বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদিন আফদ্বলা সলাতিকা
বাউন্ডুলে ছেলে-মেয়েগুলোর খুব ইচ্ছা হচ্ছিলো একঘেয়েমি জীবন ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে যেখানে পাহাড় এসে নদীর সাথে মিলিয়ে গেছে। বলছিলাম গল্পেরঝুড়ি ওয়েবসাইটের জিজেসদের কথা।
তাদের ইচ্ছানুযায়ী অফিসিয়াল ভাবে আয়োজন করা হলো একটি ট্যুর এর। স্থান ছিল নাপিত্তাছড়া ট্রেইল,গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। যা মীরসরাই,চট্টগ্রামে অবস্থিত।
পুরা ১টি বাস পর্যটক নিয়ে নির্ধারিত সময় রাত ১১টায় সবাই রওনা হলো সায়েদাবাদ থেকে নাপিত্তাছড়ার উদ্দেশ্যে, নির্দিষ্ট সংখ্যা না বলি কারন নতুন কোনো জিজেস আমার গল্পে আসতে চাইলে তাকে ও নেয়া হবে ইনশাআল্লাহ,যাদের কে আমি চিনি তাদের নিয়েই বিসমিল্লাহ বলে গল্প শুরু করলাম।
তো গল্পে ফিরে আসি
সকল জিজেসদের দায়িত্ব নিলেন স্বপ্নবিলাস ট্যুরিজম নামের একটা ট্রাভেল অ্যাজেন্সি।
যার ফলে এই ট্যুরে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে পারমিশন পেয়ে গেলো রিদাপু,সামিয়াপু,তুবাপু,শিখাপু,ইসরাত আপু,শাহানাপু,তারিন আপু সহ সকল মেয়েরাই।
ছেলেরা সবাই আগে থেকেই পারমিশন পেয়েছিলো যার মধ্যে অন্যতম হল তানিম,লুমি ভাইয়া,বিজয়(পিচ্চি হুজুর),মফিজুল,হৃদয়,ইকবাল মাহমুদ,জাঈম,শুভ্র,মুস্তাফিজ,মেহেদি সহ আরও অনেকেই।
সায়েদাবাদ থেকে রওনা হয়ে বাসটি ঢাকা শহরের কোলাহল ছেড়ে এগিয়ে যাচ্ছে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে। সকলের মধ্যে যেন এক উত্তেজনা কাজ করছে। আর তার ই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে রিদাপু, হৃদয়, তানিম, সামিয়াপু, ইসরাত আপুদের গানে গানে। পুরো বাসটি মাতিয়ে রেখেছিল তারা, এ যেন বাঁধন হারা উচ্ছাসে মেতেছে। বাস তার নিজ গতিতে ছুটে চলছে।
কেউ কেউ আবার বাসের মধ্যে ই ফ্রি ফায়ার,পাবজি খেলার আসর বসিয়েছে যে যার মত করে নিজের জার্নিটাকে উপভোগ করছে।
এই ট্যুরে জিজেসদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন CID অর্থাৎ তোমাদের সেই বিখ্যাত ফরেন্সিক ল্যাব এ হিউম্যান ডিএনএ নিয়ে কাজ করা ব্যাক্তি নাম নিশ্চয়ই ধরে ফেলছো, হ্যাঁ মিশুপুর কথাই বলছি। তিনি ও তার বান্ধবী রিয়াদা আন্টি জিজেসদের সাথে যোগ দিয়েছেন।
উনারা আমাদের সকলকে অল্প সময়েই আপন করে নিয়েছিলেন। হঠাত করেই ব্রেক কষলো গাড়ি! আর ঘোষণা এলো যাত্রা বিরতির।
বিরতি টা হয়েছিল কুমিল্লার বিখ্যাত নুরজাহান হোটেল এ, সেখানে নেমে যে যার মত করে ফ্রেশ হয়ে হালকা কিছু খেয়ে আবার বাসে উঠলো। ঘড়িতে তখন রাত ২টা বেজে ৪৫ মিনিট, একটু ঘুমের প্রয়োজন তাই না? হ্যা সকলে তাই ই করলো। বাস আবার তার গতিতে ছুটে চললো নাপিত্তাছড়ার দিকে।
