বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কোকা-কোলা
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়’র কথা উঠলে
অবধারিতভাবেই চলে আসবে বিশ্বখ্যাত কোকা-কোলার
কথা। কিন্তু এই কোকা-কোলার আবিষ্কার কীভাবে
হলো সেটি কি জানো?
জন স্মিথ পেমবার্টন হলেন কোকা-কোলার আবিষ্কারক,
পেশায় তিনি ছিলেন একজন হাতুড়ে ডাক্তার বা রসায়নবিদ। তিনি
তাঁর তৈরি করা ওষুধ ফেরি করে বিক্রি করতেন, আর
অবসরে আবিষ্কারের নেশায় মেতে থাকতেন। ১৮৮৬
সালে তিনি এক ধরনের সিরাপ আবিষ্কার করেন। তাঁর দাবি ছিল
সিরাপটি মাথা ব্যথার টনিক হিসেবে চমৎকার কাজ করে।
প্রথমদিকে সেটি ঠাণ্ডা পানির সাথে মিশিয়ে প্রতি গ্লাস ৫
সেন্ট করে বিক্রয় করা হতো। ভালই চলছিল ব্যবসা, এরই
মাঝে এক কাণ্ড ঘটলো। একদিন দোকানে এক লোক
এলো প্রচণ্ড মাথাব্যথা নিয়ে, এসেই এক গ্লাস সিরাপ
চাইলো। কিন্তু দুর্ঘটনাক্রমে সিরাপ ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে
কার্বোনেটেড মেশানো পানির সাথে মিশ্রিত ছিল। মজার
ব্যাপার লোকটি সেই বিচিত্র সিরাপ খেয়ে দারুণ আনন্দ
পেলো!
তখনই পেমবার্টনের মাথায় আইডিয়া এলো এই পানীয়টি
বাজারজাত করার। প্রথম বছরে তিনি ৫০ ডলার আয় করেন
কিন্তু ব্যয় হয় ৭০ ডলার। গচ্চা খেয়ে বিমর্ষ পেমবার্টন তার
প্যাটেন্টটি বিক্রি করে দেন।
মূলত কোকা-কোলা জনপ্রিয় হয় সেই ক্রেতার
মাধ্যমেই। তারপরের গল্প সবারই জানা। বর্তমানে পৃথিবীর
২০০টি দেশে কোকা-কোলা বাজারজাত করা হয়।
পৃথিবীতে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ বোতল কোকা-
কোলা পান করা হয়ে থাকে।
⊙collected
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now