বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
####গল্প:জীনের বাদশাহ######
_________ পর্ব -১_________
.................................................................
বর্ষাকাল। সুতরাং বৃষ্টি তো হবেই। তবে এবারের বৃষ্টির পরিমাণটা একটু বেশি। গত চারদিন ধরে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশের যেন কোনও ক্লান্তি নেই। নেই কোনও অবসর কিংবা বিরক্তি। এক সেকেন্ডের জন্যও বৃষ্টি থামেনি। কখনো টিপটিপ, কখনো মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে তো পড়ছেই। শহুরে জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হলেও গ্রাম্য জীবন যাপনে এরকম বৃষ্টির প্রভাব বেশি। চুলোয় রান্নাবান্না, হাঁস মুরগি, গরু ছাগল পালন সবক্ষেত্রেই বাধার সৃষ্টি হয়।
এরকম বৃষ্টির এক রাতে সোহাগ রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে। রেলস্টেশন থেকে তার বাড়ি ৫ কিলোমিটার দূরে। কাঁচা রাস্তা বলেই ঝামেলা বেশি। বর্ষাকালে এই রাস্তায় ভ্যানগাড়ির বদলে গরুর গাড়ি চলে। সুতরাং রাস্তা এবড়োখেবড়ো আর কাদামাখা। এই বৃষ্টিতে গাড়ি তো দূরের কথা, একটা শেয়াল কুকুরও রাস্তায় আছে কিনা সন্দেহ।
সোহাগের মনটা আনচান করে। তার বাড়ি ফেরা খুবই প্রয়োজন। বিকেলের মধ্যেই ট্রেন এখানে পৌঁছে যাবার কথা থাকলেও আসতে পারেনি। এই স্টেশনে এসেছে ১১ টায়। তখন বর্ষার আকাশ বাতাস কাঁপানো বর্ষণ ছিল। সোহাগ বৃষ্টি কমার অপেক্ষা করতে করতে দু'ঘন্টা পার হয়ে গেলেও বৃষ্টি তো কমেইনি তার ওপর ঝড় আরম্ভ হয়েছে। এই ঝড়বৃষ্টির মধ্যে ৫ কিলোমিটার কাদামাখা পথ পাড়ি দেওয়া চাট্টিখানি কথা নয়।
তবে মনের কাছে কোনও সমস্যাই সমস্যা নয়। ইচ্ছা কখনও যুক্তিতর্ক মানে না। মানে না কোনও সমস্যা। সোহাগের মন পড়ে আছে বাড়িতে। কারণ বাড়িতে তার সুন্দরী নববধূ তার পথ চেয়ে আছে। সোহাগ পাবনা শহরে কাপড়ের ব্যবসা করে। মাঝেমাঝে রাতে বাড়ি ফেরে না। তার বউ মরিয়ম তার পথ চেয়ে নির্ঘুম রাত পার করে দেয়।
(চলবে......)
(সংগ্রিহীত পোস্ট)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now