বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কেয়ারলেস ছেলে পার্টঃ ১ম

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Opi Ahmmed Hasan (০ পয়েন্ট)

X পার্টঃ ১ম তোর মত এই রকম বাজে কেয়ারলেস ছেলে আমি আর একটা ও দেখিনি।ক্লাসে তো ঠিক মত আসিস না আবার যেদিন আসিস পড়া করে আসিস না তার উপর আবার অন্য দের ডিস্টার্ব করিস।তুই কি মানুষ হবি না যা বেরিয়ে যা আমার ক্লাস থেকে।আমি চুপচাপ ক্লাস থেকে বের হয়ে আসলাম।এতক্ষনে নিশ্চয় বুঝতে পারছে কে আমাকে ঝারছিলো।হুম উনি আমার প্রান প্রিয় স্যার বাবার আলি।উনি আমাকে যথেষ্ট ভালোবাসে আমিও বাসি আমি অনার সব কথায় শুনি শুধু একটা কথা বাদে এই পড়া শুনা টা।এই টা আমার জিবনে একটা প্যারা হয়ে দারিয়েছে।ক্লাসের বাইরে দারিয়ে আছি কখন ক্লাস শেষ হবে তার অপেক্ষায়।কিছুক্ষন পর ক্লাস শেষ হল স্যার বের হল আর আমি দরজার পাশে দারিয়ে আছি। --কি রে এখনো দারিয়ে আছিস যে।(স্যার) --স্যার আমার ৫০ টাকা লাগবে।(আমি) --৫০ টাকা দিয়ে কি করবি।(স্যার) --খাব স্যার।(আমি) --হুম জানি কি খাবি।কি লাভ পাস এই গুলা খেয়ে।(স্যার) --না না স্যার আমি সিগারেট খাই না।(আমি) --হুম জানি তুই খাস কি না।এখন যা আমার অন্য ক্লাস আছে।(স্যার) --স্যার টাকাটা।(আমি) --নে ধর।আর শোন কম করে খাবি।(স্যার) --হুম স্যার। টাকা টা খাতায় লিখে রাখেন যে দিন চাকরি করব সে দিন আপনাকে ফেরত দিয়ে দিব।(আমি) --তোক যে কে চাকরি দিবে বাপ আল্লাহ যানে।এখন যা তো ক্লাসের দেরি হচ্ছে।(স্যার) --ওকে আলি বাবা.....(স্যার কে এই টা বললে ক্ষেপে যাই) --তবেরে হারামজাদা.... আমি দিলাম এক দৌড় এক বারে নিরাপদ স্থানে আসলাম।আপনারা ভাবছেন স্যারে সাথে কি ভাবে আমি এত টা ফ্রি তাই তো।আসলে স্যারে কনো ছেলে মেয়ে নাই আমকেই নাকি তার খুব ভালো লাগে।খুব ভালোবাসে আমাকে।আমিও কম বাসি না।দোকান থেকে একটা সিগারেট নিয়ে ধরিয়ে নিলাম।নিকটিনের ধোয়ায় সব উরিয়ে যাচ্ছে।ওহ আপনাদের তো আমার পরিচয় টা দিতেই ভুলে গেছি।সিগারেট টা টানতে টানতে আমার পরিচয় টা দিয় কি বলেন।আমি #আকাশ_ইসলাম ।ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং করছি।বাবা-মার একমাত্র সন্তান। বাবা-মা দুজনেই দেশের বাহিরে থাকে।মাস গেলে শুধু টাকা পাঠিয়ে দেই ব্যাস তাদের দায়িত্ব শেষ। কখন তাদের ভালোবাসা পায়নি।মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হয় তখন নিকটিনের ধোয়াই সব উরিয়ে দেই।ব্যাস এই আমার পরিচয়।এই দিকে সিগারেট ও শেষ। ফোন দিলাম আমার বন্ধু দিপু কে-- --কি রে ক্লাস শেষ হয় নি???(আমি) --হুম আর একটু আছে।তুই পুকুর পারে বস আমরা শেষ করে আসছি।(দিপু) --আচ্ছা তারাতারি আয়।