বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ক্লাসমেট Gf

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Nahiyan Ahmed Mahib(guest) (০ পয়েন্ট)

X সকালে ঘুমের ভিতর খুব সুন্দর স্বপ্ন দেখছিলাম। হঠাত করে মনে হলো পানি পরছে। চিৎকার করে ঘুম থেকে উঠলাম। উঠে দেখি মা জগ হাতে নিয়ে দারিয়ে আছে। আমার বুঝতে আর বাকি কিছু রইল না। মা: সকাল কয়টা বাজে, খেয়াল আছে। এখনো পরে পরে ঘুমচ্ছিস। আমি: কি বলো মা। একটু আগেই তো ঘুমিয়েছি। মা: সারে আট টা বাজে। এখনো বলছিস একটু আগে ঘুমিয়েছিস। আমি: কি বলো মা। তোমাকে তো বলেছি একটু আগে ঘুম থেকে ডাক দিতে। তুমি এখন ডাক দিলে। মা: তোকে কতক্ষণ ধরে ডাকছি। আজ সকালে প্রায়ভিট আছে সেই খেয়াল আছে। এখন যা ফ্রেস হয়ে আয়। আমি খাবার দিচ্ছি। আমি: ওকে। এই ফাকে আমি আমার পরিচয় টা দিয়ে ফেলি। আমি অভ্র। বাবা মায়ের আদোরের একমাএ ছেলে। আমি এবার ক্লাস 10 এ পরি। তাই এখন পড়ার চাপ একটু বেশি আছে। ম্যাথ প্রায়ভেট এ জেতে হবে। আমি এই স্যারের কাছে আগে থেকে পরলেও ব্যাচ চেন্জ করেছি। আমাদের বাড়ি থেকে একটু দূরে স্যার পরায়। ফ্রেস হয়ে এসে..... আমি: মা, আমি গেলাম। মা: খাবার টা খেয়ে জা। আমি: না, আমি প্রায়ভিট এ জেয়ে কিছু কিনা খাব। এখন যাই। মা: সাবধানে যাস। আমি: ওকে। বলে আমি আমার R15 সাইকেল টা নিয়ে বেড়িয়ে পরলাম। খুব তাড়াতাড়ি গেলাম। গিয়ে দেখি আরো ৫ মিনিট আছে। গিয়ে দেখি শাওন দাড়িয়ে আছে। ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ড এবং আমার সাথে ব্যাচ চেন্জ করছে। ওর সাথে গল্প করতে করতে প্রায়ভেট এ ঢুকলাম। স্যার সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। স্যার আমাকে খুব ভালোবাসেন। এরপর এক জায়গায় গিয়ে বসে পরলাম। কয়েকজনের সাথে বন্ধুত্ত গড়ে উঠল। হঠাৎ চোখ গেল সামনের বেঞ্চির এক মেয়ের দিকে। দুধে আলতা গায়ের রং। চোখ দুটো যেন মায়ার শহর। হেসে হেসে কথা বলছিল, যার কারনে গালে হালকা টোল পরছিল। আমি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। হঠাৎ........ শাওন: কিরে, কোথায় হাড়িয়ে গেলি। আমি: কয় কিছু না তো। শাওন: ওহ। প্রায়ভেট শেষ হলো ১১ টার দিকে। আমি আর শাওন বাসায় ফিরলাম। শাওনের বাড়ি আমার বাড়ি থেকে একটু আগেই। বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমালাম। বিকালে উঠে একটু বইরে গেলাম। গিয়ে দেখি শাওন সহ সকলে আগেই এসেছে। আড্ডা দিতে দিতে রাত যে কখন হয়েছে বুঝতেই পারি নাই। বাসায় গিয়ে দেখি আব্বু বসে আছে। আব্বুর ব্যাবসা করেন। তাই তিনি সব সময় বাড়িতে থাকেন না। আমাকে দেখে বললেন: নবাবজাদার এতক্ষনে আসার সময় হইলো। আমি: সরি আব্বু। আর দেরি হবে না। (আসলে আমি আব্বুকে দেখে অনেক ভয় করি) আব্বু: এখন খেতে বস। আমি