বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এমন সময় তার মনে হল কেউ যেন তাকে পাশে থেকে ডাকল। তিনি ভাবলেন এটি তার মনের ভুল। কিন্তু পরে আবার তিনি ডাকটি শুনতে পেলেন। এবার তিনি পাশে তাকালেন। তিনি একজন মানুষকে দেখতে পেলেন। যার পা মাটিতে ছিলনা। তা পরনে সাদা কাপড় ছিল। তিনি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে দৌড় দিয়ে একেবারে নিচে এসে অজ্ঞান হয়ে গেলেন। তার কিছুক্ষণ পর হুঁশ আসে। তিনি তখন বিছানায় শুয়ে আছেন। তিনি তখনও কাঁপছেন। রাশেদা বেগম তাকে বলল,তুমি কি কোনো ভূত দেখেছ নাকি যে এভাবে কাঁপছো। তিনি বললেন,ভূত নয় জিন দেখেছি যার শরীর বাতাসে ভাসছে তার পরনে সাদা কাপড় ছিল। তার স্ত্রী বললেন,তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কাল রাতে মনেহয় ঠিকমতো ঘুম হয়নি। এখন বিশ্রাম নাও। এরপর কয়েকদিন ঠিকমতোই কাটল। কিন্তু পরে আরেকটি ঘটনা ঘটল। আর ঘটনাটি ঘটলো তার মেয়ের সাথে। আরমান সাহেব তখন কাজে গেছন। দুপুরে নিশা একটি রুমে একা খেলছিল। রাশেদা বেগম রান্না করছেন। হঠাৎ নিশা তার মার কাছে দৌড়ে এল। তার মা তাকে বলল,কী হয়েছে?সে বলল,মা ঐ রুমে একটি মেয়ে বসে কান্না করছে। কথাটি বলে তার মাকে টেনে নিয়ে গেল। সে বলল,দেখ মেয়েটি বসে কান্না করছে। কিন্তু রাশেদা বেগম কাউকে দেখতে পেলনা। তিনি বললেন,ভূতের ছবি দেখতে দেখতে এসব অবাস্তব জিনিস তোমার মাথায় ঘুরছে। এ বলে তিনি রান্না করতে চলে গেলেন। সেদিন রাতেই আবার রাশেদা বেগম রান্না শেষে বের হচ্ছেন তখনি পিছন থেকে হাড়ি-পাতিল পড়ার শব্দ পেলেন। কিন্তু পিছনে তাকানোর পর তিনি দেখলেন সব ঠিকঠাক। এরপর সাথেসাথে তিনি তার স্বামীকে সব বললেন। তখন তার স্বামী বলল,আমি বলেছিলামনা এ বাড়িতে কোনো সমস্যা আছে। এরপর তারা একজন হুজুরকে ডাকলেন। হুজুর সব দেখে বললেন এ বাড়ি অনেকদিন ধরে খালি থাকায় এখানে জিনের আড্ডাখানা তৈরি হয়েছে। তা এখন উচিত আপনাদের এ বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া। পরের দিনই এ বাড়ি ছেড়ে তারা চড়ে গেল। ...............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now