(আমি) তারপর আমি পুকুর পারে গিয়ে বসলাম। একটু পর ওরা আসলো। --কি রে আজ ও ফুল ক্লাস করতে পারলি না।(মৌ) --ধুর বাদ দে তো।(আমি) --তুমি সালা ভালো হবা না।(দিপু) --দুর ভালো হয়ে কি হবে।(আমি) --হুম বুঝলাম তুই কখনো ঠিক হবি না।(মৌ) --হুমম.... সবায় মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম।এর মধ্যে আমার কল আসলো। --হ্যা মা বলো।(আমি) --বাবা কই তুই???(মা) --এইতো কলেজে বসে আছি মা।(আমি) --আচ্ছা বাবা আসার সময় একটু মাংসের মসলা আনিস বাবা শেষ হয়ে গেছে।(মা) --মা তোমার কি এখনি লাগবে???(আমি) --রান্না তো করছিলাম।(মা) --আচ্ছা মা আমি নিয়ে আসছি।(আমি) --আচ্ছা। (মা) আপনারা ভাবছেন আমি মা কাকে বলছি।আমার বাবা-মা তো দেশের বাহিরে তাহলে আমি কাকে মা ডাকছি।ইনি হলেন স্যারের স্ত্রী। আমি অনাকে মা বলে ডাকি।উনি আমাকে খুব ভালোবাসে। যাই মসলা টা নিয়ে যাই।বাইক টা নিয়ে বের হয়ে পরলাম।তারপর মসলা নিয়ে স্যারে বাসায় আসলাম-- --মা কই তুমি??(আমি) --রান্না ঘরে আয়।(মা) --মা তুমি একটা কাজের লোক রাখো না কেনো। এত কষ্ট কর কেনো।একটা কাছের লোক রাখো।(আমি) --তার আর কি দরকার আমি নিজেই তো সব করতে পারি।(মা) --না পার না তোমার কষ্ট হয়ে যায় আমি যানি।আলি বাবা আসুক তারপর বলছি।(আমি) --ঐ উনি তোর স্যার হয় কি বলছিস এই গুলা।(মা) --আরে মা আমি মজা করছিলাম।কিছু দাও খুদা লাগছে।(আমি) --আচ্ছা তুই বস আমি আমি দিচ্ছি।(মা) --আচ্ছা।(আমি) তারপর মা খেতে দিলো আমি খেয়ে নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।বাসায় এসে রুমে বসে একটা সিগারেট ধরে খেয়ে সুয়ে পরলাম।ঘুম থেকে উঠলাম বিকেলে উঠে ফ্রেশ হয়ে বাইক নিয়ে বের হলাম।রাস্তার মোরের দোকানটাতে বসে চা খাচ্ছিলাম।বিকালটা আমার ঘুরে কেটে যায়।মাঝে মাঝে পার্কে গিয়ে ছোট বাচ্ছা গুলার সাথে খেলি।ওদের জন্য চকলেট আইসক্রিম নিয়ে যাই।ওদের সাথে কাটানো সময় গুলো খুব ভালোই কাটে আমার।আবার মাঝে মাঝে পার্কের এক কোনে বসে নিকটিনের ধোয়া উরিয়ে দেই।দোকান থেকে উঠে আমি পার্কে গেলাম। পার্কের এক কোনে বসে নিকটিনের ধোয়া উরাচ্ছি।এমন সময় মা ফোন করলো। --হ্যা মা বলো।(আমি) --কই তুই???(মা) --এইতো মা পার্কে বসে আছি।(আমি) --এত রাতে পার্কে বসে কি করছিস।তারাতারি বাসায় আয়।(মা) --কই মা রাত হয়ছে।(আমি) --টাইম টা একটু দেখ।(মা) আমি টাইম টা দেখে অবাকই হলাম দশ টা বেজে গেছে বলতেই পারি না। --আচ্ছা মা আমি আসছি।(আমি) --আচ্ছা তারাতারি আয়।(মা) তারপর বাইক নিয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম।বাসায় এসে দরজায় নক করলাম।মা দরজা খুলে দিলো। --কি করছিলি এত ক্ষন বাহিরে।(মা) --কিছু না মা।উনি কি আছেন না কি ঘুমিয়েছে।(আমি) --না এখনো ঘুমায়নি রুমেই বসে বই পরছে।(মা) --আচ্ছা খেয়েছো তুমি।