হঠাৎ করে ডাক পড়লো ট্রাভেল অ্যাজেন্সির এডমিন প্রিন্স ভাইয়ার। এই সবাই উঠে পড়েন, হাল্কা করে চোখ খুলে দেখি পৌছে গেছি ফেনীতে, তখন ভোর ৪ টা বাজে।কাছেই একটি মসজিদ ছিলো সেখানে ফজরের নামাজ আদায় করা হলো।
প্রিন্স ভাইয়া ঘোষণা দিলেন এখান থেকে সকালের নাস্তা করে আমরা বেড়িয়ে পড়ব নয়দুয়ারি বাজারের উদ্দ্যেশ্যে কারন ঐখান থেকেই নাপিত্তাছড়া ট্রেইলে প্রবেশের পথ শুরু, নাস্তা করতে করতে বেজে গেল সকাল৭ টা।
বাস এগিয়ে চলছে ফেনী ছেড়ে নয়দুয়ারী বাজারের পানে।বাস থেকেই খানিক দুরে দূরে দেখা যাচ্ছিল সুউচ্চ পাহাড়। মেঘ-পাহাড়-পানি আর লোকালয়ের যেন অপরূপ এক মিলবন্ধন। এই পরিবেশে রিয়াদা আন্টির খালি গলায় লোকগীতি গান যেন এক দারুণ পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। প্রায় ১ ঘন্টা পর এসে পৌছালাম নয়দুয়ারি বাজারে।
সবাই বাসেই রেডি হয়ে গেলো পাহাড়ে ট্রেকিং এর জন্য,অনেকেই জুতা খুলে অ্যাংলেট পরে নিলো পায়ে হাটতে সুবিধা হওয়ার জন্য।সবাই নয়দুয়ারি বাজার থেকে ১০ টাকা করে ১ টা করে বাঁশ কিনে নিলো ট্রেকিং এর সুবিধার জন্য।
প্রথমে সমতল রাস্তা দিয়ে একটি গ্রামের ভিতর দিয়ে সবাই এগিয়ে চলছে পাহাড়ের উদ্দেশ্যে!
সকলের মধ্যেই কাজ করছে প্রাণচঞ্চলতা। এসে পৌছালাম পাহাড়ি ঝিরিপথের কাছে আর মুগ্ধ হলাম তার সৌন্দর্যে। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে ফটো সেশন করলো সবাই।
তারপর দূর্ভেদ্য পথ শুরু,বড় বড় পাথর ডিঙ্গিয়ে,হাটু সমান পানি পথ বেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সবাই।পাহাড় পথে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় অনেকেই ধুম ধাম করে পড়লো।তবে সবাই ছিলো খুবই আন্তরিক।
কেউ পড়ে ব্যাথা পেলে সাথে সাথে অন্যরা এসে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।
দূর থেকেই দেখা যাচ্ছিলো পাহাড় আর মেঘেদের খেলা।প্রায় ১ ঘন্টা হাঁটার পর সবাই পৌঁছলাম বান্দরখুম ঝর্নার কাছে।
তবে এটি অতো বড় ছিলো না কিছুটা জলপ্রপাতের মতো দেখতে।কিন্তু তাতে কি জিজেবাসি হুমড়ি খেয়ে পড়লো কেউ ভিজছে কেউবা পিক তোলায় ব্যাস্ত হয়ে গেছে।
বান্দরখুমে কিছু সময় কাটিয়ে আমরা যখন পাহাড়ের আরও উপরে উঠা শুরু করি তখনই দেখা হয়ে গেলো ভয়ংকর সুন্দর কুপিকাটাখুম ঝর্নার সাথে।ভয়ংকর হওয়ায় যারা সাঁতার জানে না তারা দূরে থেকেই পিক তুলছিলো।
