বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মারকুটো কবুতর

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)

X ★লেখকঃ মিম★ আমার ভাইয়ার কবুতর পোষার খুব শখ। আমাদের বাড়ি আগে অনেক কবুতর ছিল। আমার ভাইয়া কবুতর কিনে এনে এনে ঘর একেবারে ভরে ফেলেছিল। পরে যখন ভাইয়া শহরে পড়তে গেল তখন কবুতর আস্তে আস্তে কমতে লাগল। পরে মাত্র ৫ জোড়া কবুতর ছিল। তাও আবার ঘরছাড়া হচ্ছিল একটা কবুতরের জন্য। ছাই রঙের একটা কবুতর। খুব মারখুটে। সব কবুরগুলোর সাথে মারামরি করতো। অন্য কবুতরগুলো ছিল শান্তিপ্রিয়। তারা মরামারি করে না বেচে শান্তিতে বাচতে চাইত।তাই ৫ জোড়া কবুতের মধ্যে শেষে থাকলো আর মাত্র ২ জোড়া কবুতর। এখন ওদের দুই জোড়ার জন্য ঘরও আলাদা করা হয়েছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। ঐ ছাই রাঙা কবুতরটা উড়ে ঐ অন্য জোড়া কবুতরের বাসায় গিয়ে তাদেরকে ঠোকর দেয় আর তাদের সাথে মারামরি করতে চাই। আর ঐ ভালো কবুতর জোড়া ভয়ে পালায়। এখন কিছুদিন ধরে লক্ষ করছিড়াম ঐ কবুতরটা ওই শান্ত কবুতর জোড়ার সাথে একটু কম মারামারি করছে। তবে সে উঠানের ধারে ঘাসের উপর গিয়ে শুধু বাকবাকুম বাকবাকুম বলে ডাকছে আর ঠোকর দিচ্ছে। ঠিক মারামারি করার কায়দা। এটা দেখে প্রথমে বুঝিনি ব্যাপারটা কি। তবে আজ সকালে দেখলাম সেদিন মিনার বোন কনা যে আয়নাটা ভেঙে ফেলেছিল তার একটা টুকরো ওখানে পড়ে আছে। আর আয়নায় নিজের প্রতিকৃতিকে অপর একটা কবুতর ভেবে ও অমন ঠোকাঠুকি করছে। আসলে এমন মারকুটো কবুতর আমি কখনো দেখি নি। একটা কবুতরের জন্য সব কবুতর একেবারে নাজেহাল। কনাকে এনে এটা যখন দেখালাম ওতো হেসেই বাহার।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মারকুটো কবুতর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now