বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

লাশঘর

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad boy (০ পয়েন্ট)

X খুবই ঘনিষ্ঠ চারজন বন্ধু।।তো তারা তাদের খেলায় বেশ মনোযোগী হয়ে পড়ে,,ঘড়ির কাঁটা তখন ১২ -২১ ছুই ছুই,,হঠাৎ রবির ফোনে একটা কল আসে,, ও খেলা থামিয়ে চিন্তুত এবং গাম্ভীরভাবে অপরপ্রান্তের কথা গুলো শুনতে থাকে,,অতঃপর জানা যায় তাদের আরেক বন্ধু বাইক এক্সিডেন্ট করে খুবই মূমূর্হ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় আছে।তো তারা সিদ্ধান্ত নিল,, এখন ই তারা হাসপাতালে যাবে,,তাই রবি আর রতন বাসায় যাবে দরকারী কাজ সারতে,,আর সোহেল আর শিমুল আগে ভাগেই রওনা দিয়েছে,,রবি আর রতন তাদের কাজ শেষ।করে রাত ১ ২০ রওনা দেয়,,, যেহুতু শীতকালের রাত,, তারপর ১+ রাস্তায় মানুষজন নাই বললেও চলে,,কিন্তু কিভাবে যেনো তারা যাওয়ার পথে একটি অটো রিক্সা পেয়ে যায়।।তারা গাড়িতে উঠে দেখতে পায় আলখোল্লা পড়া দুইজন মাঝবয়সী লোক আগেই গাড়ির ভিতর বসে আছে,,তো তারা ব্যাপারটা স্বাভাবিক ভাবেই নেয়,,তারা যখন তাদের গন্তব্যে পৌছে গাড়ি ভাড়া দিতে যায়,,তখন দেখে যে ভিতরের সেই লোক দুইজন নেই,,তারা প্রচন্ড অবাক হয় এবং কিছুটা ঘাবড়ে যায়,,তখন চালকের কাছে ওই লোকদের কথা জানতে চাইলে সে বলে তারা ছাড়া আর কোনো যাত্রী গাড়িতে ছিলো না,,তারা একটু ভয় পায় কিন্তু বন্ধুর কথা মনে হলে সব ভুলে হাসাপাতালের ভিতরে যায়।হাসাপাতাল টা ছিল ৪তলা।।।আর তাদের বন্ধু ছিল তৃতীয় তলায়।তো তারা সবার সাথে দেখা করে,, কিছুখন থেকে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়,, তাদের রুম থেকে সিড়ি কিছুটা দূরে।।তাই অপর এক বন্ধু বলল,,পাশ থেকেই একটে শর্টকার্ট আছে সে জানে,,তাই তারা ওইদিক থেকে একটা সরু গলির মধ্যে যায়,,,কিছুখন হাটার পরে হঠাৎ কারেন্ট চলে যায়,,তো তারা একটু ভয় পেয়ে যায়, যেহেতু এটা হাসপাতাল কাজেই খুব দ্রুত কারেন্ট চলে আসার কথা।তাই তারা সামনে না আগিয়ে অপেক্খা করতে থাকে।তো বেশকিছুখন তারা দাড়িয়ে থাকে এবং হঠাৎ দেখতে পায় তাদের থেকে ১০ -১২ পা সামনে ছোট্ট একটা লাইট জ্বলে ওঠে,,তো তারা সবাই সেইদিকে আগায়। লাইটের কাছে যাওয়ার পর বামে একটা রাস্তা দেখতে পায়,,কিন্তু সেটা ছিল প্রচন্ড অন্ধকার,,বলে রাখা ভাল কাকতলীয় ভাবে তখন তাদের মোবাইল কারোটাই চালু করতে পারছিলো না,,প্রচন্ড ভয়ে তারা সামনের দিকে হাটতে থাকে,চারদিকে শুনসান নিরবতা,,কারো মুখে কোনোই কথা নেই, হঠাৎই তারা দেখতে পায় সামনে আরো একটি লাইট জ্বলছে। তো তারা তারাতারি সেইদিকে গিয়ে দেখতে পায়,,বড় বড় করে দরজার উপরে লেখা, লাশ ঘর,,,,,, তো প্রচন্ড আতঃকে একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে,মৃদু গংগ্গানি ছাড়া কারো মুখ থেকে মুখ থেকে কোনো কথাই বের হয় না,,সবাই আবার উল্টোদিকে হাটা শুরু করে,,এখন রবি পড়ে যায় সবার পিছনে,,ঠিক তখন চারদেয়ালের বন্দি গলির ভিতরে একরাশ ঠান্ডা বাতাস তার শরীর ছুয়ে যায়,,আর সে দাড়িয়ে পড়ে পিছনে তাকায়,,তখন হঠাৎই লাশ ঘরের দরজা খুলে যায়,,আর অটোর মধ্যে আল খোল্লা পড়া যে দুইজন লোককে দেখতে পায় তারাই তার সামনে দাড়িয়ে আছে,,তাদের সামনে একটা লাশ,, তারা লাশের কলিজা বের করে খাচ্ছে,আর রক্ত মাখা মুখে রবির দিকে এক পৈশাসিক হাসি হাসছে,,খুবই বিভস্য সেই হাসি,,, এর মধে্য শিমুল খেয়াল রবি দাড়িয়ে আছে,,ও গিয়ে গায়ে হাত দেয় এবং ডাকে,,তখন প্রচন্ড চিৎকার দিয়ে ঙ্গান হারায় রবি,,তো তারা কোনোভাবে রবিকে নিয়ে নিচে নামতে পারে,,, তিনদিন পর রবির ঙ্গান আসে,, প্রচন্ড অসুস্থ।থাকে সে,হুজুর দেখিয়ে পানি পড়া,,তাবিজ ইত্যাদির মাধ্যমে সে সুস্থ হয়,,তারপর সব ঘটনা খুলে বলে,,সব শুনে তারা হাসপাতাল কতৃপক্খের কাছে জোড়া জুড়ি করার পর তারাদ বলে,এখানে আগের কিছু ডাক্তার ছিলো যারা লাশ ও মূমুর্শ রুগীর কিডনী,, লিভার,,ইত্যাদি খেয়ে ফেলতো,,আর তাই একদিন তাদের হাসপাতাল প্রঙ্গনে জীবন্ত দাফন দেয়া হয়,,তারপর থেকে এসব ঘটনা ঘটতে থাকে। সমাপ্ত,,,,,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ লাশঘর
→ লাশঘর
→ লাশঘর
→ লাশঘর
→ লাশঘর!!-৪থ পর্ব
→ লাশঘর!!-৩য় পর্ব
→ লাশঘর!!-২য় পর্ব
→ লাশঘর!!-১ম পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now