বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জলদস্যু
(কাল্পনিক গোয়েন্দাগিরি)
পর্ব:৩/শেষ
,
সাঈদ এর পড়ে যাওয়ার পিছান থেকে সাঈদ এর আক্রমন বৃথা গেল।এবং সে এখনি ধরা পড়ে যাবে আর বুঝতে পারবে সে পিছান থেকে আক্রমনের স্বীকার হচ্ছিলো তখন দেরি না করে গুলি করবে।কিন্তু মানুষের চেস্টা যেখানে শেষ হয় আল্লাহর কাজ সেখান থেকে শুরু হয়।দস্যু শব্দ শুনেই পিছানে তাকালো আর আমি এই সুযোগের ব্যবহার করলাম।একহাতে 303 ঠেলে দিয়ে অন্য হাত দিয়ে কানের নিচে আঘাত করলাম।পাকা ফলের মত মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।লতা পাতা দিয়ে হাতপা বেধে, মুখে কাপড় গুজে দিয়ে একটু জঞ্জাল এর মধ্যে রেখে দিলাম যাতে সহজে কারর চোখে না পড়ে। আমরা ওকে মেরে ফেলতে পারতাম কিন্তু ইসলাম বলে, , ,, ,,,,,, যুদ্ধের সময় বিপক্ষের প্রত্যকেই শত্রু কিন্তু যুদ্ধ জয়ের পর বিপক্ষের প্রত্যকেই মাজলুম। আমার আমরা দুজন ক্রলিং করে এগোনো শুরু করলাম।পথে আসর এর নামায পড়লাম কিন্তু কারর চোখে পড়লো না।আরো কিছুদূর যাওয়ার পরে দেখলাম পায়ে হাটা চিকন পথ বা অনেকদিন একজাইগা দিয়ে হাটলে যেমন পথ তৈরী হয় তেমন। হঠাৎ আমার চারিদিকে কয়েকটা রাইফেলস তাক করা দেখলাম।ভিতু চেহারা করে হাত ওপরে তুললাম। যাতে আমাদের টুরিস্টদের মত মনে করে।একপাশে দেখলাম সাঈদকে হাতপা বেধে দাড় করিয়ে রেখেছে।একজন আমাকে বলল তোমরা কারা।আমি বললাম আমি বন ঘুরতে ভালোবাসি তাই ঘুরতে এসেছি।ওদের একজন বলল,,,, তুমি মানে- আমাদের একজন বলল তোমরা দুজনই এক স্পিড বোটে এসেছো।
,আমি ভাবলাম ধরা পড়ে গেছি তাই অন্য চিন্তা করতে হবে।তখনই বললাম দুজন আলাদা ভাবে ঘুরছি, একসাথে এসেছি।
সেই লোকটি বলল,,একসাথে এসে আলাদা ঘুরছো!!!!! সত্য বলো নইলে বনের মধ্যেই কবর দিয়ে দেব।
, অন্য একজন বলল'''' এই ম্যডামরা আসছে,চুপ
,,, আমি ভাবলাম' যাক বাচা গেল এদের প্রশ্নের শেষ হবে না।
ততক্ষণ এ ম্যডার রা চলে এসেছে।এসেই বলল
,,,, এই দুজন! এদের তো টুরিস্টদের মত মনে হচ্ছে না।বডি দেখে তো সামরিক বাহিনীর। এদের ব্যগ চেক করেছো?(ম্যডাম)
,,,, হঠাৎ সাঈদ বলে উঠল,,, মনে হলেই কি সব হয়! আপনাকে তো এদের লিডার মনে হচ্ছে না,মনে হচ্ছে এদের রাঁধুনি!