কিন্তু বিজয়(পিচ্চি হুজুর),তানিম,হৃদয়কে সামলাবে কে দুষ্টু গুলা ঠিকই চলে গেছে কুপিকাটাখুম এর একেবারে কাছে।যেখানে পানির স্রোত ছিল অনেক বেশি, তবুও তারা সেইরকম চিল করছে ওইখানে।
দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মিশুপু,রিয়াদা আন্টি,ইসরাত আপু,রিদাপু,সামিয়াপুরা একপ্রকার হিংসের চোখেই তাকিয়ে ছিলো ওদের দিকে।
কেউ তো আবার এই পানিতেই ডিগবাজি দেয়া শুরু করছে স্লো মোশন ভিডিও বানাবে বলে।
দুষ্টু গুলোর দুষ্টামি দেখে বকা দেয়ার বদলে হিংসে ভরা চোখেই দেখছিলো সবাই।
এরপর শুরু হয় আরও খাড়া পথ,পিচ্ছিল পাথর,কাদাযুক্ত মাটি সব মাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সবাই।পিছনের কেউ উঠতে না পারলে সামনের জন টেনে টেনে তুলে সাহায্য করতেছে।
পাহাড় চূড়ায় উঠে মাচার মতো একটা জায়গা পেয়ে অনেকেই ধপাস করে বসে পড়লো অথচ নাপিত্তাছড়া ঝর্না এবং বাঘবিয়ানী ঝর্না এখনো অনেক দূরে।
এইখানে কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে পাহাড় থেকে নেমে আবার ঝিরিপথ ধরে এগিয়ে চলা শুরু।
হঠাৎই ২ টা রাস্তার মোড় দেখে দাঁড়িয়ে পড়লাম সবাই।পরে জানলাম বাম পাশের পথ ধরে এগুলে সামনে পড়বে বাঘবিয়ানী,আর ডান পাশ ধরে এগুলে পড়বে নাপিত্তাছড়া ঝর্না।
সবাই আগে বাঘবিয়ানির উদ্দেশ্যেই চলা শুরু করে।আস্তে আস্তে পথ আরও দূর্গম হয়ে উঠলো,সবাই সাবধানে এগিয়ে যাচ্ছে।ঝরনাটি সম্পূর্ণ পাথুরে হওয়ায় পা পিছলে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা , সতর্ক না হলে যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তাই উপরে উঠা বা নামার সময় সবাই সেদিকে অবশ্যই দিতে হবে বিশেষ খেয়াল। না হলে বেখেয়ালি মনের সব আনন্দ নিমিষে বেদনার কুয়াশায় মিলিয়ে যেতে পারে। একটু সতর্ক হয়ে ঝরনার দ্রুত গতির জলে গা ভিজিয়ে একমুঠো স্বপ্ন ছোঁয়ার মতো আনন্দে শিহরিত হয়ে উঠলো সবার মন।
এই তাহলে বাঘবিয়ানী ঝরনা উঁচু পাহাড় থেকে চিকন হয়ে পানি পড়তেছে রাশি রাশি।
এই ঝরনার নিচটা বেশি গভীর না হওয়ায় সবাই প্রাণ ভরে দাপাদাপি করতে লাগলো ঝরনার নিচে।বাসার ওয়াশরুমের ঝরনা আর প্রকৃতির ঝরনার কত যে তুমুল পার্থক্য সেটা সবাই হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছে।
বাঘবিয়ানীতে কিছু সময় কাটিয়ে আমরা আবার চলতে শুরু করলাম আসল এবং এখানকার সবচেয়ে বড় ঝরনার উদ্দেশ্যে।
আবারও সেই দুর্গম পথ পাড়ি দিতে লাগলাম সবাই।
হঠাৎ দূর থেকেই বৃষ্টির মতো শব্দ পেতে থাকলাম সবাই তো বুঝে গিয়েছে এটা বৃষ্টি না বরং ঝরনার পানি পড়ার শব্দ।কারন তারা একটু আগেই ৩ টা ঝরনা পাড়ি দিয়ে এসেছে তাদের অভিজ্ঞতা তো আর মিথ্যে হওয়ার নয়।
