বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মাম্মা এবং আমরা

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X সবে স্কুল ছেড়ে কলেজের গণ্ডিতে পা রেখেছি।বাসায় মা-বাবা কিংবা অন্য অভিভাবকদের সান্নিধ্যে বিরক্ত লাগে।নতুন নতুন বন্ধু জুটেছে। ওদের সাথে "আগডুম বাগডুম" কথোপকথন ও ভাল লাগে।বাসার সবাইকে তাই যথাসম্ভব এড়িয়ে চলি। সকাল সাতটায় বেরিয়ে পড়ি প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে..সেখান থেকেই কলেজের বাস ধরে ঠিক ৯টায় কলেজে উপস্হিতি নিশ্চিত করি..কলেজ ছুটি হলে আবার প্রাইভেট পড়া। বন্ধুদের সাথে রাজ্যের গল্প আর অহেতুক "হাহা হিহি" করে খুব অল্প পরিমাণ দৈহিক ও মানসিক শক্তি অবশিষ্ট রেখে বাসায় ফিরি। বাবা জিজ্ঞেস করেন, -"কিরে,ইকবাল স্যার কি তোদের পদার্থবিজ্ঞান পড়ান এখন?" আমি যথাসম্ভব বিরক্ত মুখে উত্তর দিই, -"বাবা,তোমার কলেজ জীবনের স্যার আমাকে পদার্থবিদ্যা পড়ানোর জন্য এখনো বেঁচে আছেন বলে কি তোমার মনে হয়?" বাবা আমার উত্তর শুনে চুপ করে যান। বাস্তবে ইকবাল স্যার আমাদের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান।তবু সেকথা এড়িয়ে যাই। বাবাকে খুব সেকেলে আর অবুঝ প্রমাণ করতে কেন যেন ইচ্ছে হয় খুব। মা আমায় ছোটখাট উপদেশ দেয়ার চেষ্টা করেনঃ "ছেলে আর মেয়েতে কখনো বন্ধুত্ব হয়না। ছেলেদের সাথে দূরত্ব রেখে চলাফেরা করবে" মায়ের এসব কথা ভীষণ ন্যাকা ন্যাকা লাগে।এই উপদেশ শোনার ধৈর্য্য বা সময় কোনটাই আমার থাকেনা। তাই,মাকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বলি, -"তোমাদের সময়ে সবাই খুব NARROW- MINDED ছিল।তাই ছেলে আর মেয়ের মধ্যকার বন্ধুত্বকে সবাই মেনে নিতে পারত না।এখন ওসব হয়।আমরা তোমাদের মত এত বোকা বোকা নই যে.." মা দীর্ঘশ্বাস গোপন করার চেষ্টা করেন।আমি বুঝেও না বোঝার ভান করি।এভাবেই কাটে দিনগুলো। হঠাত্ একদিন কলেজ থেকে ফিরেই দেখি বাসায় একজন অতিথি..আমার মায়ের বড় বোন..ছোটবেলা থেকেই আমি যাকে মাম্মা বলে ডাকি। চিরকুমারী এই মাম্মা একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স।এতদিন তাঁর কর্মস্হল ছিল,মৌলভীবাজার।এখন সিলেটে পোস্টিং হয়েছে।আমাদের বাসায় আপাতত কিছুদিন থাকবেন।তারপর বাসার খোঁজ পেলে চলে যাবেন। আমার মাথায় যেন বিনামেঘে বজ্রপাত হল।নিজের মা-বাবাকে সহ্য করা কঠিন হয়ে উঠেছে।তার উপর আবার এই উটকো ঝামেলা।আমার ঘরটা এখন ভাগ করে নিতে হবে মাম্মার সাথে।ধুর..এতে তো আমার প্রাইভেসির বারোটা বেজে যাবে। বন্ধুদের সাথে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা করে "অতিথি অপসারণ আন্দোলন" নামক একটা দশদিন ব্যাপী কর্মসূচি নির্ধারণ করলাম। ঘুমন্ত অবস্হায় মাম্মার শাড়িতে তেলাপোকা ছেড়ে দেয়া, তাঁর টুথব্রাশ দিয়ে জুতোপালিশ করে রাখা, ভাতের থালায় মাকড়শা ছেড়ে দেয়া, শাড়ির মাঝবরাবর কেটে রাখা.. ..