(আমি) -না ছেলে রেখে কখনো খাইছি।(মা) --হুম চলো খুদা লাগছে। (আমি) --হুমম আয়।(মা) ভিতরে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে গেলাম। --মা বাবা কি খাইছে???(আমি) --হুমম। (মা) --আচ্ছা দাও খুদা লাগছে।(আমি) মা ভাত বেরে দিলো আমি খাচ্ছি। --আচ্ছা মা তুমি কি কাজের লোকের কথা বলছো বাবাকে।(আমি) --না বাবা কাজের লোকের কি দিরকার আছে আমি তো সব করতে পারি।(মা) --হুমম বুঝছি আমকেই বলতে হবে।(আমি) --তোকে কিছু বলতে হবে না খা এখন।(মা) চুপচাপ খাওয়া শেষ করে উঠলাম।তারপর বাবার কাছে গেলাম-- --বাবা একটা কথা ছিলো। (আমি) --হুম বল কি বলবি।(বাবা) --বাড়িতে একটা কাজের লোক রাখ।মায়ের কাজ করতে কষ্ট হয়ে যায়।(আমি) --মায়ের জন্য এতই কষ্ট যখন তাহলে বিয়ে বউ এনে মার কাজে লাগিয়ে দে।(বাবা) --দুর কি যে বল না তুমি।আমার কি বিয়ের বয়স হয়ছে।(আমি) --হুমম তাহলে চুপচাপ যা।(বাবা) --দুর এখন আমকেই আনতে হবে।(আমি) --এই এই দিকে আয় তো।(বাবা) --হুমম কি???(আমি) --চুলের এই অবস্তা কেনো। কাল কে যেনো এই অবস্তায় না দেখি।কলেজে যাবার আগে সব ঠিক করে যাবি।(বাবা) --আচ্ছা বাবা।(আমি) --টাকা আছে তো।(বাবা) --হুম আছে।(আমি) --যা এখন।(বাবা) আমি বাবার রুম থেকে চলে আসলাম মার কাছে। --কি রে কি বলল।(মা) --তোমার আলি বাবা মাকে বিয়ে করতে কই।তুমিই বল মা আমার কি বিয়ের বয়স হছে। --ভুল কি বলছে তুই একটা বিয়ে করে একটা বউ এনে দে।সারা দিন তো আমি একায় থাকি বাসায়।(মা) --মা তুমিও।দুর থাকবই না আর।(আমি) --হুম যা। আর শোন কালকে সকালে তোর কাপর গুলা বেগে করে আনিস ধুয়ে দিব।(মা) --না মা আমি ধুতে পারব।(আমি) --হুম কেমন ধুতে পারিস আমি জানি।কাল কে নিয়ে আসবি যা এখন।(মা) --আচ্ছা আনবো।(আমি) তারপর আমি বাসায় চলে আসলাম।কি আজব না নিজের বাবা-মা আমার খোজ খবর নেই না আর যে আমার কেউ না সে আমার কত কেয়ার করে।রুমে ঢুকে সুয়ে পারলাম।একটু ফেসবুকে ঢুকে ঘাটাঘাটি করে ফোন রেখে সুয়ে পরলাম।সকালে ঘুম ভাঙ্গলো মায়ের ফোনে। --হুম মা।(ঘুম জরানো কন্ঠে) --এখনো ঘুমাচ্ছিস তুই।তারাতারি উঠে ফ্রেশ হয়ে এখানে আয়।(মা) --আচ্ছা আসতেছি।(আমি) ফোন রেখে ফ্রেশ হয়ে কলেজের জন্য রেডি হয়ে বের হয়ে পরলাম।সজা মায়ের বাসায় গেলাম। --কাপড় গুলা আনছিস।(মা) --হুম মা।(আমি) --আচ্ছা আয় খেয়ে কলেজে যা।শুনলাম তুই নাকি ক্লাস করিস না।(মা) --ক্লাস করতে আমার ভালো লাগে না মা।(আমি) --তা বললে হবে। এখন থেকে প্রতিটা ক্লাস করবি।(মা) --তা নাহয় করব কিন্তু এখন খেতে দাও খুদা লাগছে।(আমি) --হুম তুই বস আমি দিচ্ছি।(মা) তারপর নাস্তা করে কলেজে গেলাম।সবায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলো আমি সাথে যোগ দিলাম।