বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি তখন কলেজে পড়ি। সদ্য গ্রাম থেকে আসা
নেহাতই গোবেচারা। আমি বন্ধুদের সঙ্গে
গেলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। তারপর
পায়ে-পায়ে বাংলা একাডেমি। ভেতরে চলছে
জমজমাট বইমেলা। না না, ভুল হলো, বইমেলার
বিস্তার তখন একাডেমি চত্বর ছাড়িয়ে টিএসসি
পর্যন্ত। দুপাশের ফুটপাতে ছোট ছোট
স্টলের দীর্ঘ সারি, মেলা বসেছে যেন। যাই
বাংলা একাডেমির ভেতর। সেদিন শুক্রবার, তাই
বেশুমার ভিড় ছিল। দীর্ঘ লাইন পেরিয়ে তবে
প্রবেশদ্বার। নজরুল মঞ্চ থেকেই স্টল শুরু—
প্রথমে শিশু-কিশোরদের বই, তারপর বর্ণিল
সাজে সজ্জিত এক একটি বইয়ের স্টল দেখে
বিস্ময় জাগে। এত এত বই কারা লেখেন!
একাডেমির অফিস থেকে মাইক্রোফোনে
ঘোষণা আসছে নতুন বইয়ের। দু-একজনের নাম
আগে শুনেছি, বেশির ভাগ অচেনা। পরে জানলাম,
ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে নাকি সাড়ে তিন হাজার বই
এসেছে মেলায়।
বন্ধু আবির বলল, চল চল, ওদিকে যাই। ওই দিক
মানে বাংলা একাডেমির নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রের
পাশে চা-কফির দোকান। এখানেই প্রবীণ ও উঠতি
লেখকদের মেলা বসেছিল। আমার খুব কৌতূহল
হলো। আচ্ছা, লেখক দেখতে কেমন হয়! তারা
কি সারাক্ষণ খাতা-কলম সঙ্গে নিয়ে হাঁটেন! নাকি
চোখে তাদের পুরু লেন্সের চশমা সাঁটা থাকে।
মাথায় কোনো আইডিয়া এলেই অমনি টুক্ করে
লিখে ফেলেন তিনি!
বেশ মনে আছে, এক পক্বকেশ লেখক আমার
ঔৎসুক্য দেখে কাছে ডাকলেন। বললেন, আমরা
সবাই লেখক। যার মন আছে সে-ই
লেখে, মনে মনে। কারওটা প্রকাশ পায়, কেউ
হয়তো লুকিয়ে রাখে।
সন্ধ্যার পর থেকে মেলায় ক্রমশ ভিড় বাড়ে।
বিকিকিনি হয়। নতুন বইয়ের কেমন গন্ধ! নতুন বই
হাতে নিলেই অদ্ভুত ভালো লাগায় মন ভরে যায়।
লেখক ও বইয়ের প্রতি অন্য রকম টান অনুভব করি।
—অরুণ কুমার বিশ্বাস
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now