এরকম আরো কত কি করলাম। তবে এসব করতে গিয়ে মাম্মার চেয়ে আমার ভোগান্তি ই হল বেশি। তেলাপোকা ধরতে গিয়ে ঘরের সব বাক্স-প্যাটরা নাড়াচাড়া করে ধুলো বালি থেকে আমার শ্বাসকষ্ট গেল বেড়ে। দেয়ালের কোণে থাকা মাকড়শা ধরতে গিয়ে চেয়ার উল্টে পড়ে গিয়ে লিগামেন্টে চোট পেলাম।পুরো এক সপ্তাহ ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটতে হল। বাকি ঘটনাগুলো আর নাই বা বললাম। মাম্মাকে নাস্তানাবুদ করতে গিয়ে নিজের এই দুরবস্হা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।আমার বন্ধুদের জরুরি তলব দিয়ে গোপন বৈঠকে বসলাম। তবে ইতোমধ্যে আমার সমস্যার চেয়েও বড় একটা সমস্যা দেখা দিল।সেই সমস্যা সমাধান করা জরুরি হয়ে দাঁড়াল। সমস্যাটা হল,আমার বন্ধু মধুরিমাকে নিয়ে।ওকে বাসায় পড়াতে আসে ভার্সিটির এক ছাত্র ; নাম রাজীব। একদিন পড়ানোর সময় মধুরিমার পায়ে রাজীবের পা লেগে গেল।তারপর থেকে প্রায়ই রাজীবের পা মধুরিমার পায়ে লেগে যায়।পড়ানোর ভান করে কখনোবা মধুরিমার হাত ও চেপে ধরে রাজীব। প্রথম প্রথম মধুরিমা ভাবত,এসব নেহাত্ ই অনিচ্ছাকৃত ঘটনা।তবে যত দিন যায়,রাজীবের এই ছোয়াছুয়ি খেলার প্রবণতা তত প্রকট হয়।কখন যে কি হয়ে যায়,এই চিন্তায় মধুরিমা তো অদ্ভুত ভয়ে ভয়ে থাকে।ওর মা-বাবা কে ও বলতে পারেনা,লজ্জা এসে চেপে ধরে। আমরা একেকজন একেক ভাবে সমাধান করার চেষ্টা করি।তবে তার কোনটাই যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য হয়না। এমন সময় মাম্মা এলেন,আমাদের জন্য চা জলখাবার নিয়ে।একটা চেয়ার টেনে নিয়ে স্হির হয়ে বসে তিনি বললেনঃ -"আমি তোমাদেরকে একটা গল্প বলব।" আমি বিরক্তি না চেপেই বললামঃ -"আমরা একটা জরুরি বিষয়ে আলোচনা করছি। আপনার গল্প শোনার ধৈর্য বা মানসিকতা কোনটাই আমাদের নেই।" আমার কথায় কান না দিয়েই মাম্মা শুরু করলেনঃ "সে আশির দশকের কথা।তোমাদেরই বয়সী কাজল নামের একটা মেয়ে ..কোমর ছাপিয়ে কাজল কালো চুল,মায়বী মুখ,মিষ্টি হাসি,আন্তরিক ব্যবহার দিয়ে সে সহজেই সবার মন করে নিতো। এস.এস.সি পাশ করে গ্রাম থেকে শহরে এল কাজল,চাকুরির আশায়।ছোট ছোট ৬ভাই বোন সহ পুরো একটা পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব তখন তাঁর কাঁধে।পেয়েও গেল একটা চাকুরি। সিলেটের দাড়িয়াপাড়ায় একটা একঘরের বাসা ভাড়া নিয়ে কাজল নির্ঝঞ্ঝাট জীবন কাটাচ্ছিল। একসন্ধ্যায় বাড়িওয়ালার ঘরের সবাই কোথাও বেড়াতে গেছে।এমন সময় বাড়িওয়ালার মাতাল ছোট ভাই টা কাজলের ঘরের দরজায় প্রচণ্ড ধাক্কাধাক্কি শুরু করল। সেই আশির দশকে,দাড়িয়াপাড়ায় এত ঘন জনবসতি ছিলনা যে এক বাসায় চিত্কার চেঁচামেচি হলে আর এক বাসার লোকজন ছুটে আসবে।পুরনো কাঠের দরজা,কতক্ষণ এই অমানুষিক ধাক্কাধাক্কির যন্ত্রণা সহ্য করতে পারত কে জানে। তবে কাজল জানত,যা করার তাকে একাই করতে হবে।এক হাতে দা,আরেক হাতে গরম খুন্তি নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে এল কাজল। প্রাণভয়ে দৌড় দিল মাতাল লোকটা।পেছন পেছন ছুটল কাজল.. 'দাঁড়া রে নেড়িকুত্তা..আজ তোকে কুচি কুচি করে পাড়ার কুকুরদের খাওয়াব..