বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ A.shorif,,,,,,,,,,
আজ বলব আপনাদের একটি ভৌতিক ঘটনা।আমার মামার সাথে
ঘটনাটি গঠেছিল। তকন আমি খুব ছোট গল্পটি আমি মামার কাছতেকে
শুনেচি। তও আমি মামার হয়েই বলচি। সে দিন ছিল আমাব্সার রাত, চার দিকে ঘুট ঘুটে আন্ধকার।
চোখেন সমনে এক হাত জায়গা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না,তখন রাত আনুমানিক ০১টা বেঝে কিচু সময় পার হবে। তখন আমি বাজারে দোকান বন্ধ করচি,এমন সময় পাশে
দোকান্দার রফিক ভাই বলে ওঠল
কি মিয়া আইজ এত তারা-তারি
দোকান বন্ধ করলা যে, আমি বল্লাম
আর কয়েন না ভাই বাড়ি তে বৌডা
একা তাই একটু তারা-তারি যাইতে কইচে..রফিক ভাই কইল তা যাও কিন্তু একটু সাবধানে যাইও। আমি
কইলাম কেরে ভাই। দুর মিয়া জাননা
আইজ আমাব্সার রাইত। যাইবাত
ওই জমিদার বাড়ির শ্মশানের পাস দিয়া হেল্লাইগা একটু সাবধান করলাম। তুমিত মিয়া আবার ভূত-
পেত্য খুব ভয়পাও। কথা গুলি বলে
রফিক ভাই বিতগুটি হাসি দিল।আমিও তার কাচতেকে বিদায় নিয়ে
বাড়ির দিকে রওনা হলাম। কোন গাড়ি না পাওয়ায় ভয়ে ভয়ে নদির
পার দিয়ে জমিদার বাড়ির রাস্তা
দিয়ে হাটা শুরু করলাম। সারা দিনের
ক্লান্তিতে চোখে যেন যাপসা দেখচি।
মনে-মনে দোকানের হিসেব করতে-
করতে আপন মনে হেটে যাচ্চি নিজের গন্তব্যে। জামিদার বাড়ির পাশে আসতেয় পরিবেশটা কেমন বদলে গেল চারি দিকে বিদ্যুত চমকাতে শুরু করেচে। হঠাৎ আমার চোখগেল বাড়িটার ওপর। দেখে মনে হচ্চে শতবছরের অবিশাপ্ত বাড়িটা আজ জেগেওঠেচে
চলবে,,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now