বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জনৈক নাস্তিকের প্রশ্ন

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)

X আসসালামু আলাইকুম।। জনৈক নাস্তিক একবার প্রশ্ন করে বসল,নামাজ-কালাম তো আপনি ভালোই পড়েন,একেবারে পরহেজগার,কিন্তু আল্লাহ তায়ালা কে দেখেছেন কি?উওর যদি নেতিবাচক হয়,তাহলে যে জিনিস দেখাই গেলো না,, তার আবার ইবাদত কিসের?বললামঃ বেশ,আপনি কি করেন?সে বলল,ভার্সিটিতে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোওর শেষ পর্যায়ের ছাএ।আমি বলতে লাগলাম,দেখুন ভাই দার্শনিক পন্ডিতরা অনুসন্ধানের মাধ্যমে আল্লাহর অস্তিত্ব খুঁজতে গিয়ে অধিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়ে।তাদের জ্ঞানের পেনাল কোডে সমাধানের উপায় কখন চমক দেখায় না। আপনার কথায় নতুনত্বের কোন সুর নেই,এটা বরং আধুনিক মডেলে প্রাগৈতিহাসিক পূর্বসূরীদের অবাঞ্চিত প্রশ্নবানের আপেক্ষিক অনুশীলন মাএ।কোরআনিক জ্ঞানের আলোকে যাদের মোটামুটি ধারণার আনুপাতিক ছোয়া আছে, তা উল্টালে তারা দেখতে পাবে যে, খৃষ্টাব্দ আড়াই হাজার সহস্রাধিক বছর আগে হযরত মূসা (আ) এর জাতি বনী ইসরাইল একই প্রশ্নআউরেছিল।পবিত্র কালামের মাধ্যমে আল্লাহ তায়াল আমাদের বওষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন।কেননা ভূত-ভবিষ্যৎ এর যাবতীয় সংবাদ তাঁর অসীম জ্ঞানের সীমাহীন বলয়ে একাকার হয়ে আছে।তিনি জানেন,বিংশ শতাব্দীর শেষ পাদে আমরাও এ জাতীয় প্রশ্নের সম্মুখীন হব।তাই বনী ইসরাইল প্রশ্নের আকারে যে আবদার সমকালীন রাসুল (স) হযরত মূসা (আ) এর সামনে রেখেছিল,সাবলীল ভঙ্গিতে আল কুরআনে সেটা বর্ণিত হয়েছে।তারা বলেছিলঃ "হে মূসা! একেবারে প্রকাশ্যভাবে আমাদের আল্লাহকে দেখিয়ে দাও।অতঃপর তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন। (সূরা নিসা,আয়াত ১৫৩)।আমি বললাম, আপনার এপ্রশ্ন নতুন নয়।পূর্ব যুগের কাফেররাও একই প্রশ্ন তুলেছিল।আমি প্রশ্ন করলাম, আপনার দেহ ও রুহ অঙ্গাতি জড়িত। নিজের আত্মা কখন দেখতে পেয়েছেন কি?? উওর এ সে বলল,না। আমি বললামঃ তাহলে তো বাইরের খবর নিয়ে এত টানা হেঁচড়া বাদ দিয়ে সর্বাগ্রে আপনার ঘরের খবর নেওয়া দরকার।আত্মা দেহের সাথে একাকার হয়ে থাকা সত্বেও তাকে আপনি দেখতে পান না। তাহলে যে মহান আল্লাহ যে রুহ সৃষ্টি করল 'নেই' থেকে অস্তিতে নিয়ে এলেন,তিনি কি এতই স্থুল যে,কেউ চাইল আর সাকারে মূর্তি হয়ে ঢোল পিটাবেন।রুহুকে দেখা যায় না বলে পূর্বযুগের কাফেররা প্রশ্ন করেছিল রুহু কু জিনিস? আল-কুরআনের ভাষায়ঃ" হে রাসুল! তারা আপনাকে প্রশ্ন করে-রুহু সমপর্কে।আপনি বলে দিন,রুহু আমার পালনকর্তার হুকুম বিশেষ।এ বিষয়ে তোমাদের কে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে। (সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৮৫)।আমি তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম,একজন ডাক্তার কফের জীবাণু দেখাতে পারবেন।আপনার হাতে মাইক্রোস্কোপ তুলে দিলে আপনি কি তা দেখাতে পারবেন?সে বলে,আমি পারবনা। কারণ আমি ডাক্তারি পড়িনি। আমি বললাম- আপনি ডাক্তারী না পড়ে যদি কফের জীবাণু দেখাতে না পারেন তাহলে আল্লাহর কালাম না পড়ে, আল্লাহওয়ালা না হয়ে কি করে তাঁকে দেখতে চান।তাকে আবার প্রশ্ন করলাম,প্লটু নামের একটি গ্রহ আছে টেলিস্কোপ দিলে সেটি দেখাতে পারবেন?তিনি বললেন,ইউরোপের বিজ্ঞানীরা দেখাতে পারবে।আমি বললামঃপ্লটু গ্রহ না দেখে ইউরোপের বিজ্ঞানীদের কথায় বিশ্বাস করতে আপনার আপত্তি হলো না-অথচ আল্লাহর প্রেরিত লাখো নবীগণের কথা আপনার বিশ্বাসের আওতায় এলো না,যাঁরা আল্লাহর অস্তিত বিশ্বাস করতে বলেন এবং তাঁর দাসত্ব করতে বলেন।আপনি আল্লাহর বিজ্ঞানী হয়ে যান তাহলে পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছুর মাঝে আল্লাহ কে দেখতে পাবেন।আমি অন্যভাবে আবারও বললা, কবি যদি তার কবিতা ছন্দে লুকিয়ে থেকে ভাষার আবরণে তাকে দেখার দেখার আহবান জানাতে পারেন,তাহলে আল্লাহ তায়ালা কি এতই সস্তা ও সহজলভ্য যে,চাইলেই তিনি দৃষ্টি পথে হাজির হয়ে যাবেন?? গল্পটি---'বিশ্ব সৃষ্টির মাঝে আল্লাহর অস্তিত্ব '(মাওলানা নূরুল হক আজমী) বই থেকে সংগ্রহিত। ★সমাপ্ত★


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জনৈক নাস্তিকের প্রশ্ন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now