,,, মেয়েটি এবার ভয়ংকার ভাবে তাকালো মনে হয় সাঈদ কে খেয়ে ফেলবে।তারপর কি মনে করে হেসে ফেলল: হা হা।আমি মিম আর পাশের মেয়েকে দেখিয়ে বলল এ হলো সাবিনা আমার পিএ। তোমাদের যত ভিতু মনে করছিলাম তোমরা তা না।তোমরা যদি সামরিক বাহিনীর হও তাহলে তোমাদের মুক্তি পন হিসাবে আরো টাকা চাওয়া যাবে।(মিম)
,,,,, ততকাল এ ব্যগ চেক করা হয়ে গেছ।একজন বলল, ম্যডাম ,এদের ব্যগে টুরিস্টদের জিনিস পত্র ছাড়া কিছু নেই।
,,,,, তবুও হাতপা বেধে বাচ্চাদের পাশের রুমে নিয়ে রাখ (সাবিনা)
,,, তখনই আমি বললাম এখানে বাচ্চারা আসলো কোথা থেকে? আপনাদের অনেক সন্তান?(একটু বাজিয়ে দেখলাম,আসলে এরা সেই কিডন্যাপার কি না)
,,,, এবার মিম এমন ভাবে তাকলো মনে হয় চোখের আগুনে ঝলসে দেবে আর বলল আমাদের বাচ্চা হবে ক্যন? ওদের বাপ মা এর কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হবে (মিম)
,
মাটির নিচে একটা মাটির রুমে পাঠিয়ে দিলো আমাদের ছোট গর্ত দিয়ে। যার ভেতরটা একটা রুমের মত কিন্তু বাহিরে দেখলে মনে হবে একটা শিয়ালের গর্ত।
,,,, ভাই আমাদের কি শিয়ালের গর্তে রাখলো হা হা হা (সাঈদ)
,,,, চুপ! এখন রহস্যের সময় না।আগে প্লান করতে হবে কিভাবে আমরা বের হবো আর বাচ্চাদের নিয়ে যাব।
,,,, এখন, হাতপা বাধা তো (সাঈদ)
,,,, পরে চেষ্টা করে খোলা যাবে আগে শোন" আমরা রাত ৩ টার কিয়ে এখান থেকে বের হবো।প্রথমে আশেপাশের প্রহরী গুলোকে শেষ করতে হবে তারপর ওদের ম্যডাম মিমের আর সাবিনার রুমে প্রবেশের দরজা আটকিয়ে বাচ্চাদের নিয়ে চলে যাব।
,,,, ঘাটি ধ্বংস করবেন না?
,,,, না।বাচ্চাদের নিরাপদ জাইগাই না পৌছিয়ে কোন রকম যুদ্ধে নামা যাবে না। আমার পিছানে এসে তোমার হাত আমার হাতে দাও, খেলি খুলে দিতে পারি কি না।মনে হয় বেশি টাইড হবে না,লতা দিয়ে বাধা তো!
,
এসময় রুমের মধ্য একজন লাইট মারলো এবং একজন প্রবেশ করলো,বলল: সোজা হয়ে বস ম্যডামরা আসছে!
,
সাঈদ পাশে এসে বসল।আর একটু হলেই ধরা পড়ে যেতাম।
মিম আর সাবিনা আসলো।বলল,এখানে ঠিক ভাবে থাকবেন।কোন রকম বেয়াদবি করলে গুলি করে হত্যা করা হবে।আপনাদের ফোন দুটো দেন।(মিম)
,,,, এই যে নিন
,,, এগুলো দিয়ে ফোন দিয়ে আপনাদের জন্য মুক্তিপণ দাবি করা হবে? (মিম)
,,,, টাকা দিলে আমাদের সবাইকে ছেড়ে দিবেন???(সাঈদ)
,,,, হা হা হা।এখানে আসার পর কারর ফিরে যাওয়া হয় না।টাকা নিয়ে সবাই কে গুলি করে মারা হবে।
,,,, মানে! কিছুক্ষণ আগে যে বললেন মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দিবেন?