কিছুক্ষন পর সবায় ক্লাসে চলে গেলো। সবাই জানে আমার ইচ্ছা হলে আমি ক্লাস করি না হলে করি না।আজ আবার মা বলছে ক্লাস করতে।যাই আজ ক্লাস গুলো করি।আমি ক্লাসে ঢুকে একবারে পিছনের ছিটে বসে পরলাম একটি পর স্যার আসলো। আজ মনোযোগ সহকারে ক্লাস করছি কাউ কে বিরক্ত করছি না।একে একে সব ক্লাস শেষ হয়ে গেলো। আমার দিকে সবাই তাকিয়ে আছে মনে হচ্ছে চিরিয়াখানায় বনর দেখছে। --কি রে তোরা এ ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছিস কেনো। (আমি) --তুই কি আজ সব ক্লাস করছিস।(মৌ) --হুমম কেনো দেখিসনি।(আমি) --আচ্ছা তুই কি আকাশ না কি কনো ভুত প্রেত।(মৌ) --কি যাতা বলছিস আমি ভুত প্রেত হতে যাব কেনো।আমি আকাশ তোদের বন্ধু।(আমি) --দেখে তো তাই মনে হচ্ছে তুই আকাশ।কিন্তু আমাদের মনকে এখন বিশ্বাস করাতে পারছিনা।(দিপু) --আরে ভাই কি বিশ্বাস করাতে পারছিস না।(আমি) --মামা তুই ফুল ক্লাস করলি কেমনে।(রিজু) --কেমনে আবার তোর যেভাবে করলি সে ভাবে।(আমি) --এই জন্যই তো আমাদের ডাউট হচ্ছে তুই আকাশ না কি অন্য কেউ।(দিপু) --দুর কি যে বলিস না তোরা।(আমি) --ঐ আকাশ দারা। (মৌ) --কি হয়ছে।(আমি) --ঐ ছেলে গুলা মাকে বাজে কথা বলছে।(মৌ) --কি তোকে বাজে কথা বলছে কে রে কার এত বড় সাহস।(আমি) --ঐ তো ওরা।(মৌ) --আচ্ছা দারা তুই আমি আসছি।(আমি) --আকাশ দারা ঝামেলা হবে যাস না।(রিজু) --কিসের ঝামেলা আমদের বেস্টিকে বাজে কথা বলছে ওদের ছেরে দিব।(আমি) আমি ওদের কাছে গেলাম। --এখনে কে ওকে বাজে কথা বলছে।(আমি) --কে কি হয়ছে কি করবি তুই।(ছেলে গুলা) --আমি বলছি কে বাজে কথা টা বলছে।(আমি) --আমি বলছি কি করবি তুই???(একজন) মাথায় রক্ত উঠে গেছে সোজা ওর নাকে মারলাম ঘুসি একবারে নাক ধরে পরে গেলো মাটিতে লাথি মারতে থাকলাম ওর সাথের ছেলে গুলা আমাকে মারতে আসল।একজন মারতে আসল ওকে আটকে দিলাম কি তার সাথে সাথে আসে সোজা আমার গালে ঘুসি মারল।আমাকে মারা দেখে দিপু আর রিজু দৌরে আসল।কিছুক্ষন ওদের সাথে হাতা হাতি হল একজন ইট দিয়ে আমার কপালে মারলে ফেটে রক্ত পরতে শুরু করে। এই দেখে আমার রাগ আর উঠে গেলো ঐ ছেলে রে ধরে উরাধুরা মারতে থাকলাম ওকে নিচে ফেলে লাথি মারতে শুরু করলাম।আমার মার দেখে আর যার ছিলো পালিয়ে গেলো। হাতের কাছে একটা ইট পাইলাম যেই ওর মাথায় মারতে যাব অমনি দিপু ধরে নিলো। --আকাশ ছেরে দে।(দিপু) --না সা** আমার শরির থেকে রক্ত ঝরায় ওরে আমি আজ শেষ করে দিমু।(আমি) --মামা ছারে দে অনেক মারছিস।তোর রক্ত পরছে রক্ত টা বন্ধ কর।(রিজু) --না মামা ওর এত বড় সাহস ও আমাদের বেস্টিরে বাজে কথা বলে ওরে আজ আমি... (আমি) --আকাশ ছার অনেক মারছিস ওর লজ্জা থাকলে আর বলবে না। তুই আয় তোর রক্ত টা বন্ধ করতে হবে।(মৌ) --তুই বলছিস দেখে ছেড়ে দিলাম।আর তুই শোন আর কখনো কনো মেয়ে বাজে কথা বলিস সেদিন হবে তোর শেষ দিন।