বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঠিক ৩৭ মিনিট পরে পাভেল প্রশ্ন করলো
নিজেকে নিঃশব্দে, ‘এখানে কেন এসেছি আমি?’
এখানে, অর্থাৎ নাবিলাদের বাসায়, আজকের দিনটা
অন্যরকম, অন্তত নাবিলার কাছে, ও তাদের কাছে
যারা নাবিলাকে চেনে, বা যাদের ধারণা তারা নাবিলাকে
চেনে, যদিও কোনো মানুষকেই চেনা এতো
সহজ নয়, তবু আমরা কেবল ধারণাই করতে পারি, যাই
হোক এটা নিশ্চিত আজ নাবিলার জন্মদিন (শুভ
জন্মদিন, নাবিলা!) এবং আপনারা যারা এই গল্পটা
পড়বেন বলে মনস্থির করেছেন তারা এটা জানার
সাথে সাথে পাভেলের প্রশ্নের খুব সরল একটা
উত্তর দিয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন, যা হয় আর
কি সাধারণত, যে আজকে নাবিলার জন্মদিন
উপলক্ষেই পাভেল এসেছে, এখানে, অর্থাৎ
নাবিলাদের বাসায়, আজকের দিনটা অন্যরকম...
বিষয়টা হচ্ছে এই যে, পাভেল নাবিলাকে ভালবাসে,
যদিও প্রথম প্রথম তার ধারণা ছিলো নাবিলার
শরীরের মায়ায় পড়েছে সে, আর এই ধারণাটা
নিয়ে সে কিন্তু বেশ সুখেই ছিলো, কিন্তু এটা
তো জানা কথা শুধু শরীরের মায়া বেশিদিন
টেকে না, তাই যখন পাভেল বুঝতে শুরু করল এ-
স্রেফ যৌন-আকর্ষন নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু,
তখন সে আতংকিত হয়ে পড়ল, আতংক একটা সিরিয়াস
অনুভূতি, আর যে-কোনো সিরিয়াস অনুভূতি
থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার একটা খুব
খারাপ উপায় তাকে বাতলে দিয়েছিলো তার সেই
বন্ধু যার সাথে বহুদিন ধরে দেখা করবো
করবো বলেও করতে পারছে না সে, কারণ
সে বা সে কেউই সময় পাচ্ছে না, ইদানিং কেন
জানি কেউ কারো জন্যই সময় পাচ্ছে না, আর
সেই উপায়টা হল নীল ছবি দেখা, তথ্যপ্রযুক্তি
এখন এসব খারাপ জিনিশ সহজলভ্য করেছে, অবশ্য
শুধুমাত্র তাদের জন্যেই সহজলভ্য করেছে
যাদের জন্য ভালো জিনিশও সহজলভ্য করেছে,
তো পাভেল আতংকে হিম হয়ে গেল যখন সে
অনুভব করল তার চোখ নীল ছবির নায়ক-নায়িকার
দিকে থাকলেও সে মনে মনে নাবিলার হাসিখুশী
চেহারায় যে-কোনো মানুষের সাথে
আন্তরিকভাবে কথা বলতে পারার যে অসাধারণ
ক্ষমতা সেটার কথাই ভাবছে, এবং নীল ছবি তাকে
নাবিলার কথা ভুলিয়ে দিতে পারছে তো না-ই বরং
এসব দেখে তার মেজাজ প্রচণ্ড খারাপ হয়ে
যাচ্ছে, এবং সে একটুও অবাক হল না যখন সে
খেয়াল করল কখন সে কম্পিউটার অফ করে দিয়ে
বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে, একটু আগেই এক পশলা
বৃষ্টি হয়ে যাওয়ায় বারান্দাটা ভেজা, কেমন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা
একটা আবহ, এবং পাভেল বুঝতে শুরু করলো যে
নাবিলার প্রতি তার যে অনুভূতি সেটা স্রেফ যৌন-
আকর্ষণের মত অগভীর কিছু নয়, নাবিলাকে সে
সামগ্রিকভাবেই ভালবাসে, এবং এই অনুভূতিটা একই
সাথে এতো আনন্দময় ও যন্ত্রণাকর যে তার
চোখের কিনারে পানি জমছে, যেন কেউ ছুরি
দিয়ে কেটে নিচ্ছে তার চোখ, এবং পানির
লেবাসে বেরিয়ে আসছে রক্ত, আর এতে তার
বুকে বেজে উঠছে সুখের মত ব্যাথা।
পাভেল কবি, এই ঢাকা শহরেই কবিতা লিখে
চলেছে সে আজ প্রায় বছর তিনেক, যদিও
বিখ্যাত অখ্যাত ও কুখ্যাত অন্য প্রায় সব কবিকেই
সে ফেসবুকের বাইরে বড়ো একটা চেনে না,
কিভাবে কিভাবে জানি একটা কবিতার বইও বের হয়ে