এত লোভ তোর..ভাত খেয়ে পেট ভরেনি,তাইনা?..আয় ,আমার কাছে..গরম খুন্তি দিয়ে ঝলসে দেব তোকে..জন্মের মতো তোর ক্ষুধা মিটে যাবে রে..' ..এই বলে চিত্কার করতে করতে রাস্তা দিয়ে লোকটাকে তাড়া করছে কাজল।রাস্তার লোক এই অভিনব দৃশ্য দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে তাকিয়ে রইল .. দাড়িয়াপাড়ার লোকের মুখে মুখে রটে গেল,কাজলের এই সাহসিকতার কাহিনী। ছেলে- বুড়ো নির্বিশেষে সবাই এরপর থেকে কাজলকে দেখতো,তবে কামনার চোখে নয়,সম্মানের চোখে।" এইটুকু বলেই মাম্মা উঠে চলে গেলেন। আমাদের মাঝে তখন পিনপতন নিরবতা।তবে ততক্ষণে আমরা সবাই মধুরিমার সমস্যাটার সমাধান পেয়ে গেছি। কিছুদিন পর ৮০র দশকের সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল ..তবে দাড়িয়াপাড়ায় নয়.. সিলেটের ই সোবহানিঘাটে..সহস্রাব্দের শুরুর দিকটাতেই মধুরিমা বটি নিয়ে তাড়া করল রাজীবকে..এরপর রাজীবকে আর সোবহানিঘাটের আশেপাশে ও দেখা যায়নি। লাজুক মেয়ে মধুরিমাকে এখন ওর পাড়ার মাস্তান ছেলেরাও এড়িয়ে চলে। চশমা পরা মধুরিমা রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে আর কেউ শিস দিয়ে বলেনা, -"মামণি চোখের ডাক্তার দেখাও" আমিও এখন মাম্মাকে বিরক্ত করিনা।শুধু আমার ঘর নয়,আমার নিজের বিছানাটা ও আমি মাম্মার সাথে ভাগ করে নিয়েছি। তবে,কিছুদিন থেকে একটা ব্যাপারে খটকা লাগছে।প্রায় ই দেখি,পুরনো অব্যবহৃত কাপড়,খেলনা জড়ো করে সেগুলো বাক্সবন্দী করে রাখেন,মাম্মা। আমাদের কে লুকিয়ে,প্রতি শুক্রবার বিকেলে সেইসব বাক্স নিয়ে কোথায় যেন যান। আমি আমার 'বান্ধব-গ্রুপ' কে খবর দিলাম। গোপনে মাম্মার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এক শুক্রবারে আমরা মাম্মাকে অনুসরণ করে উপস্হিত হলাম এক পুরনো বাড়ির সামনে।দেখলাম আঙিনায় খেলছে জনা দশেক শিশু।আমরা কিছুক্ষণ লুকিয়ে রইলাম। মাম্মা তাঁর কাজ সেরে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবার পর,আমরা আমাদের তদন্ত শুরু করলাম। গেটের কাছে মরচে ধরা নেমপ্লেট পড়ে ঊষা জানাল,বাড়িটার নাম : "গীতবিতান"। আঙিনায় খেলায় ব্যস্ত একটা বাচ্চা কে ডেকে মাহবুবা ও তার অনুসন্ধান চালাল। শান্তা চলে গেল বাড়ির পুরো এলাকাটা পর্যবেক্ষণ করতে। আমি গেলাম রান্নাঘরের দিকে।রাঁধুনী গোছের একজনকে পেয়ে তাঁকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করলাম। প্রথমে তিনি বলতে চাইছিলেন না।তদন্তের সুবিধার্থে,না চাইলেও আমাকে মিথ্যা বলতেই হল। বললামঃ"আমরা সাংবাদিক।গীতবিতানের বাচ্চাদের নিয়ে একটা রিপোর্ট করতে এসেছি" একথা শুনে তিনি মুখ খুললেন।আমিও যা জানার জেনে নিলাম। আমরা নিজেরা আলাদা আলাদা ভাবে আমাদের কাজ শেষ করে,পরদিন কলেজ গেটে মিলিত হলাম।যা জেনেছি,তার সারমর্ম হল এই যে, ওই বাড়িটাতে জন্মপরিচয়হীন কিছু টোকাই বাচ্চার থাকা-খাওয়া- পড়াশোনার ব্যবস্হা করা হয়।বাচ্চাদের দেখাশোনা করেন ওই রাঁধুনী ,তাঁর নাম হল শোভা।