(আমি) ওকে ছেরে দিয়ে আমি বাইক নিয়ে সোজা মায়ের বাড়িতে আসলাম।ওরা মাকে ডাকছিলো আমি সুনিনি।রাগ টা এখনো কমে নি।বাসায় এসে দেখি দরজা খুলা।তাই ঢুকে পরলাম। --মা মা কই তুমি।(আমি) --এই তো রে বাবা।ওমা তোর একি অবস্তা কে করলো তোর এমন।(ব্যাস্ত হয়ে মা) --মা আমার কিছু হয়নি।(আমি) --কিছু হয়নি বললেই হলো দেখতো এখনো রক্ত পরছে।আয় আমার সাথে।(মা) মা মাকে রুমে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে ভালো ভাবে ড্রেসিং করে ব্যান্ডেজ করে দিলো। --কি হয়ছিলো বলতো।(আমি) --আরে মা ক্লাসে শেষ করে আসছিলাম তখন কিছু ছেলে মৌ কে বাজে কথা বলছিলো তাই ওদের সাথে হাতা হাতি হয়ছে।(আমি) --বাজে কথা বলছে দেখে মারামারি করতে হবে।যদি কিছু একটা হয়ে যেতো। (মা) --মা ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ওকে কেউ বাজে কথা বলবে আর আমি সেটা চুপ করে সহ্য করব তা কি করে হয় বল।আর দেখো আমার কিছু হয়নি।(আমি) --আর এমন মারামারি করিস না বাবা।(মা) মার সাথে কথা বলতে বলে খেয়াল করলাম মার পাশে একটা মেয়ে দাড়িয়ে আছে।এতখন খেয়ালই করিনি। --মা ও কে।(আমি) --ও ও হচ্ছে..... --হুম বুঝছি ও কাজের মেয়ে তাই না।(আমি) এই সুনে মেয়েটা রেগে রুম থেকে বের হয়ে গেলো। --আরে ও হচ্ছে আমার বোনের মেয়ে নিলা।এখন থেকে এখনেই থাকবে।(মা) --কেনো মা।(আমি) --এখানে থেকে পড়াশুনা করবে।(মা) --ওওওও আচ্ছা।(আমি) --হুমম বাব তুই ওর সাথে বেশি লাগিস না বাবা ওর খুব রাগ।(মা) --আচ্ছা মা লাগব না।(আমি) --আচ্ছা তুই একটু রেস্ট নে আমি একটু কাজ করি।(মা) --আচ্ছা মা।(আমি) মা চলে গেলো আর আমি সুয়ে সুয়ে ফোনে গেমস খেলছি।একটু পর মেয়েটা আসলো আমি দেখেও না দেখার ভান করে রইলাম।মেয়েটা আমার দিকে অগ্নিময় দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছে।মনে হয় চোখ দিয়ে ভোসশ করে দিবে। --এই আপনি আমার দিকে এই ভাবে তাকিয়ে আছেন কেনো আমার ভয় করছে।(আমি) --এই যে মিস্টার কোন দিক দিয়ে আমাকে কাজের মেয়ে মনে হয় হুম।(নিলা) --সরি আমি বুঝতে পারিনি।(আমি) --আপনি কথা না সুনেই কাজের মেয়ে বললেন কেনো। (রাগান্বিত কন্ঠে) --সরি বললাম তো।(আমি) নিলা আমার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে দিলো এক আছার আর আমার সাদের ফোনটা একবারে জাহান্নমে গেলো। --ঐ আপনি আমার ফোন ভাঙ্গলেন কেনো। (আমি) --সরি আমি বুঝতে পারিনি।(নিলা) --কি আপনি একটা....... কথা বলার সুজগ না দিয়ে রুম থেকে চলে গেলো।কি মেয়ে রে বাবা আজব কেরেক্টার মাইরি......... #চলবে (বিঃদ্রঃ ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কেয়ারলেস ছেলে পার্টঃ ১ম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now