গেছে ওর, যদিও খুব একটা চলছে না, তাতে
অবশ্য পাভেল হতাশ না, হতাশ হওয়ার জন্য সারা
জীবন পড়ে আছে, কারণ এই দেশে
লেখালেখিকে বিলাসিতা ভাবা হয়, লেখালেখি যে
একটা কাজ, চাষবাস করা বা কাপড়চোপড় বোনা
যেমন কাজ ঠিক তেমনই, সেটার স্বীকৃতি
এখনো এখানে মেলেনা, আর বিখ্যাত
লেখকেরাও নিজেদের আলাদা মনে করেন
দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ থেকে, আর
প্রতিষ্ঠান-বিরোধীরা প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা
করতে করতে করতে করতে করতে করতে
করতে একটা সময় নিজেরাই প্রাতিষ্ঠানিক হয়ে যান,
তো সে যাই হোক যখন একটা ভাঙাচোরা
মফস্বলে থাকতো তখন থেকেই পাভেলের
কবিতা লেখার সূচনা, আসলে সেই মফস্বলই তাকে
কবি করে তুলেছে, যদিও এই যন্ত্র ও যন্ত্রণার
শহরে না আসলে সে বিকশিত হওয়ার সুযোগ
পেতো না কখনো, তাই তাঁকে সে ধন্যবাদ
দেয় যিনি আকাশ থেকে রহমত হিসেবে বৃষ্টি
ঝরান এবং কিছু কিছু হতভাগ্য মানুষকে হৃদয়তান্ত্রিক
করে তোলেন, সেইসব মানুষেরা যারা নিজের
ছায়া থেকেও পালিয়ে বেড়ায়, অথচ খুঁজে
ফেরে সেই মানবতার মাতৃভূমি যেখানে মানুষের
একমাত্র পরিচয় হবে সে মানুষ, এবং সেই কারণেই
আবার ফিরে আসে ছায়ার মতই নিজের মানুষদের
কাছে। আর পাভেল এই মুহূর্তে পাগলের মতো
বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফিরছেঃ
কেনো তার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়টিকে প্রাচ্যের
অক্সফোর্ড বলা হয়? অক্সফোর্ডে কেউ
কোনোদিন সেটাকে কি পাশ্চাত্যের নিজামিয়া
বলেছে? নিজের মাটিতে দাঁড়িয়ে নিজের বাতাসে
শ্বাস নিয়ে নিজের আলোয় আলোকিত হয়ে
নিজের ইতিহাসের ওপর ভর করে আধুনিক হওয়া যায়
না? তার চারপাশে স্বঘোষিত একদল ইসলামপন্থী
আর নাস্তিকতাবাদীর পরস্পরকে হেয় করার প্রায়-
উন্মত্ত প্রতিযোগিতায় সে ক্লান্ত বোধ করে,
এদের সবার হৃদয়ই সম্ভবত শূন্য হয়ে গেছে,
দুনিয়াবি সমস্যা থেকে মুখ ফিরিয়ে এরা আশ্রয়
নিয়েছে আরশের দিকে তীর ছোঁড়া আর না
ছোঁড়ার এক আজব প্রতিযোগিতায়, আর
জীবনটাকে এরা বানিয়ে ফেলেছে ওয়ার্ল্ড কাপ
ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচের মতন, যে-করেই
হোক জিততেই হবে...
আপাতদৃষ্টিতে নাবিলার জগতটা আলাদা। সে আছে
হিন্দি সিনেমার রঙিনদুনিয়া আর হ্যারি পটারের
যাদুবাস্তবতা নিয়ে, তার মতোই হাসিখুশী আর
প্রাণোচ্ছল একদল বন্ধুবান্ধব নিয়ে, সে ভালো
আছে। পোষাকআশাক নিয়ে অসচেতনতা বা
অতিসচেতনতা কোনোটাই নেই নাবিলার, সে
সাদামাটা শাড়ি সালওয়ার কামিজেই প্রকাশ্য হতে পছন্দ
করে, তবে পশ্চিমা পোষাক কখনোই পড়েনি
বললে ভুল হবে, কিন্তু তাকেই আবার আজানের
সময় মাথায় কাপড় দিতে দেখেছে পাভেল
বিশ্ববিদ্যালয়ে, দেখে সুখী বোধ করেছে,
আবার সঙ্গে সঙ্গেই সুখী বোধ করার কারণে
বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে গেছে। পাভেলের
পরিচিত অনেক মেয়েই হিজাব করে, পাভেল
কখনো এটা আলাদা করে খেয়াল করার
প্রয়োজনই বোধ করেনি, কারণ আলাদা করে
খেয়াল করার ভেতরেই অপর মনে করার একটা
অভিলাষ কাজ করে, কাল্পনিক ভেদাভেদ পথ তৈরি
করে দেয় বাস্তব ভেদাভেদের জন্য। কিন্তু
নাবিলা মাথায় কাপড় দিলেই বা সে খুশী হবে
কেন? এটা আলাদা করে খেয়াল করার কি আছে?
