বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে পিচ্ছিল সর্পিল পথে পিছিয়ে পড়া মানুষের সংখ্যা দিন দিন অনেক কমে আসছে । যারা এখনো নাটক, সঙ্গীত, সাহিত্য সংস্কৃতির বহুমাত্রিক অবস্থানে আজও নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশিষ্ট নজরুল ও লোক গবেষক সেই ১৯৬৪ সাল থেকে সারোয়ার চৌধুরী ওরফে দুখু সারোয়ার নামে পরিচিত। লোকজ বাংলাদেশে কবি নজরুলের দুখু ডাক নামটি প্রান্তিক মানুষের কাছে খুবই পছন্দনীয়। সেই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে পিচ্ছিল সর্পিল পথে পিছিয়ে পড়া মানুষের সংখ্যা দিন দিন অনেক কমে আসছে । যারা এখনো নাটক, সঙ্গীত, সাহিত্য সংস্কৃতির বহুমাত্রিক অবস্থানে আজও নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশিষ্ট নজরুল ও লোক গবেষক সেই ১৯৬৪ সাল থেকে সারোয়ার চৌধুরী ওরফে দুখু সারোয়ার নামে পরিচিত। লোকজ বাংলাদেশে কবি নজরুলের দুখু ডাক নামটি প্রান্তিক মানুষের কাছে খুবই পছন্দনীয়। সেই অনুভূতি নিয়ে এই গানটি রচনা করেন দুখু সারোয়ার। উল্লেখ যে কবি নজরুল বাংলা গানে প্রথম সাওতালী সুর ব্যাবহার করেন। তাছাড়া তার জন্মভূমি বীরভূম এলাকার কাছে সাওতালী অঞ্চল অবস্থিত ছিল সেই আলোকে গানটি সুরারোপ করা হয়েছে। ৬০ এর দশক থেকে লোকমুখে এই গান ফিরছে। মুক্তিযোদ্ধাকালীন সময় ও অসহযোগ আন্দোলনে বাংলাদেশ নজরুল সেনার কালচারাল স্কোয়ার্ড বিভিন্ন স্থানে এই গানটি পরিবেশন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নজরুল জন্ম জয়ন্তী র্যালীতে এই গানটি ব্যবহার করা শুরু হয়। কবি নজরুল এর প্রয়ানতিথি উপলক্ষে ‘দুখু বন্দনা’ দিয়ে কবি নজরুলের প্রতি রইল শ্রদ্ধাঞ্জলী।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now