হঠাৎই সবার চোখের সামনে ভেসে উঠলো বিশালআকার দানবের মতো মায়াময় সেই কাংখিত নাপিত্তাছড়া ঝরনা।মুগ্ধ নয়নে সবার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে একটি কথা বেরিয়ে আসলো আলহামদুলিল্লাহ।a
শাঁ শাঁ শব্দে পাহাড়ের বুক চিরে ঝরে পড়ছে স্বচ্ছ জলের ঝর্ণাধারা। পাথর ফেটে শিরশিরে সে শীতল জল প্রবল বেগে আছড়ে পড়ছে পাথর থেকে পাথরের গায় । কোমল জলে গা ভিজিয়ে সৌন্দর্যের পিয়াসা মেঠাচ্ছে সৌন্দর্য পিপাসু জিজেসদের দল।
ঝর্নার গায়ে পাথুরে প্রাকৃতিক সিঁড়ি বেয়ে একেবারে চূড়ায় চড়ে দূরন্ত জিজেসরা দিচ্ছে আনন্দের হাতছানি, চলছে সেলফি, গ্রুপ পিক তোলা। মনে জেগেছে তাঁদের এভারেস্ট জয়ের আনন্দ তাই তো জয়উল্লাস পৌঁছে গেছে পাহাড়ের চূড়ায় । এভারেস্ট জয়ের সিকি ভাগ কষ্ট হয়তো এখানে নেই, তবু পাহাড়ি গাছের শিকড় ধরে, আর মস্ত বড় সব পাথর ডিঙ্গিয়ে এডভেঞ্চারময় পাহাড় জয় মোটেই কম আনন্দের নয়। আর এতো সব সৌন্দর্য আর মনভোলানো আনন্দের শিহরন যে স্থানকে ঘিরে, তার প্রতি তো জিজেবাসীর মায়া বসারই কথা।
সব ঝরনা দেখে আসতে আসতে দুপুর ৩ টা বেজে গেলো।আগে থেকেই প্রিন্স ভাইয়া আমাদের সবার জন্য হোটেল এ খাবার ব্যাবস্থা করে রেখেছিলেন।কিন্তু এখন সমস্যা একটাই এই ভিজা কাপড় সবাই চেঞ্জ করবে কোথায়?
পরে দেখা গেলো মাঠের মধ্যে একটি টিনের ঘর ছিলো একে একে সবাই গিয়ে ওইখানে ভিজে কাপড় চেঞ্জ করে আসছিলো।
কিন্তু মেয়েদের নিয়ে হয়েছে ঝামেলা,কিন্তু দেখা গেলো সব মেয়েরা আদিবাসীদের বাসায় গিয়ে কাপড় চেঞ্জ করে আসছে।আদিবাসীরা নাকি অনেক আপ্যায়ন করেছে মেয়েদেরকে।খাওয়া এবং থাকার জন্যেও বলেছিলো।
এরপর হোটেল এ খাওয়া দাওয়া শেষ করলো সবাই।খালি পেটে সবাই খুব মজা করেই খেলো।খাওয়ার আইটেম ছিলো জন প্রতি ১ প্লেট ভাত,১ টি ডিম,মুরগীর গোশত,আলু ভর্তা আর ডাল।স্বাদ ছিলো আলহামদুলিল্লাহ মুখে লেগে থাকার মতো।
আমাদের বাস তখনও নয়দুয়ারি বাজারের হাইওয়েতে দাঁড়িয়ে ছিলো।কারন আমাদের পরের গন্তব্যস্থল ছিল গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত।
সবাই একসাথে বাসে আসতে আসতে বিকেল ৫ টা বেজে গেলো।অনেকেই চাইছিলো ঢাকা রওয়ানা দিতে এখনই! সারাদিন পরিশ্রম করে সবাই ক্লান্ত।
কিন্তু সমুদ্রের এতো কাছে এসেও যদি না দেখে যাই তাহলে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়ায় না।
অনেকের জোরাজুরিতে প্রিন্স ভাইয়া রাজি হলেন গুলিয়াখালীতে যাওয়ার জন্য।এতে সবার আনন্দ দেখে কে।
৩০ মিনিট বাস চলার পর আমরা চলে আসলাম আরেকটা বাজারে।পরে সবাই বাস থেকে নেমে সিএনজি ঠিক করে ৫জন করে করে সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই।