মাথায় কাপড় দিতেই পারে, নিশ্চয়ই খুব ছোটবেলায়
তার বাবা বা মায়ের তৈরি করে দেওয়া অভ্যাস যাঁরা
চেয়েছেন তাঁদের মেয়ে পশ্চিমা আধুনিকতার
এই প্রবল আধিপত্যের কালেও জীবন যাপনের
সময় নিজের মুসলিম আইডেনটিটির কিছু বিশ্বাস ও
চিহ্ন ধরে রাখুক। নাবিলা যদি কোনোদিন
পাভেলের বউ হয়, এই চিন্তাটা করলেই তার খুব
লজ্জা লাগে, তাহলে তাকে সে কোন
পোষাকে দেখতে পছন্দ করবে? সব সময়ই
তার চিন্তায় নাবিলা সাদামাটা শাড়ি সালওয়ার কামিজেই
উপস্থিত হয়, তবে যে-মেয়ে আজানের সময়
মাথায় কাপড় দেওয়ার কথা কখনো বিস্মৃত হয় না।
সাদামাটা পোষাকেই নাবিলাকে অত্যন্ত আকর্ষণীয়
লাগে, এটা চিন্তা করেও পাভেলের কেমন লজ্জা
লজ্জা লাগলো, নাবিলার ব্যাপারে যে-কোনো
ধরণের চিন্তাভাবনা করতে গেলেই ওর ভেতর
এই লজ্জা লজ্জা ভাবটা কাজ করে। পাভেল ঠিক
বুঝতে পারে না যেই মেয়েটিকে সে
ভালবাসে, তার পোষাকআশাক কেমন হবে সেটা
মনে মনে হলেও নির্ধারণ করার অধিকার তার
আছে কিনা, কিন্তু যদি এটা অনধিকার চর্চাও হয় তবে
এই অনধিকার চর্চাটুকু সে খুব আগ্রহ নিয়েই
করে।
কোথাকার পানি কোথায় গড়াল, ফারাক্কায় উত্তরবঙ্গ
মরুভূমি হয়ে গেল! আপনারা বিরক্তির একশেষ
হয়ে ভাবছেন নিশ্চয়ই জন্মদিনের গল্পে এসব
হাবিজাবি কি লেখা হচ্ছে। আসলে এই দুষ্ট
লেখকের উদ্দেশ্য নাবিলা আর পাভেলের গল্প
শোনানো, জন্মদিন উছিলা মাত্র। এটা ফেসবুক
স্ট্যাটাস হলে এখানে দাঁতখোলা হাসির একটা
ইমোটিকন ব্যবহার করা হত।
যাই হোক, নাবিলা যখন পাভেলকে তার জন্মদিনের
নেমন্তন্ন জানালো, পাভেল অবাক হয়ে খেয়াল
করলো সে একটুও অবাক হয়নি এই নেমন্তন্নে,
অথচ হওয়ার তো কথা ছিলো, এমন তো নয়
নাবিলার সাথে তার অনেকদিনের বন্ধুত্ব, যদিও নাবিলা
তার সাথে বেশ আন্তরিকভাবেই মেশে, কিন্তু
সেটা তো অন্য সবার সাথেই মেশে, সে মানুষ
হিসেবে অত্যন্ত আন্তরিক বলেই, তো এতো
অল্প ক’মাসের পরিচয়ে জন্মদিনের দাওয়াত
দেওয়াটা খুব স্বাভাবিক নয়, এটা পাভেলের মাথায়
আসলো না। কিন্তু এখন, প্রায় ৫৯ মিনিট হয়ে
গেছে পাভেল এখানে এসেছে, তাকে বাসার
গৃহপরিচারিকা এক গেলাশ বরফশীতল শরবত দিয়ে
গেছে, আরো কিছু এটা-সেটা নাশতার প্লেট
দিয়ে গিয়েছিলো কিন্তু পাভেল শরবত ছাড়া আর
সব কিছুর ক্ষেত্রে না-বোধক ইঙ্গিত দেওয়ায়
কিছুক্ষণ সেগুলো সামনে পড়ে থেকেছে,
তারপর একটা অল্পবয়সী ছেলে, সম্ভবত সেই
গৃহপরিচারিকার ছেলে, খাবারের প্লেটগুলো
নিয়ে গেল। পাভেল এতে খুশী হল, মানুষের
বাসায় গিয়ে কিছু খেতেও সে অস্বস্তি বোধ
করে, মনে হয় সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে,
এমনকি কেউ আশেপাশে না থাকলেও। আর এইসব
নাশতা এখন অই ছেলেটার পেটে যাবে, ভালোই
হবে, এটা ভাবার জন্যও আবার পাভেলের একটু
অস্বস্তি হল, মনে হল সে কি মধ্যবিত্তীয়
গরীব-দরদের ফাঁদে আটকে আছে এখনো?