,,,, হা হা। আপনাদের ছেড়ে দিলে তো আপনারা আমাদের ঘাটিতে পরে আক্রমন করবেন।এজন্য যারা একবার ঘাটি দেখে ফেলে তাদের ফিরে যেতে দেই না। ভাই থাকেন।কিছু দোয়া কালাম করেন মরার আগে একটু পূর্ণ হোক।(মিম)
,
রাগে, ক্রোধে আমার সারা শরীর জ্বলছে। মিথ্যা আর প্রতারনা আমি সহ্য করতে পারি না।
,,,, ভাই! এখুনি সব ধ্বংস করে দিই?(সাঈদ)
,,,,, না।রাত ৩ টাই বের হবো।
পিছানে ঘুরে ওর হাত খুলে দিলাম।ও আমার টা খুলে দিলো।তারপর পা খুলে নিলাম নিজেরা।
,,,,, ভাই।আসার সময় দেখেছি ডান পাশে আর একটা গর্ত আছে ওখানে মনে হয় বাচ্চাদের রাখা হয়েছে।(সাঈদ)
,,,,হুম! ছুরি বের করে গর্ত করা শুরু করো।আগে ছোট গর্ত করে দেখবে বাচ্চাদের সাথে প্রহরী থাকতে পারে ওর আগে কাবু করতে হবে
,,,, আচ্চা।
,
ভেতরে একজন প্রহরী পাওয়া গেল।ওর প্রথমেই কাবু করে হাতপা বেধে রাখা হলো।
,
রাত ৩ টা।দুজন তাহাজ্জত নামায পড়ে বের হলাম।সাঈদ কে বললাম আমি অফেনসিভে থাকবো আর তুমি ডিফেন্সিভ থাকবা।অথ্যাৎ আমি সব সময় সামনের প্রহরী কে মারতে মারতে যাবো আর তুমি একটু দুর থেকে আমাকে ফলো করবে।আমার ওপর কেউ আক্রমন করলে তুমি তাকে গুলি করবে।সম্ভবত ঘাটিতে প্রহরী কম আছে।প্রদিপের নিচে অন্ধকার থাকাই স্বাভাবিক ।এরা বাহিরের দিকে বেশি প্রহরী নিযুক্ত করবে।তার ওপরে এখন রাত।বেশির ভাগই ঘুমাচ্ছে। রিভলভার এ সাইলেন্সার লাগিয়ে নাও।
আমরা বের হলাম।বের হয়েই দেখলাম,কিছু দুরে দুজন মোমবাতি জ্বালিয়ে বসে আছে।পিছান থেকে অপ্রস্তুত অবস্থায় আক্রমন করা ইসলামের নীতি নয় তাই সামনে দিয়ে হঠাৎ করে ওদের সামনে হাজির হলাম।ওরা ভুত দেখার মত চমকে উঠল। আমি সুযোগে একজনের কানের নিচে লাথি মারলাম এতে সে জ্ঞান হারালো।এর মধ্যে অপরজন উঠে তার রাইফেল উঠাল।আমি বসে পড়াই ওর গুলি করা কাজে লাগল না।গুলি মাথার ওপর দিয়ে গেল।আর আমি ততক্ষণ এ তার তলপেটে আঘাত করলাম।জ্ঞান হারালো।সামনে এগিয়ে গেলাম।সাঈদ ভাই বলে শব্দ করার সাথে সাথেই বসে পড়লাম।কিন্তু তারপরেও রক্ষা হলো না।একটা গুলি কাধের উপর লাগল।সাঈদ তার আর দ্বিতীয় গুলি করার সুযোগ দিলো না।
,,, আপরার গুলি লেগেছে ভাই।
,,, তেমন কিছু না।সামান্য চল তাড়াতাড়িই এখানকার কাজ শেষ করে বাচ্চাদের নিয়ে সরে যেতে হবে।
,,, ততক্ষণে মিম আর সাবিনা গুলির শব্দে বাহিরে বের হয়ে এসেছে।সাবিনার হাতে রিভলভার কিন্তু মিমের হাত ফাকা।সাবিনার গুলি করা দেখে সাঈদ সাথে সাথে সাবিনার মাথা গুড়িয়ে দিলো গুলি করে।
,সাঈদ কে বললাম,হাতে গুলি করতে পারতে অবলা নারীদের গুলি করলে ক্যন?
,,,,এর মধ্য সুযোগে মিম সাবিনার রিভলভার তুলে নিয়েছে।এটা আমি দেখেই বললাম,,,, আর হাত ওপরের তুলবেন না মিম ম্যম! আপনার হাত গুড়িয়ে দেব!
,,,, আপনার তো দেখছি গুলি লেগেছে তাই যুদ্ধে আসতে ভয় পাচ্ছেন? (মিম)
,,,, আমাদের ইসলামে নারীদের অনেক সম্মান দেছে।আমরা অবলা নারীদের সাথে যুদ্ধ করি না
,,,, যারা,প্রতিশোধ নিতে পারে না বা শক্তিতে পারে না তারা ধর্মের ভয় দেখাই বা অদৃশ্য শক্তির ভয় দেখাই।(মিম)
,,,, আপনার দিকে আমার রিভলভার তাক করা তারপরেও এমন কথা বলছেন?
