বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
I beg ur perdon plzzz(ফারিহা)
---আমি কি আপরাকে চিনি
-- তুমি এমন করো না, কথা বলো(কেদে)
--কেন খুব খারাপ লাগছে?
--তুমি আমায় মাফ করে দাও প্লিজ, তুমি ছাড়া আমি অচল।
--কথাটা একসময় আমিও বলছিলাম ফারিহা তুমি হাসি দিয়ে বলেছিলে "এমন কাদুনি ছেলে কে কখনো ভালোবাসি নি শুধু অভিনয় করছি "
--আর একবার সুজুক টা দাও না (পায়ে দরে)
--তুমি জান শাহরিয়ার সবাইকে একবার সুজুক দেয় (পা টা সরিয়ে)
---আমি তোমায় চাই, খুব চাই :'( :'(
একবার সুজুক দাও
--- আমিও একদিন এভাবে কেদেছিলাম
ফারিহা মনে পড়ে সেই কথা গুলা
২০১৬ সাল আগস্ট ৮ তারিখ
---ফারিহা তুমার পায়ে পড়ি ছেড়ে যেও না :'( :'(
--ছাড় ছাড় আমায়, আমি তোকে কখনো লাভ করিনি
-- কি! তাহলে আমাকে জড়িয়ে দরা,চুমু খাওয়া, আমি আসলে তুমার হেচকি উঠা সব মিথ্যা :'( :'(
-- হু সব মিথ্যা, কারন তোকে আমার ভালোলাগে বাট ভালোবাসি তর বন্ধু জয় কে আমি।
--- হু তা আজ দেখলাম ১০ মিনিট আগে আমায় জড়িয়ে দরে চুমু খেয়ে বলেছিলে তুমি আমার জিবন আর একটু আগে দেখলাম জয়কেতু জড়িয়ে দরে আছ।
---ও সবই যখন দেখসস তাহলে যা, দুরে যা।
--- কি নেই আমার যে এমন করলে, একবার সুজুক দাও :'( :'(
-- যা বলছি (থাপ্পড় দিয়ে)
,
জানো সেদিন চলে এসেছিলাম। ২ দিন কিছু খাই নি।সিকেরেট তো খেতে পারতাম না। বাট দেখ এখন কত সুন্দর করে খাই। দেবদাস এর মতো ঘুরেছি। বাচ্চাদের মতো কেদেছি শব্দ করে। হাত কেটে তোমার নাম ও লিখেছি।
যখন এমন করতে করতে মরতে বসেছি তখন আমার স্যার এসে আমায় রক্ষা করলো। তার সাথে সারাদিন রাখতো।
আজ এখন আমি ভালো আছি। দরকার নেই তোমায়।
--আমি ভুল করছি। জয় সে আমায় ভালোবাসে নি,জড়িয়ে দরকারে নামে শরিরের সব জায়গায় হাত দিত। চুমু দিতে গেলে কামুকতা ছিল ওর।
*--- এখন আমাকে বলছো কেন, আমি তোমাকে অনেক বার বলছি তার ভেপারে তখন তুমি আমাকে কি বলেছিলে মনে আছে? থাক না ই বললাম এখন।.... হু পরে?
--- গত পরশু সে তার বাসায় আমায় ডাকে, আর আমিও তখন-ই সে হিংস্র হয়ে আমাকে..................(কাদতে লাগলো)
--- কাদ আমি তো কেঁদেছি একদিন, আজ তুমিও কাদ।
--আমি বুজেছি তোমার মতো কেহ নাই। তুমার সাথে এতবার জড়িয়ে দরেছি চুমু খেয়েছি তবুও তুমি খারাপ দৃষ্টি দাও নি।
--- দেখেন আমার কাজ আছে
--আমি এখন আপনি হয়ে গেলাম?
-- হুম আসি বাই
-- প্লিজ প্লিজ দাড়াও,আমাকে নিয়ে যাও, মাফ করে দিও প্লিজ (যখন বসা হতে উঠেছি তখন-ই আমার পায়ে দরে কান্না, ওর চোখের পানিতে আমার পায়ের মাটি ভিজে যাচ্ছে।)
--ছাড়ুন আমায়(বলেই হেচকা টান দিয়ে পা টা সরিয়ে নিয়ে আসলাম, আড় চোখে তাকিয়ে দেখি বাচ্চাদের মতো শুয়ে পড়ে কান্না করছে, পার্কের সবাই তা দেখছে এই কান্না)
আমি জোটে চলছি আর কান্নার শব্দ শুনতে পাচ্ছি,বারবার বলছে মাফ করে দিতে।।
,
মন তো চাইছে আবার ফিরে তাকাই তার দিকে, ভুলে যাই সব। আর আবার নতুন করে শুরু করি,
কিন্তু তুমি জান কি, এবার যখন ই তুমি আমার চোখের দিকে তাকাবে, তোমার কষ্ট হবে আমার না।এই জন্যই বলেছিলাম জীবনের রাস্তায় অনেকটা পথ কারো হাত দরে এগিয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে একা একা ফিরে যাওয়াটা খুব কঠিন।। তবুও চলতে হয় কাছে আসার জন্যও কখনো দুরো যেতে হয় মেয়ে।
কথাটা ফিরে গিয়ে তাকে বলে আবার হাটা দরলাম।
অজান্তেই দু ফোটা জল চোখ থেকে গড়িয়ে পড়লো, আমিও হাটছি উদ্দেশ্যহীন পথে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now