পেটি-বুর্জোয়া মিডিলক্লাস টেনডেসির এতো
তুলো-উড়ানো সমালোচনার চুক চুক (চায়ের
কাপে চুমুক দেওয়ার শব্দ) চর্চার পরও?
কিন্তু আমি মনে হয় আবার বেলাইনে চলে যাচ্ছি।
তো, যা লিখছিলাম, ঠিক এই মুহূর্তে পাভেল
ভাবছে কেন নাবিলা তাকে জন্মদিনের দাওয়াত
দিলো। পাভেল আবেগ সামলাতে না পেরে
জন্মদিনের পার্টি শুরু হওয়ার অনেক আগেই চলে
এসেছে, নাবিলা দুবার দেখা করে অতিবিনয়ের
সাথে ক্ষমা চেয়ে গেছে বসিয়ে রাখার জন্য,
কিন্তু এই ইঙ্গিতও দিয়ে গেছে আরো
অনেকক্ষণ বসে থাকতে হবে। পাভেলের
একবার মনে হল নাবিলা আসলে পাভেলের
হাবভাবেই বুঝে গেছে পাভেল প্রেমে
পড়েছে তার, আর তাই সে সবার সামনে ওকে
অপমান করতে চায়, তাই এই নেমন্তন্ন, আগুন
নিভে যাওয়ার আগে যেমন দপ করে জ্বলে
ওঠে ঠিক তেমনই অপমান করার আগে নাবিলা এখন
এই অতিবিনয়ী ব্যবহার করছে। পাভেল কল্পনায়
দেখতে পেলো, নাবিলা জন্মদিনের
আত্মীয়পর্ব শেষ হওয়ার পর বন্ধু ও
বান্ধবীদের সাথে নিয়ে ঢুকেছে নিজের
ঘরে, পাভেলও গেছে সেখানে, তারপর তাকে
নাবিলা একঘর বন্ধু ও বান্ধবীর সামনে অপমান
করছে, সবার সামনে সে ছোট হয়ে যাচ্ছে,
আর কোনোদিন নাবিলার দিকে সে তাকাতে
পারবে না, কথা বলতে পারবে না সহজভাবে। কিন্তু
পাভেলের পছন্দ হল না এই উত্তরটা। নাবিলা
মানুষকে অপমান করে মজা পাওয়ার লোক নয়,
পাভেলের প্রতি তার আবেগ আছে এমন
কোনো আলামতই দ্যাখা না গেলেও পাভেলকে
সে অপছন্দ করে এমন কোনো আলামতও
পাভেলের বা এই গল্পকারের কারোর চোখেই
পড়েনি। এমনও তো হতে পারে নাবিলা টেরই
পায়নি তার অনুভূতিটুকু! দাওয়াত দেওয়াটা ওর বন্ধুবৎসল
মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। এটা ভেবে নাবিলার প্রতি
শ্রদ্ধাবোধে পাভেলের মন আর্দ্র হয়ে উঠল,
মা যেমন তার ছোট বাচ্চাকে আদর করার সময় খুব
মায়াময় একটা স্বরে কথা বলে ঠিক সেই স্বরে
পাভেল নিজেই নিজেকে খুব আস্তে আস্তে
বললো, ‘ও খুব ভালো একটা মানুষ।’ এবং কথাটা
যেহেতু বলার জন্য বলা নয়, তাই এটা বলতে
পেরে তার নিজেকে সুখী মনে হলো।
কিন্তু নাবিলার জন্মদিনের পার্টি শুরু হতে যাচ্ছে,
পাভেল উঠে গেছে ডাইনিং টেবিলের দিকে,
আমাকেও এখন উঠতে হচ্ছে, ভালো থাকবেন
সবাই, আমি যাই, আর কিছু না হোক জন্মদিনের
কেকের একটা পিস কোনো ভাবেই মিস করতে
চাই না, আর গল্পটা কোন দিকে আগায় সেটাও
তো দ্যাখা দরকার।
তাই না?
মুহাম্মদ ইরফানুর রহমানছাত্র, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now