কিছুক্ষণ চিন্তা করে মিম বলল,আচ্চা আমি যদি ভাল হয়ে যাই আমাকে ছেড়ে দিবেন? সৃষ্টকারী কি আমাকে মাফ করবে?(মিম)
,,,, আপনি ভাল হতে চাইলে অবশ্যয় আপনাকে আমি ছেড়ে দিবো তবে এখানে রেখে যাব না কারন আপনি সঠিক পথে আসলে আপনার সহকর্মীরা আপনাকে মেরে ফেলবে আর আল্লাহ বলেছেন,,,,
,
সূরা আন নিসা:97 - যারা নিজের অনিষ্ট করে, ফেরেশতারা তাদের প্রাণ হরণ করে বলে, তোমরা কি অবস্থায় ছিলে? তারা বলেঃ এ ভূখন্ডে আমরা অসহায় ছিলাম। ফেরেশতারা বলেঃ আল্লাহর পৃথিবী কি প্রশস্ত ছিল না যে, তোমরা দেশত্যাগ করে সেখানে চলে যেতে? অতএব, এদের বাসস্থান হল জাহান্নাম এবং তা অত্যন্ত মন্দ স্থান।
,
সূরা আন নিসা:98 - কিন্তু পুরুষ, নারী ও শিশুদের মধ্যে যারা অসহায়, তারা কোন উপায় করতে পারে না এবং পথও জানে না।
,
সূরা আন নিসা:99 - অতএব, আশা করা যায়, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
,
তাহলে তো আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবে(মিম)
,,,করতে পারে যদি পরে আর এপথে না আসেন।
,,, আচ্চা আমি আপনাদের সাথে চলে যাব।আমি একটু রুম থেকে আমার কিছু জিনিস নিয়ে আসি।
সাঈদ এর বললাম বাচ্চাদের নিয়ে আসতে।
,
মিম আমাদের বলল আমি পিছানে হাটি পিছান দিক থেকে আমার লোকে রা আক্রমন করতে পারে!
,,,, না! ইসলামের সেনাপতি রা কখনও জীবনের ভয়ে বিপদের মুখে নারীদের এগিয়ে দেয় না,আপনি ও বাচ্চারা মাঝে,আমি সামনে আর সাঈদ পিছানে হাটবে।
,
কোনদিক থেকে কেন রকম বাধা আসলো না,যা অস্বাভাবিক। হঠাৎ সাঈদ ,,,,, ভাই সাবধান বল চিৎকার করে উঠল।আমি সাথে সাথেই বামে সরে রিভলভার তুলে পিছানে তাকালাম।দেখি মিমের দুই হাতে দুটো রিভলভার। একটা দিয়ে সামনে আমার দিকে গুলি করেছে আর একটা দিয়ে পিছানে সাঈদের বুকে গুলো করেছে।আমার গায়ে গুলি না লাগাই আবার গুলি করতে যাচ্ছিল। কিন্তু আমার রিভলভার এর ৬ টা গুলিই ওর মাথাই দিয়ে দিলাম। তাড়াতাড়ি সাঈদ এর কাছে গেলাম ওর, অনেক কষ্টে বলল,ভাই আপনার কিছু হয় নি তো? আমি আগে বুঝতে পারি নি।রিভলভার বের করেই গুলি করলো।আপনি বাচ্চাদের নিয়ে চলে যান।আর একটা কথা বলি,মেয়েরা একটু ভাল ভাবে কথা বলেই তার বিশ্বাস করবেন না,দুর্বল হবেন না,,,,,,,,,,,,,,,,,, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ,,
,,,, অনেকক্ষণ সাঈদ এর দিকে তাকিয়ে থেকে ওর বডিটা কাধে নিয়ে বাচ্চাদের নিয়ে বোটে আসলাম।তারপর ক্রোধ না কমায় বোট থেকে গ্রেনেড নিয়ে সব কিছু ধ্বংস করে দিয়ে আসলাম।বাচ্চাদের নিয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর দেখলাম ৩ বোটে র্যব আসছে। এসে বাচ্চাদের দেখে আমার সংবর্ধনা দিলো এবং সাঈদ এর কথা জানতে চাইয়াই বোটের ডেকে দেখিয়ে দিলাম লাল রঙে সজ্জিত একটা দেহ,আমার হৃদয়ের একটা অংশ।,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,, শেষ
,,,,,, এগুলো কেউ বাস্তবের সাথে মিলাতে যাবেন না।এগুলো কাল্পনিক কাহিনী এবং কাল্পনিক চরিত্র,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now