বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার নাম ইভান। তখন আমি ক্লাস ৭এ পড়তাম।পড়ালেখার খুব চাপ কারণ সামনের বছর জেএসসি।একদিন সকালে গণিত টিচারের(মাহাবুব) কাছে প্রাইভেট পড়ার জন্য রেডি হচ্ছিলাম।যখন আমি রাস্তায় বের হই তখন দেখি অনেক মোটরসাইকেল আর রিকশা দিয়ে লোকজন কোথায় যেন যাচ্ছে। আমি কিছু বুঝতে না পেরে একজন পথচারীকে জিজ্ঞেস করলামঃ-
ইভানঃকাকা,সব মানুষ মোটরসাইকেল আর রিকশায় করে কোথায় যাচ্ছে ?
পথচারীঃতুমি কী কিছু জানো না?
ইভানঃনা!কেন,কী হয়েছে?
পথচারীঃহালাদার বাড়ির ফখরুদ্দিন ভাইকে কারা যেন কুপিয়ে হত্যা করেছে!
ইভানঃকী!!!
পথচারীঃহ্যা।আমিও তো সেখানে যাচ্ছি।
এই কথা শোনার পড় আমার শরীরে খারাপ বোধ করলাম।সাথে সাথে ঘরে গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টা জানালাম।তারাও খুব চমকে উঠলেন।আমার বাবা ছিলেন খুব অসুস্থ।তাই,বাবাকে বললাম,"তুমি ঘরে থাকোΠআমি গিয়ে দেখে আসছি।তারপর জলদি করে একটা রিকশায় উঠলাম এবং রওনা দিলাম।তখন ছিল শীতের শুরু। তাই শীতল হাওয়া আমার শরীরে ভেসে আসছিল।আর আমার মনের মধ্যে একটা ভীতিকর অবস্থা কাজ করছিল। অনেকটা আনমোনা হয়ে রিকশায় বসে আছি।পৌঁছে দেখলাম, পুরো হালাদার বাড়িটা নিস্তব্ধ হয়ে আছে।অথচ, কত মানুষ। আমি গিয়ে ফখরুদ্দিন কাকার ঘরে ডুকলাম।সেখানে তার সকল কাছের এবং দূরদুরানতের আততীয়। তার আগে ফখরুদ্দিন কাকার পরিচয়টা দিয়ঃ-
ফখরুদ্দিন কাকা ১৯৭১ সালের সময় একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।তার সাহসিকতা ছিল অনেক। অন্যায় কাজ তিনি কখনোই সহ্য করতেন না।তিনি চরহোগলার সাবেক মেম্বার ছিলেন। তার এক ছেলে আর এক মেয়ে।ছেলেটা সেবার Inter 2nd year-এ পড়ত ।মেয়েটার সঙ্গে তেমন একটা পরিচয় ছিল না।
আসলে হয়েছিল,
একদিন হালাদার বাড়ির স্কুল মাঠে হালাদার বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলছিল।তখন ফখরুদ্দিন কাকা তাদের খেলা দেখছিল।হঠাৎ করে ,বাঘা বাড়ির ছেলেরা মাঠে আসে ফুটবল খেলার জন্য.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now