বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু রেশমি।পড়াশোনাতেও বেশ ভালো। মা-বাবার একমাত্র মেয়ে। বাবার আদরের হলেও মার মনে হয় আদরের নয়। আমাদের বাসার পাশেই তাদের বাসা। প্রতিদিনই দেখি তাদের মা আর মেয়ের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকে। তাহলে আর কথা না
বাড়িয়ে মূল কথাতেই যাই......................
সেদিন ছিল আমাদের স্কুলের পরীক্ষা হওয়ার দুদিন আগের কথা রেশমি তার বাবার সাথে কথা বলছে।রেশমি বলছে, বাবা আমি যদি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করি তাহলে আমরা বানদরবানে ঘুরতে যাব। তুমি যদি রেজাল্ট ভালো কর তাহলে
অবশ্যই ঘুরতে যাব(তার বাবা)। মধ্যে থেকে তার মা এসে বলল, যা আগে ভালো রেজাল্ট কর তারপর বোঝা যাবে।এ কথা শুনে রেশমি মুখ ফুলিয়ে সে তার ঘরে চলে গেলে। রেজাল্ট ভালো করার জন্য রেশমি সারা রাত বসে পড়াশুনা করে।কিন্তু তার কয়েকটির প্রশ্ননের উওর জানা না থাকায় রেশমি মোবাইল এ ইনটারনেট থেকে প্রশ্নগুলোর উওর জানার চেষ্টা করে।কিন্তু তার মা ঘুম থেকে উঠে দেখে রেশমি পড়াশোনা না করে মোবাইল নিয়ে পরে আছে অমনিই শুরু হয় ঝগড়া কে শুনে কার কথা।ঝগড়া শুনে পুরো পড়া প্রতিবেশী জেগে ওঠে।এভাবে পরীক্ষার দিন শেষ হয়। কয়েকদিন পর স্কুলে পরীক্ষার খাতা দেয়। পরীক্ষার খাতা দেখে রেশমি খুশিতে বাঁচে না সে পরীক্ষায় 98 নম্বর পেয়েছে। স্কুল ছুটি দেওয়ার পর রেশমি এক দৌড়ে বাসায় যায়।সে তার খাতা বাবাকে দেখায়।বাবা বলেন, ঠিক আছে তাহলে আমরা সবাই বানদরবানে ঘুরতে যাব। একথা শুনে রেশমি মহাখুশি।
কিন্তু তার মা খাতা দেখে রাগিগলায় বলে, মার্কস শুধু 98 কেন আর বাকি দুই নম্বর কোথায়। একথা শুনে রেশমির মাথা ঘুরতে লাগল আর ভাবলো, এত কষ্ট করে রাত জেগে পড়ে আমি 98 মার্কস আনার পরেও মা বলছে কিনা আর দুই নম্বর কোথায়।শেষমেশে রেশমি মাথা ঘুরে পড়েই গেল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now