বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কিছু হায়না পুরুষ

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান টি.বি তৌহিদ (০ পয়েন্ট)

X একটি সহজ সরল ভদ্র মেয়েকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়াআজকালকার ছেলেদের কাছে কোনো ব্যাপারই না। যে মেয়েটি স্কুল কলেজ বন্ধু বান্ধব নিয়ে মেতে থাকে, তাকেই আপনি একদিন চোখে দেখে আপনার লক্ষ স্থির করে নিলেন। কেনো?না মেয়েটি ভদ্র সুন্দরী এবং ভালো পরিবারের মেয়ে।প্রথম প্রথম মেয়েটির পিছু নিলেন। কোথা থেকে ফোন নাম্বার জোগাড় করে ফোন করলেন যখন তখন। মেয়েটা বেশ বিরক্ত হলো।আপনি কিন্তু চিটেই রইলেন। রোজ সকালে সুপ্রভাত, আর রাতে শুভরাত্রি বলা শুরু করলেন।আস্তে আস্তে মেয়েটাও প্রতিউত্তর দিতে শুরু করলো। আপনি যেই দেখলেন রিপ্লে আসছে ওমনি আপনি মেয়েটির কেয়ার নেওয়ার মাত্রা বাড়িয়ে দিলেন। ভালো ভালো বানীমুলক কথা শুরু করলেন। আরো বেশি মেয়েটির খোঁজ খবর নিতে শুরু করলেন। আর এসব কাজে আপনি সিদ্ধ হস্ত। মেয়েটির উইক পয়েন্টে আপনি ক্লিক করা শুরু করলেন। আস্তে আস্তে মেয়েটি আপনার প্রতি বেশ দুর্বল হবে। হতেই হবে। কারন মেয়েদের মন যে খুব কোমল।যেই দেখলেন মেয়েটি আপনার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে অমনি আপনি প্রেম প্রস্তাব দিয়ে বসলেন।একসেপ্ট ঠিক হবে। আর তা আপনি বেশ ভালো করেই জানেন।এরপর আপনি কেয়ারিং শেয়ারিং ডেটিং খুব বেশি বাড়িয়ে দিলেন। মেয়েটিও আপনাকে পেয়ে খুব হ্যাপি। ভাবছে সত্যিকারের একজন মানুষকে পেয়েছি যে কিনা তার খুব কেয়ার নেয়। মেয়েটির মনে এখন সবসময় আপনিই থাকেন। আপনিই তার সব কিছু।একদিন সুযোগ বুঝে মেয়েটির শরীর চেয়ে বসলেন। মেয়েটি প্রথম প্রথম না করবে। আপনি কিন্তু চিটেই থাকবেন। আপনাকে যে চিটে থাকতেই হবে লক্ষ টাকে হাতিয়ে নেওয়ার জন্য।যেই দেখলেন মেয়েটি আপনার প্রস্তাবে রাজি হচ্ছে না, অমনি আপনি ইমোশনাল ব্লাকমেল শুরু করলেন। কেয়ারের মাত্রা কমিয়ে আনলেন। এমনকি মেয়েটার সাথে দেখাও করলেন না।আপনার এই অবহেলা মেয়েটি কিন্তু সহ্য করতে পারবে না তা আপনি বেশ ভালোই জানেন। কারন কোনো মেয়েই তার ভালোবাসার মানুষের অবহেলা সহ্য করতে পারে না। ওরা একটু ভালোবাসার জন্য খুবই কাতর। আপনি এখন সেই জায়গায় আঘাত দিয়েছেন।আপনি বেশ ভালোই জানেন আস্তে আস্তে আপনার ছিপে মাছ উঠবে। মেয়েটা অরাজি থেকে নিমরাজি হবে। তারপর বাধ্য হয়ে তার ইজ্জত আপনাকে বিলিয়ে দিলো। কিসের জন্য?এটা কি আপনি একবারো ভেবে দেখেছেন মেয়েটি কেনো তার লজ্জা আপনার হাতে তুলে দিলো!! আর আপনি তা ভাববেনও না। কেনোনা আপনি তখন মধু খেতে ব্যাস্ত। চেঁটে পুঁটে মেয়েটাকে ছিবড়া করে আপনি সটকে পড়লেন। আপনার আর দেখা নেই। আপনি ভ্যানিষ। এখন মেয়েটি পড়লো অথৈ জলে। আপনিই তার ছিলেন সব কিছু। আপনাকেই নিয়েই মেয়েটি সারাজীবন চলবে বলে ভেবেছিলো। আপনার পায়ের উপর পা রেখেই হাঁটবে বলে ভেবেছিলো। মেয়েটির প্রান ভোমরা আপনিই ছিলেন। মন প্রান শরীর সব কিছু আপনাকে সঁপে দিয়েছে মেয়েটি। হুট করে আপনার ভ্যানিষ হয়ে যাওয়াতে মেয়েটি মানসিক দিক থেকে ভেঙে পড়বে। স্কুল কলেজ যাওয়া বন্ধহয়ে যাবে। গেলেও মেয়েটির চোখ রাস্তাঘাটে আপনাকেই খুঁজবে। রাতে বালিস ভেজাবে আপনার কথা ভেবে। মেয়েটি হয়তো মিশুক ছিলো। এখন সে কারু সাথে মিশবেও না। কারু সাথে কথা বলার আগ্রহটাই হারিয়ে ফেলবে মেয়েটি। রোজ রাতে কেঁদে চোখ লাল করবে। অতঃপর মেয়েটির মন বলে বস্তুটির মৃত্যু হলো। সাথে বোনাস হিসাবে রইলো সব ছেলেদের প্রতি ঘেন্না।শুধু মাত্র আপনার জন্যই মেয়েটি বিয়ের পরে তার স্বামীকেও ঘেন্না করবে। কারন আপনি যে বিষ মেয়েটির মনে দিয়ে দিয়েছেন, সেই বিষের প্রভাবে মেয়েটি সারাজীবন দগ্ধে দগ্ধে মরবে, এবং তার কিছু সাইড ইফেক্ট মেয়েটির স্বামীও পাবে।শুধু মাত্র আপনার জন্যই। আপনি শুধু মেয়েটির শরীর খাননি, খুন করেছেন তার মন এবং তার সংসারও। এটাইকি এই সুশীল সমাজে আপনার কাছ থেকে একসেপ্ট করা যায়!!! সমাজ তো আপনার কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করে।পারবেন এর উত্তর দিতে!! জানি পারবেন না। মেয়েটিকে যদি আপনি ঘরেই তুলতে পারবেন না, তাহলে কি দরকার ছিলো মেয়েটির শরীর আর মন নিয়ে খেলতে? কত সহজেই আপনি ধিরে ধিরে একটা মেয়েকে খুন করলেন। মেয়েটির অভিশাপ কিন্তু আপনার গায়ে ঠিকই পড়বে। হান্ড্রেড পার্সেন্ট গ্যারান্টি।...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কিছু হায়না পুরুষ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now