বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মাসজিদ

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান EvA AhMED (০ পয়েন্ট)

X বগুড়া জেলার সর্বদক্ষিণের থানা শেরপুর। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কি.মি. দূরে সুপ্রচীন এই শেরপুর শহর অবস্থিত। বগুড়া পৌরসভার একদিন আগে ১৮৭৬ সালে এই পৌরসভা গঠিত হয়।এই শহরে ঐতিহাসিক অনেক নিদর্শন আছে। যার মধ্যে খেড়য়া মসজিদভ অন্যতম। শহরতলী হতে ১ কি.মি. দূরে খন্দকার টোলা নামক গ্রামে এই মসজিদ অবস্থিত।আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৪৩৫ বছর পূর্বে এই মসজিদ নির্মান হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।কথিত আছে যে,মির্জা নবাব মুরাদ খায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় আব্দুস সামাদ নামের এক ব্যাক্তি এই মসজিদটি নির্মান করেছিলেন।মসজিদটির নাম করণ নিয়ে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। তবে আব্দুল কালাম মোহাম্মাদ যাকারিয়া তার 'বাংলাদের প্রত্নসম্পদ' নামের বইটিতে উল্লেখ করেন যে,এই মসজিদটির নাম করণ নিয়ে কোন ইতিবৃত্ত পাওয়া যায় নি। আরবি বা ফারসি ভাষায় খেড়য়া বলে কোন শব্দ নেই তবে ফারসি ভাষায় খায়ের গাহ নামের শব্দ আছে। যার অর্থ হল ভিতরে। রাজা মান সিং বাংলার সুবাদার থাকা কালে শেরপুরে একটি দূর্গ স্থাপণ করেছিলেন।এই দূর্গের চিহ্ন বর্তমানে নেই।তবে এই মসজিদ দূর্গের মধ্যে পড়ে বলে এর নাম খেড়য়া হতে পারে। মসজিদটি উত্তর দক্ষিন লম্বা বাইরের মাপের দৈঘ্য ৫৭ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট।মসজিদের দেয়াল গুলো ৬ফুট পুরো।মসজিদের চার কোনে চারটি মিনার আছে। এছাড়া ও মসজিদটি ৩ গুম্বুজ বিশিষ্ট। খেড়ুয়া মসজিদের নির্মান শৈলির সাথে ষাট গম্বুজ মসজিদের মিল লক্ষণীয়। মসজিদটি তৈরিতে কৃষ্ণ পাথর ব্যাবহার কারা হয়েছিল। মসজিদের গায়ে বিভিন্ন কারু শিল্পের নিদর্শন লক্ষ্য করা যায়। মসজিদটির গায়ে দুটি শিলা পাওয়া গিয়েছিল,যা বর্তমানে পাকিস্থানের করাচি জাদুঘর এর সংরক্ষিত আছে।বহু বছর মসজিদটি অবহেলায় পড়ে ছিল।তবে ৯০এর দশকে সরকার মসজিদটির সংস্কার করেন। বর্তমানে মসজিদের আশেপাশের পরিবেশ অনেক সুন্দর করা হয়েছে। মসজিদ চত্তরের ভিতরে একটি কবর রয়েছে,তবে এটি কার কবর এ বিষয়ে কোন তথ্য নেই। ইচ্ছে করলে ঘুরে আসতে পারেন এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদ থেকে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মাসজিদ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now