বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লক নেস দানব
লক নেস দানব হলো একটি ক্রিপটিড (প্রাণী যাদের অস্তিত্ত্বের কথা শোনা যায় কিন্তু বৈজ্ঞানীক কোন প্রমাণ নেই)। জনশ্রুতি অনুসারে, এটি স্কটল্যান্ডের লক নেসে বসবাসকারী অনেক বড় অদ্ভুত প্রাগৈতিহাসিক ড্রাগণ আকৃতির পাখাওয়ালা একটি প্রাণী। বিভিন্ন সময় যদিও এর ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায় তবে এটি স্কটল্যান্ড ও এর আশেপাশের হৃদের অন্যান্য রহস্যময় দানবদের যে বর্ণনা পাওয়া যায় তার সাথে অনেকটা মিলে যায় বলে মনে করা হয়। এ প্রাণী এর অস্তিত্ব সম্পর্কে বিশ্বাস ও মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সূত্র ধরে, এটি প্রথম ১৯৩৩ সালে বিশ্ববাসীর নজড়ে আসে। অনেক বিতর্কিত ফোটোগ্রাফিক উপাদান এবং অস্তিত্ত্বের প্রমাণ সম্পর্কে অপর্যাপ্ত তথ্যের জন্য এ প্রাণীটিকে অনেকেই কাল্পনিক প্রাণী বলে মনে করে থাকেন।
সাধারণ বিশ্বাস অনুসারে কোন প্রাণীর এতো দীর্ঘ সময় পৃথীবিতে টিকে থাকা সম্ভব নয় ও হৃদের গভীরে সর্যালোক প্রবেশ না করার কারণে এটিকে নিছক একটি গুজব বলে মনে করা হয়। বৈজ্ঞানীক সম্প্রদায়, এটিকে অধুনিককালের পুরাণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে এগুলো বাদ দিয়ে, লেক নেসের দানব পৃথিবীর অন্যতম রহস্য বলে বিবেচিত। ১৯৪০-এর দশক থেকে কিংবদন্তি এ দানবটিকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, নেসী (স্কটিশ নিসাগ থেকে এর উৎপত্তি)। ক্রিপ্টোজুলজিতে (রহস্যময় প্রানী সম্পর্কিত বিজ্ঞান) বিগফুট, ইয়েতি, সাসকুয়াচের মতো রহস্যঘেরা প্রাণীদের পাশাপাশি নেসীও স্থান করে নিয়েছে।
ব্যুৎপত্তি:
লক নেস:
সর্বপ্রথম ১৯৩৩ সালের ২রা মে অ্যালেক্স ক্যামপবেল নামক একজন জলভূমির গোমস্তা, পার্ট-টাইম সাংবাদিক ইনভার্নেস কোরিয়ারের এক প্রতিবেদনে ইংরেজি মোনস্টার (দানব) শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। ৪ঠা আগস্ট ১৯৩৩ সালে কোরিয়ারম, লন্ডনের জর্জ পাইচার নামের এক ব্যক্তির বরাত দিয়ে একটি সম্পূর্ণ সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে তাতে উল্লেখ করা হয়, তিনি ও তার স্ত্রী একদিন দেখেন একটি ড্রাগন আকৃতির বা প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী তার মুখে একটি জন্তু নিয়ে রাস্তা পার হয়ে হৃদের দিকে যাচ্ছে। এরপর থেকে উক্ত কোরিয়ারের অফিসে বিভিন্ন সময় অনেক চিঠি আসতে থাকে যাতে ব্যক্তিগতভাবে বা পারিবারিকভাবে লক নেসের রহস্যময় প্রাণটি দেখতে পাওয়ার কথা দাবি করা হয়। শীঘ্রিই কাহিনীটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং এটিকে দানব মাছ, জলদানব বা ড্রাগন বিভিন্ন নামে অবহিত করা হয়; এভাবেই লক নেস দানব কথাটি জনপ্রিয় হয়।৬ই ডিসেম্বর ১৯৩৩ সালে হাগ গ্রে নামে একজন প্রথম প্রাণীটির একটি ছবি প্রকাশ করেন ও এটি ডেইলি এক্সপ্রেসে প্রকাশিত হয়েছিল। এর পরপরই স্কটল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান প্রাণটির উপর কোন ধরনের আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য পুলিসকে দায়িত্ব দেন ও রহস্যময় প্রানীটি সরকারি মর্যাদা লাভ করে। ১৯৩৪ সালে লন্ডনের একজন সার্জন একটি ছবি প্রকাশ করেন যা সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় ও এটি সার্জনের আলোকচিত্র নামে পরিচিত। একই বছর আর.টি. গোড একটি বই প্রকাশ করেন যেখানে লেখকের ব্যক্তিগত তদন্ত ও ১৯৩৩-এর পূর্বের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ব্যাখা দেওয়া হয়। অন্যান্য লেখকেরাও পরবর্তীকালে বিভিন্ন বই প্রকাশ করেন ও দাবি করে প্রাণটি ষষ্ঠ শতাব্দির দিকেও দেখা গিয়েছিল।
এটি আজও একটি রহস্যময় জীব হয়ে আছে।
সংগ্রহীত।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now