কিছুক্ষন পরেই চলে আসলাম ট্রলার ঘাটে। একটি ট্রলার ভাড়া করে সবাই আবার গভীর সমুদ্রের দিকে যাই।
সাগরের দূর থেকে দেখা যায় বিশাল বিশাল জাহাজ।আর সাগরের প্রচন্ড ঢেউয়ে আমাদের ট্রলার টা দুলছিলো।সাতার জানা পাজিগুলা ঠিকই মজা নিচ্ছিলো।কিন্তু যারা সাতার জানেনা তারা কিছুক্ষণ পরপর ঢেউয়ের তালে ভয়ে চিৎকার করে উঠে।
তা দেখে দুষ্টুর দল বিজয়,হৃদয়,তানিম,ইকবাল,লুমি সবাই হো হো করে হাসছিলো।
এরপর ট্রলার থেকে আমাদের সাগরপাড়ে নামানো হয়।তখন জোয়ার আসছিলো যারা উপরে ছিলো তাদের পা ও পানিতে ভিজে গেছে ঢেউয়ের কারনে।
গুলিয়াখালী কক্সবাজারের মতো খোলা মেলা ধু ধু বালুর মাঠের মত না।এখানে রাশি রাশি সবুজ গাছ গাছালিতে ভরপুর যা সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে ৩ গুন।
সমুদ্র সৈকতে সবাই সময় কাটিয়ে সন্ধ্যা ৭ টার ভিতরেই আবার বাসে এসে হাজির।
সবাই আসার পর আমাদের বাস রওয়ানা দিয়ে দিলো ঢাকার উদ্দেশ্য, মাঝখানে আবার কুমিল্লায় ২০মিনিট যাত্রা বিরতি দিয়েছিলো।
বিরতির পর বাস যখন আবার চলতে শুরু করলো
তখন বাসে শুরু হলো যুদ্ধ!! ভয় পাবেন না এই যুদ্ধ ছিল গানের যুদ্ধ । বাসের দুই প্রান্ত ভাগ হয়ে শুরু হয় গানের কলি খেলা।
দুষ্টামির ভিতরে কখন যে আমরা সায়েদাবাদ চলে এসেছি সেটা কেউই খেয়াল করিনি।রাতের ১২ টায় আমরা ঢাকা এসে যাই।যাদের বাসা কাছে তারা যে যার মতো চলে গেলো বিদায় নিয়ে।
আবার যাদের বাসা বেশি দূরে ছিলো তারা ঢাকাতেই যাদের বাসা কাছে তাদের বাসায়ই রাত্রিযাপন করে পরেরদিন যে যার গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গেছে।
লেখকের কিছু কথাঃ আলহামদুলিল্লাহ গল্পটি আমার নিজের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা থেকে নেয়া।
ঝরনার দ্রুত গতির জলে গা ভিজিয়ে একমুঠো স্বপ্ন ছোঁয়ার মতো আনন্দে শিহরিত হোক আমার মতো শত-সহস্র পর্যটক মন, এটাই আমার প্রত্যাশা । জানি মায়াবী ঝর্নার মায়ায় পড়ে একটু অবসরে যে কেউ বারবার ছুটে যেতে চাইবে অপলক সৌন্দর্যের প্রকৃতির অলংকার মায়াবী ঝর্নায় আর অকৃপণ মায়াবী ঝরনাও পর্যটকদের জন্য দু-হাত বাড়িয়ে সর্বদা অপেক্ষায় আছে মায়া ছড়িয়ে দিতে সর্বদা সকল প্রাণে ।
আলহামদুলিল্লাহ
ভালোবাসা অবিরাম
(বিঃদ্রঃ জিজেবাসী গোটা একটা রাত সজাগ থেকে গল্পটা লিখেছি ইনশাআল্লাহ আশা করি সুন্দর সুন্দর মন্তব্য উপহার দিবা)
ভুল ত্রুটির কাফফারা স্বরুপঃ-
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইক।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now