বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কে সে?

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X একজন লোক তার বয়স ২৫ বছর তার সাথে এক মেয়ের বিয়ে হয় তার বয়স ১৬বছর, বিয়ের পর ছেলেটা মেয়েটিকে বললেন তোর কি কোন ইচ্ছে আছে। মেয়ে বলল আমার ইনজিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল। এর পর ছেলেটা মেয়েটাকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসে।মেয়েটিকে ভার্সিটিতে ভর্তি করায়ে লেখাপড়া করায়। ছেলেটা ভোর ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিশ্রম করে মেয়েটার লেখাপড়ার খরচ আর সংসার খরচ চালাই।তারা দুজনে কখনো সহবাস করে না। মেয়েটার বন্ধু্ বান্ধব প্রশ্ন করে ছেলেটা কে। মেয়েটা উত্তর দেয় সে আমার ভাই। ছেলেটা কখনো রিক্সা চালাই কখনো দিন মুজুরি করে কখনো ইট ভাটায় কাজ করে কখনো কুলির কাজ করে। এভাবে মেয়েটার জন্য নিজের কথা না ভেবে তা বৌয়ের জন্য টাকা রোজগার করে মেয়েটাকে সফল করার জন্য ইন্জিনিয়ার বানানো জন্য। হঠাৎ পরিক্ষা চলে আসলো মেয়েটার ছেলেটার চোখে ঘুম নাই রাত দিন মিলে ২০ ঘন্টা কাজ কর্ম করে। বাকি ৪ ঘন্টা সংসারের সব কাজ রান্না থেকে শুরু করে সব কাজ করে। এভাবে মেয়েটার পরিক্ষা শেষ হয়ে গেল। এর পর ছেলেটা একটু কাজ কমিয়ে অল্প অল্প করে ঘুমাই। পরিক্ষা ফলাফল মেয়েটা পাস করলো। ভাল জায়গায় চাকরি পেল অনেক টাকা পয়সা মালিক হলো। বড় বাড়ি গাড়ি আর অনেক কিছু হলো মেয়েটার। বিভিন্ন জায়গায় থেকে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কেউ যানে না তার বিয়ে হয়ছে কিনা, তার স্বামী কে? বড় বাড়ি লাইটিং করে বড় পার্টি দিয়েছে মেয়েটা কিন্ত কেউ জানে না কি জন্য এ পার্টির অয়োজন। সবার প্রশ্ন এক কিসের পার্টি।সবাই মিলে মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো এ পার্টি কি জন্য বলবেন। মেয়েটি বলল ১২ টার সময় সবার সামনে বলবো কিসের পার্টি। ছেলেটা সেই লুঙ্গি গামছা আর ছেড়ে একটা জামা গায়ে বাড়ির এক কোনায় দাড়িয়ে আছে। ১২ টা বেজে গেলো, এর পর মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে যেখানে কেক রাখা আছে সেখানে নিয়ে আসে সবাই কে ভদ্র পুরুষ ও মহিলা গন। একে কেউ চিনের যার মাথার গাম পায়ে ফেলে নিজে খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছে। তার জিবনের সব সুখ আমার জন্য বিসর্জন দিয়ে। এই আমার স্বামী যার সাথে বিয়ের পর কোন সহবাস করিনাই। তাকে এই কাপড়ে রেখেছি যাতে আপনারা তাকে চিনতে পারেন। এই বাড়ি গাড়ি টাকা তার গায়ের এক ফোটা ঘামের দামও না। আমি তার স্ত্রী আমার যা কিছু আছে তার ১০০ গুন দিলেও আমি আমার স্বামমীকে ছেড়ে কোথাও যাবো না। (এটাই স্বামী স্রীর ভালবাসা)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কে ছিলো সে?
→ কে সে?
→ কে হাসে?
→ কি লাভ ভালোবেসে?
→ গার্লফ্রেন্ড টানলে কে আসে?
→ কে সে?
→ কে হাসে?
→ কান্না কেন আসে?
→ কে বেশি ভালোবাসে?

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now