তবে আশ্চর্য হবার কথা হল যে,এই সব কিছুই হয়,আমার মাম্মার একক প্রচেষ্টায়। ছোট ভাইবোনদের মানুষ করতে গিয়ে নিজে বিয়ে করার চিন্তাও করেননি আমার মাম্মা।আবার ভাইবোনেরা প্রতিষ্ঠিত হবার পর আরো কিছু অনাথ বাচ্চার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।আমার বন্ধুরা এই মহিলার ধৈর্যের পরিচয় পেয়ে তো স্তব্ধ। সবার প্রথমে মুখ খুলল জয়ন্ত, -চল্ ,আমরা সবাই মিলে মাম্মাকে চমকে দিই। মুরাদ :কিভাবে? এতক্ষণ কি যেন চিন্তা করছিল ঊষা..এবার বললঃ -আমাদের সবার সঞ্চয়ের টাকা এক করতে হবে। তারপর নিজেদের মধ্যে কাজ ভাগ করে নিতে হবে।কয়েকদিন পর ই তো ঈদ।আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই..ঈদের দিনেই চমকে দেব সবাইকে। আমার "বান্ধব গ্রুপের" আমরা দশ জন বুঝিয়ে সুঝিয়ে গীতবিতানের সংরক্ষক সেই মহিলা শোভা,আর বাচ্চাদেরকে ও আমাদের পরিকল্পনায় সামিল করে নিলাম।সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঈদের দিনটা হয়ে গেল আমাদের জীবনের "বাঁক ঘুরিয়ে দেয়া মুহুর্ত"। ঈদের দিন সকালে নিজস্ব নিয়মে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানিয়ে,আমরা বন্ধুরা সবাই,আমাদের মা বাবাকে নিয়ে পৌঁছে গেলাম গীতবিতানে। মাম্মাকে ও সঙ্গে নিয়ে নিলাম।বাকি সব ব্যবস্হা আগে থেকেই করা ছিল। মাম্মা ওখানে পৌঁছার পরপর ই গীতবিতানে র বাচ্চারা গেয়ে উঠলঃ "আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর.." ঈদের দিনে নতুন জামাকাপড় পরে,আনন্দে উজ্জ্বল বাচ্চাগুলোর মুখ দেখে,আমি বুঝতে পারলাম,সৃষ্টিকর্তা আমাকে বিশাল সৌভাগ্য দিয়ে পাঠিয়েছেন।ওই বাচ্চাগুলোর বাবা-মা নেই..অথচ আমার কাছে সৃষ্টিকর্তার দেয়া দু'দুটো উপহার "মা,বাবা "থাকতে ও আমি সেই উপহার দুটোর যথেষ্ট মর্যাদা দেইনি এতদিন।আমি ঠিক করে নিলাম,মা বাবাকে আর অবজ্ঞা করবনা কখনোই। মাম্মা অশ্রুসজল চোখে বললেন, "গীতবিতান আজ সত্যি ই গীতবিতান হল" এত চেঁচামেচির মাঝে ও আমি মাম্মা কে জিজ্ঞেস করলামঃ "৮০র দশকের সেই সাহসী কাজল তো তুমিই ছিলে,তাই না?" মাম্মা মুচকি হাসলেন। এখন প্রতিরাতে ৮০র দশকের সেই প্রতিবাদী মেয়েটা কে জড়িয়ে ধরেই আমি ঘুমোতে যাই।আর প্রতিদিন ঘুম ভাঙার পর প্রভাত-সূর্যের কিরণ গায়ে মেখে তাঁর সাথেই মণ্ত্রোচ্চারণ করিঃ এই সব মূঢ় ম্লান মূক মুখে দিতে হবে ভাষা,এই সব শ্রান্ত শুষ্ক ভগ্ন বুকে ধ্বনিয়া তুলিতে হবে আশা ;ডাকিয়া বলিত হবে-- "মুহূর্তে তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে ; যার ভয়ে তুমি ভীত,সে অন্যায়,ভীরু তোমা চেয়ে, যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পালাইবে ধেয়ে ।" পরিশিষ্টঃ শুধু আপনাকে চুপিচুপি বলছি।জেনে রাখুন,আমার পরিচিত জনেরা বলেন,আমার চেহারা আমার মাম্মার মতো।তাই,মনে ক্ষীণ আশা.. ..বড় হলে আমিও মাম্মার মতো হব.. -দীপিকা চক্রবর্ত্তী


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মাম্মা এবং আমরা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now