পারে? তাহলে সে সে?’ বলল ওরান্তি ওরারতু। উদ্বেগ তার কণ্ঠে। তার কথা শেষ হতেই মিহরান মাসিসের পিএস মিহরান মাসিসকে লক্ষ্য করে বলল, ‘স্যার, আরিয়াস থেকে মি. ভারদান এসেছেন।’ ‘হ্যাঁ, আমরা তাকেই আশা করছিলাম। নিয়ে এস তাকে।’ ভারদান বুরাগ আরিয়াস অঞ্চলের ‘সোহা’ প্রধান। মিনিটখানেকের মধ্যেই ভারদান বুরাগ ঘরে প্রবেশ করল। মিহরান মাসিস ও ওরান্তি ওরারতু দু’জনেই স্বাগত জানাল তাকে। ভারদান বুরাগ গিয়ে মিহরান মাসিসের সামনের সোফায় বসল। ‘সোজা আরিয়াস থেকে এলেন?’ জিজ্ঞেস করল মিহরান মাসিস ভারদান বুরাগকে। ‘স্যার, আরিয়াস থেকে ভ্যান হয়ে এখানে আসছি স্যার।’ ‘বল কি খবর?’ জিজ্ঞাসা মিহরান মাসিসের। ‘ভালো নয় স্যার। লোকটি এসে সবকিছুই লণ্ডভণ্ড করে দিচ্ছে।’ বলল ভারদান বুরাগ। ‘কোন লোক? ড. আজদার অতিথি?’ মিহরান মাসিস বলল। ‘ঠিক বলেছেন স্যার! ঐ লোকটিই।’ ভারদান বুরাগ বলল। ‘লণ্ডভণ্ড কি করছে? দু’ঘটনায় আমাদের তেরজন লোক মেরেছে, সেটাই কি?’ বলল মিহরান মাসিস। ‘শুধু এটাই নয় স্যার। লোকটি যে যাদুকর। এসেই যেন সব জেনে ফেলছে। এসেই নাকি সে পুলিশকে জানিয়েছে, ইজডিরসহ দক্ষিণ-পূর্বের কয়েকটি প্রদেশ থেকে লোক উচ্ছেদ করে বাইরের লোক এনে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। সর্বশেষে আমরা জানতে পেরেছি, সে লোক লাগিয়েছে বাড়ি বাড়ি ঘুরে একটা রিপোর্ট তৈরি করতে তাদের অভিযোগ সত্য প্রমাণের জন্য।’ ভারদান বুরাগ বলল। ভারদান বুরাগের কথা শুনে মিহরান মাসিস ও ওরান্তি ওরারতু দু’জনের মুখ কালো হয়ে গেছে। ওরান্তি ওরারতুর মুখ ফেটেই যেন চিৎকার বেরুল, ‘বলছ কি ভারদান বুরাগ? এসেই লোকটা এসব জানতে পেরেছে?’ ‘সেটাই তো আশ্চর্যের। তারা থানায় যে কেস করেছে, তাতেও তাদের এসব কথা আছে। পুলিশ আমাদের এটা জানিয়েছে।’ বলল ভারদান বুরাগ। ‘লোকটি কে তোমরা জেনেছ?’ জিজ্ঞাসা মিহরান মাসিসের। ‘জানা যায়নি। তবে সে যে বারজানি পরিবারের আত্মীয় নয়, এটা নিশ্চিত। পুলিশের কাছ থেকেও এ ব্যাপারে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্য রশিদ দারাগ চিকিৎসা নিচ্ছেন ভ্যানে। আর ডিওপি খাল্লিকান খাচিপ তেমন কিছু তথ্য দিতে পারেননি।’ ভারদান বুরাগ বলল। ‘কোথায় এখন লোকটি?’ বলল ওরান্তি ওরারতু। ‘গতকাল ভ্যানে এসেছে। এসে এখানেও গণ্ডগোল পাকিয়েছে।’ ভারদান বুরাগ বলল। ‘কি গণ্ডগোল?’ মিহরান মাসিস বলল। ‘গণ্ডগোল মানে এখানেও আমাদের কাজে বাগড়া দেবে বলে মনে হচ্ছে। আমি এখানে রওয়ানা দেয়ার আগে পুলিশ সূত্রে জানতে পারলাম, ভ্যান ক্যালিস প্রাসাদ মিউজিয়ামের এই রাতের রক্তাক্ত অভিযানের ঘটনাকে সে মাউন্ট আরারাতের উল্কিধারী মানে আমাদের কাণ্ড বলে পুলিশকে জানিয়েছে। আরও মজার...।’ ভারদান বুরাগের কথার মাঝখানেই ওরান্তি ওরারতু উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলে উঠল, ‘উল্কিধারীর কথা সে বলেছে? জানল কি করে আমাদের মাউন্ট আরারাতের সদস্যরা উল্কি ধারণ করে! অসম্ভব ব্যাপার!’ ‘সে জন্যেই তো লোকটা যাদুকর। আরও একটা বড় ব্যাপার হলো, ভ্যানের পুলিশ সূ্ত্রেই আমি জানলাম, মিউজিয়ামে রক্তাক্ত এ ঘটনার দায়ে মিউজিয়ামের প্রধান গ্রেফতার হওয়া অবধারিত ছিল। ডিজিপি পুলিশ নিয়ে স্বয়ং গিয়েছিলেন ড. মাহজুন মাজহারকে গ্রেফতারের জন্যে। কিন্তু সেখানেও হাজির ঐ যাদুকর লোকটি ড. আজদা ও ড. সাহাব নুরীকে নিয়ে। লোকটি তার যুক্তি দিয়ে ঘটনার মোড় একেবারে পাল্টে দেন এবং ড. মাহজুন মাজহার নির্দোষ হয়ে যান এবং মিউজিয়ামের হামলাকারীরা কিভাবে, কোন কৌশলে মিউজিয়ামে প্রবেশ করেছে, তারও সম্ভাব্য তথ্য সে পুলিশকে দিয়েছে। পুলিশ সে অনুসারে তদন্তও শুরু করে দিয়েছে।’ ‘অসম্ভব সব কথা বলছেন মি. ভারদান। কিভাবে একজন লোক এভাবে সবজান্তা হতে পারে? পুলিশকে দেখছি এভাবে সে হাতের মুঠোয় নিয়ে ফেলেছে। কল্পনারও অতীত ঘটনা এসব।’ বলল মিহরান মাসিস। ‘ভ্যানে কোথায় উঠেছে লোকটা?’ বলল ওরান্তি ওরারতু। ‘ভ্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ড. আজদার মামা ড. সাহাব নুরীর বাড়িতে।’ ভারদান বুরাগ বলল। ওরান্তি ওরারতু তাকাল মিহরান মাসিসের দিকে। বলল, ‘এসব শুনে আর লাভ নেই মি. মিহরান মাসিস। এখন বলুন কি করা যায়? ঐ লোকটিকে এক মুহূর্তও বাঁচিয়ে রাখা যায় না।’ ‘এখন সব কাজ ছেড়ে ঐ লোকটিকেই দেখতে হবে। সত্যিই বলেছেন, ওকে বাঁচিয়ে রেখে আমাদের সামনে এগোনো সম্ভব নয়।’ বলল মিহরান মাসিস। ‘একজনের জন্যে সব কাজ বন্ধ থাকবে না। আমাদের সব কাজই চলবে, চলতে হবে আরও দ্বিগুণ বেগে। এর পাশাপাশি আমরা লোকটিকেও দেখবো। আমাদের বাছাই করা কমান্ডোদেরকে আজই পাঠাতে হবে ভ্যানে। দরকার হলে আমিও সেখানে যাবো। ভ্যানে এই মুহূর্ত থেকেই তার ওপর চোখ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।’ ওরান্তি ওরারতু বলল। ‘তার ওপর সার্বক্ষণিক চোখ রাখার ব্যবস্থা আমরা করেছি। সে আরিয়াস থেকে ভ্যানে এলে আমাদের দু’জন তাকে অনুসরণ করে ভ্যানে এসেছে এবং তার ওপর সার্বক্ষণিকভাবে চোখ রাখছে।’ বলল ভারদান বুরাগ। ওরান্তি ওরারতুর ‍মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বলল, ‘ধন্যবাদ মি. ভারদান বুরাগ। আমি আনন্দিত যে, আপনারা সময়ের সাথে এগোচ্ছেন।’ ভারদান বুরাগের কথা শেষ হতেই মিহরান মাসিস বলল, ‘তাহলে এখন উঠা যাক। আজকেই ভ্যানে লোক পাঠাতে হবে। কাদের পাঠানো যায়, আপনিও ভাবুন। আমিও দেখছি। সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর এ পর্যন্তকার বিশ্লেষণে বুঝেছি, লোকটি বিপজ্জনক। সাবধানে এগোতে হবে। তাকে কাবু করতে, বাগে আনতে আরও কি করা যায়, সেসব বিকল্প নিয়েও ভাবতে হবে।’ ‘ঠিক মি. মিহরান মাসিস। আপনি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, সেসব নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।’ বলে উঠে দাঁড়াল ওরান্তি ওরারতু। উঠে দাঁড়াল মিহরান মাসিস। ভারদান বুরাগও।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৭ বাকি অংশ (শেষ)
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৬ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৫ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৪ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৩ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ২ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ১ বাকি অংশ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now