বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কাশ্মীরী পোলাও
পর্ব-১৩
#Joker????
--ধ্রুবের পায়ের অনেক পার্ট ভেঙ্গে গেছে!!(মরিয়ম)
--কেমনে?????(নিজাম)
--,আরে বেশি প্রশ্ন করেন আব্বা আসার আগে ধ্রুবকে দেখেন!!(মরিয়ম)
--কেন??(নিজাম)
--তুমি তো জানই সব কাশ্মীরী আর্মিদের ভালোবাসে না তেমনি আব্বা ধ্রুবকে দেখলে আমারে মেরে ফেলবে!!(মরিয়ম)
--তাহলে ধ্রুবকে আমি আমার ঘরে রাখতে পারি!!(নিজাম)
--সেটাও করতে পারি!!(মরিয়ম)
ধ্রুবের মন খারাপ হয়ে গেল।মরিয়মকে আর দেখতে পারবে না।মরিয়ম কথাটা বলার সাথে সাথে একটা খারাপ ফিল হল।
তাহলে ধ্রুবের জন্য কোনো ফিলিংস নাই।ধ্রুব মনে আশ্বাস দিল যদি মরিয়ম তাকেই ভালো না লাগে তো কিছু করার নাই। জোর করে কিছু করা যায় না।
নিজাম নিজের ঘরে চলে গেল।
ধ্রুব অন্যদিকে মুখ করে শুয়ে আছে।মরিয়ম রান্নাঘরে রান্না করছে।আব্বা এসে ক্লান্ত হয়ে খাবার খেয়ে শুয়ে পড়বে।
মরিয়ম সেটার সুযোগ নিয়ে ধ্রুবকে নিজামের ঘরে পাঠিয়ে দিবে।মরিয়ম আব্বাকে খাবার দিচ্ছে।
আব্বার তেমন খাবার মন নেই তবুও না খেয়ে ঘুমালে রাত ৩টা,৪টা বাজে ক্ষিধা লাগে।মরিয়ম আব্বারে খাবার দিয়ে আম্মার কাছে চলে গেল।
আম্মার শরীরটা বেশ কয়েকদিন খারাপের দিকে যাচ্ছে।একটা অপারেশন করতে হবে আম্মার।মরিয়ম আম্মার হাত ধরে প্রতিরাতে কাদে।
আম্মা ছোট কালের সেসব স্মৃতি তা এখনও মনে পড়ে।সে ভেড়া নিয়ে আম্মার সাথে দৌড়াচ্ছে। তারপর একটি কাল দিন তার থেকে তার মা কে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
মরিয়ম এক প্লেটে সামান্য পোলাও আর একটা মুরগীর পিচ নিয়ে আম্মাকে একটা লোকমা করে খাইয়ে দিতে লাগলো।
সামান্য চোখের জল এসে গেল মরিয়মের।মা কে ছেড়ে চলে যেতে হবে।তখন মায়ের খবর কেউ নিবে না।সব মেয়েদের কি অন্য ঘরের সম্পদ মনে হয়?
মরিয়ম আম্মাকে শেষ লোকমা খাইয়ে গ্লাসের পানি সামান্য পরিমাণে খাইয়ে দিল আম্মা তেমন পানি খান না।
মরিয়ম রহিমের রুমে গেল।ধ্রুব রহিমকে গণিত করাচ্ছে।
--কিরে কি করছিস!!(মরিয়ম)
--আপাকাল একটা গণিত পরীক্ষা।ভাইজান বলল আমাকে গণিত শিখাবে তাই শিখছি!!(রহিম)
মরিয়মের হিংসা হচ্ছে কারণ মরিয়মই রহিমকে ভালো করে গণিত বুঝায় আজকে তার জায়গা ধ্রুব দখল করে নিল।
--রহিম চল আজকে আমরা দুইজন মিলে পোলাও খাব!!(মরিয়ম)
--যাও তুমি খাও!(রহিম)
--ওয়াও পোলাও আমি কি খেতে পারি?(ধ্রুব)
--তোমার কি পোলাও পছন্দ?(রহিম)
--হুমম আম্মা আমাকে প্রতি জুম্মাবার বানিয়ে দিত!!(ধ্রুব)
--তাহলে আপা আমার আর ভাইজানের জন্য দুই প্লেট এ রুমে নিয়ে আস আমরা দুইজন একসাথে খাব!(রহিম)
মরিয়মের খারাপ লাগছে।ভাইটাও এখন নিজের বোনের খবর নিচ্ছে না।মরিয়ম হঠাৎ মনে পড়লো ধ্রুব তো হিন্দু তো আম্মা কেন বললো।জুমাবারই তো মুসলমানরা বলে।
মরিয়ম এত কিছু না ভেবে তিন প্লেট ভাত নিয়ে রুমে গেল।রহিমের মুরগীর মাংস অনেক পছন্দ তাই মরিয়ম দুইটা মাংসের টুকরা রহিমকে দিল।
তিনজন টেবিলে বসেছে।মরিয়মও খেতে বসে গেল।ধ্রুবের পাশে গিয়ে বসতে হল মরিয়ম কে।
রহিম দুইটা মাংসের মধ্যে অন্যটা ধ্রুবকে দিয়ে।
,
,
,
,
,
,
,
,
চলবে,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now