বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ক্লাস এইট ফেইল মিলিওনিয়ার.........
ক্লাস এইটে ফেইল করে আবার মিলিওনিয়ার, ভাবছেন মজা করে বলছি? তবে ঘটনা কিন্তু সত্যি!
নাম তার তৃষ্ণিত অরোরা। ক্লাস এইট পাশ করতে পারেননি তিনি, কিন্তু তারপরও থেমে থাকেনি তার জয়যাত্রা। প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি, নিরলস পরিশ্রম আর অভাবনীয় মেধার সমন্বয়ে তিনি মাত্র ২২ বছর বয়সেই গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের ব্যবসা। বর্তমানে তার ক্লায়েন্ট লিস্টে আছে রিলায়েন্স, আমুল, আভন সাইকেলসের মত নামকরা সব ব্র্যান্ডসমূহ।
ভারতের লুধিয়ানায় জন্ম তৃষ্ণিতের। ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি তার বেশ আকর্ষণ। তার আগ্রহের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কম্পিউটার সিকিউরিটি আর হ্যাকিং। তার এমন কার্যকলাপে বিস্মিত হয় সকলেই। এবং অনেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করে দেয় যে এ ছেলে একদমই গোল্লায় গেছে! তবে মাত্র ২২ বছর বয়সেই তিনি টিএসি সিকিউরিটি নামে নিজের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। এ ব্যাপারে অগাধ জ্ঞান থাকায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ক্লায়েন্ট হিসেবে জুটিয়ে ফেলেন রিলায়েন্স, সিবিআই, পাঞ্জাব পুলিশ, গুজরাট পুলিশ, আমুল, আভন সাইকেলস প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে। শুধু তাই-ই নয়; তিনি তিনটি বইও লিখে ফেলেন। বই তিনটির নাম যথাক্রমে ‘Hacking TALK with Trishneet Arora’, ‘The Hacking Era’ এবং ‘Hacking With Smart Phones’. বর্তমানে ‘ফরচুন ৫০০ কোম্পানি’-এর তালিকার মধ্যে ৫০টি কোম্পানির সাথে কাজ করছেন তিনি। নিজ দেশের বাইরেও ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন তার ব্যবসায়িক কার্যক্রম। অফিস খুলেছেন দুবাই ও যুক্তরাজ্যে। সব মিলিয়ে প্রতি বছর কোটি কোটি রুপি উপার্জন করছেন তৃষ্ণিত। তৃষ্ণিত আজ কেবল ব্যক্তিজীবনেই সফল নন, বরং পৃথিবীর নানা প্রান্তে লুকিয়ে থাকা আরও লক্ষ লক্ষ তৃষ্ণিতের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। যিনি কিনা ক্লাস এইট ফেইল করেছিলেন, আজ তিনিই মিলিওনিয়ার! ইচ্ছা থাকলে তবে যেকোনো কিছুই সম্ভব!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now