বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কলসকাঠী জমিদার বাড়ি
প্রায় তিনশতক আগে এই কলসকাঠী জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা জানকী বল্লভ রায় চৌধুরী। তিনি ছিলেন জমিদার রামাকান্তের পুত্র। আর এই রামাকান্ত ছিলেন গারড়িয়ার জমিদার। জানকী বল্লভ রায় চৌধুরীরা ছিলেন দুই ভাই। তিনি ছিলেন ছোট। আর বড় ভাই ছিলেন রাম বল্লভ। বড় ভাই ছোট ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। মূলত এই জমিদারির জন্যই এই হত্যার পরিকল্পনা। ছোট ভাই অর্থাৎ জানকী বল্লভ রায় চৌধুরী তার বৌদির মাধ্যমে এই ব্যাপারটি জানতে পারে। পরে রাতের আঁধারে তিনি মুর্শিদাবাদে চলে যান এবং সেখানে নবাবের কাছে এই বিষয়ে বলেন। তখন মুর্শিদাবাদের নবাব তাকে অরংপুর পরগনার জমিদার হিসেবে নিযুক্ত করেন। জমিদারি পেয়ে তিনি কলসকাঠীতে এসে বসতি স্থাপন করেন। আর এইভাবেই কলসকাঠীতে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে ১৩ জন জমিদারের বাস ছিল। আর তাদের আলাদা আলাদা জমিদার বাড়ি ছিল। যারা মূলত এই জমিদার বাড়ির গোড়াপত্তনকারী জানকী বল্লভ রায় চৌধুরীর বংশধর ছিল। তারা এই এলাকার প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন। জমিদার বাড়ির ধবংসস্তুপ কালের স্বাক্ষী হয়ে এখনও টিকে আছে। বাকেরগঞ্জ উপজেলা সদরের সাহেবগঞ্জ খেয়া পার হয়ে মোটর সাইকেল, রিকশা বা ভ্যান যোগে প্রায় ৩ কিঃ মিঃ দূরত্বে কলসকাঠী বাজারের কিছুটা আগে জমিদার বাড়িটির অবস্থান। বর্তমানে জমিদার বাড়ির বাড়িগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। এখানে কিছু মন্দির আছে সেগুলোও প্রায় ধ্বংসের মুখে। আরো ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আগেই ইচ্ছে করলে দেখে আসতে পারেন কলসকাঠী জমিদার বাড়ি!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now