বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
: আমি না তোমাকে একটা কথা বলতে চাই।
: সেই সকাল থেকে এক কথাই বলে যাচ্ছেন। কিছু বলার থাকলে বলেন।
আমার তাড়া আছে।
: বসো বসো। কথাটা শুনে যাও।
: বলেন।
: না মানে...না মানে...
মনে হচ্ছে, আমার গলার ভেতর দুই- তিনটা বালুর ট্রাক দঁাড়িয়ে আছে।
তারা আর একটি শব্দও বের হতে দেবে না।
: ধ্যাত!
: না মানে...আমি তোমাকে...আমি
তোমাকে...তোমার কাছে পানি আছে?
সে আমার দিকে পানির বোতল
বাড়িয়ে দিল।
: সে কী! আপনার হাত এমন কাঁপছে কেন?
: হাত কাঁপছে? মনে হয় ভূমিকম্প
হচ্ছে।
: না তো!
: তাহলে ভূমিকম্প না। আমি তো
অসুস্থ। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে
মনে হয়।
সে আমার কপাল ছুঁয়ে দেখল।
: কপাল তো ঠান্ডা।
: জ্বর ছিল। চলে গেছে।
: আপনিও যান। বাসায় গিয়ে রেস্ট নেন।
: কিন্তু একটা কথা যে বলার ছিল।
: বলেন।
: না মানে...আমি তোমাকে...
এর বেশি কিছু বলতে পারব না, তা আমি ঠিকই জানতাম। তাই তো বুদ্ধি করে একটা ব্যবস্থা করে এসেছিলাম।
শার্টের ভেতর থেকে শোলা দিয়ে
বানানো হার্টটা ঘ্যাচাং করে বের করে তার হাতে ধরিয়ে দিলাম, ‘এটা তোমার জন্য আমার হোয়াট ইজ লাভ!’
বলেই পেছন ঘুরে হাঁটা ধরলাম।
একবারও পেছনে তাকাইনি। রাস্তাটা পার হয়ে দেয়ালের আড়ালে লুকিয়ে গেলাম। উঁকি দিয়ে দেখলাম, সে শোলার
হার্টের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে
আছে। মনে হয় তার ফেসবুক
প্রোফাইল পিকচারটা দেখছে।
গতকালই সেটি প্রিন্ট করে আমি
শোলার হার্টে আঠা দিয়ে লাগিয়ে
দিয়েছি। হঠাৎ খেয়াল হলো আমার মোবাইল ফোন বাজছে।
: এদিকে আসেন।
: ওদিকে কেন? আমি তো বাসায় চলে আসছি।
: এদিকে আসেন বলছি।
আমি মুখ কাঁচুমাচু করে তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম।
: এটা কী? হার্টের রং কখনো কালো হয়?
: একটা দোকানেও লাল রং পেলাম না।
আর কালো–লালে কী আসে–যায়।
জাতের হার্ট কালোও ভালো।
সে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে। হঠাৎ ঘ্যাচ করে শোলার হার্টটা ভেঙে দুই টুকরো করে ফেলল।
এক টুকরো সে নিয়ে গেল। আরেক
টুকরো পেলাম আমি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now