বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
জমিদার বিজয় চন্দ্র রায়
"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)
X
★লেখকঃ মিম★
আমাদের এলাকাটি চিত্রা নদীর পাড়ে অবস্থিত। আমাদের এলাকা আবার কতগুলো পাড়ায় বিভক্ত।যেমন উত্তর পাড়া, দক্ষিন পাড়া,পশ্চিম পাড়া, পূর্ব পাড়া। আর আমাদের পাড়াটি হচ্ছে পূর্ব পাড়া। আমাদের পাড়ার দক্ষিন দিকে চিত্রা নদী অবস্থিত।
এই নদীর পাড়ে আছে ভাঙাচূরা কতগুলো দালান। যেগুলো থোকে পুরো নদী পর্যন্ত শান বাধানো ঘেট। অবশ্য সেগুলোও ভেঙেচুরে গেছে। স্যাওলা জমে গেছে তার উপর।
আসলে এই বাড়িগুলোই হচ্ছে গাঙ্গুলীদের বাড়ি। যাদের সাথে সংযোগ ছিল ইংরেজদের। তারা এখানে থেকে ইংরেজদের কথামত কাজ করত। এখানকার মানুষদের উপর অত্যাচার করত। লুটপাট করত।
কিন্তু যার কারনে তারা এখানে বেশি প্রাধান্য বিস্তার করতে পারতো না তিনি হলেন এখানকার জমিদার বিজয় চন্দ্র রায়। যার কথা আমি আপনাদের আগেই বলেছি "ভূতুড়ে জমিদারবাড়ি" গল্পে। ওই বাড়িতে থেকেই তিনি ব্রিটিশদের দোশর ঐ গাঙ্গুলীদের বিরুদ্ধে লড়েছেন।
আসলে যদিও এই বাড়িটাকে বিজয় চন্দ্র রায় এর বাড়ি বলা হয় কিন্তু এই বাড়িটা আসলে ননীবুড়ি নামক এক মহিলার। এটা ছিল উনার বাপের বাড়ি। স্বামী মারা যাবার পর বুড়িমা এখানেই বাপের বাড়িতে বাস করতেন। আর বিজয় রায় উনাকে বোন ডেকেছিলেন। আর নিজের বাড়ি থুয়ে উনি বোনের অনুরোধে তার বাড়িতেই বসবাস করতে লাগলেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now