ফ্রেস হয়ে এসে খেতে বসলাম। এরপর ঘুমিয়ে গেলাম। আবার সকালে প্রায়ভেট। আজ দেখি অবন্তি (মেয়েটির নাম অবন্তি) নীল কালারের ড্রেস পরে এসেছে। আমি অবাক নয়নে তাকিয়ে রয়েছি। প্রায়ভেট শেষে আমি আর শাওন বসে আাসি। হঠাৎ....... অবন্তি: হাই। আমি অবন্তি। আমি: অভ্র। অবন্তি: আমরা যেহেতু একই ক্লাস এ সুতরাং তুমি করেই বলি। আমি: ওকে। অবন্তি: তোমার নোট টা দাও তো। আমি: নাও। বলে নোট টা ওর দিকে এগিয়ে দিলাম। অবন্তি: thank you. আমি: welcome. অবন্তি চলে গেল। শাওন: কি মামু। মনে হচ্ছে some thing, some thing. আমি: আরে না। তুইতো সব দেখলি। শাওন: তাই নাকি। আমার তো মনে হয় না এটুকুই শেষ। আমি: আরে নাহ। কিছু হলে তুই তো জানতি। শাওন: ওহ। এরপর দুজনে বাড়ি আসলাম। এভাবেই দিন কাটছিলো। অবন্তি আর আমার বন্ধুত্ব দৃর হচ্ছিলো। কিন্তু আমরা তুমি করেই বলি। অবন্তি রাগ করলে মাঝে মাঝে তুইকরেও বলে। আমি ওকে ভিষন ভালোবাসি। কিন্তু বলতে পরি না। যদি ও না করে দেয়। এই ভয়ে। শাওন সব জানে। আমাকে প্রোপোজ করতে বলে। কিন্তু আমি ভয়েই বলি না। অবন্তি আমার খুব কেয়ার করতো। প্রায়ভেট এ গিয়ে আনেক খন করে আড্ডা দিতাম আমরা। ওর কেয়ারিং দেখে মনে হতো ও আমাকে ভালো বাসে। একদিন কথা না বলে থাকতে পারতাম না। একদিন খুব মেঘ হচ্ছিলো। আমি একটু সকালেই বের হয়েছিলাম। প্রায়ভেট এ গিয়ে দেখি কেউ আসে নি। হঠাত করে বৃষ্টি আসলো। আমি বারান্দায় বসে facebook চালাচ্ছিলাম। বারান্দায় আল্প কিছু বসার জায়গা ছিল। হঠাৎ দেখতে পেলাম অবন্তি আসছে। ওকে দেখে মনটা ভালো হয়ে গেল। পিংক কালারের একটি ড্রেস পরেছিলো। বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে আসছিলো। একাই আসছিলো। আমি এক নজরে ওর দিকে তাকিয়ে ছিলাম। ভিজে একাকার হয়ে গিয়েছিল। আমার কাছে এসে বসল। আমরা বসে গল্প করছিলাম। ও ঠান্ডায় কাপচ্ছিলো। ওর গোলাপি ঠোট আরো বেশি কাপছিলো। আমি নিজের ওপর থেকে কন্ট্রোল হাড়িয়ে ফেললাম। হঠাত করে ওর ঠোট জোরা নিজের দখলে নিয়ে ফেললাম। কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দিলাম। ঘটনার আপেক্ষিকতায় ও চুপ হয়ে গেল। একি কড়লাম। ও যদি এখন আমার সাথে কথা না বলে। দুজনে কিছুসময় চুপ করে থাকলাম। কিছুক্ষণ পর..... অবন্তি: তুই আমাকে কিস করলি কেন? আমি:----- অবন্তি: কি হলো। উত্তর দিচ্ছিস না কেন? আমি:.......... আসলে আমি তোমায় ভা-ভালোবাসি। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর.... অবন্তি হঠাৎ আমায় জড়িয়ে ধরল। আমিও ওকে জড়িয়ে ধরলাম। .........এভাবে শুরু হলো অভ্র-অবন্তি ♥ স্টোরি


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ফাযিল ক্লাসমেট
→ ক্লাসমেট Gf
→ ক্লাসমেট যখন প্রেমিকা (পর্ব-১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now