বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[তৃতীয় ও অন্তিম পর্ব]
X
রনিঃ...........আমাদের সিমটাকে রিপ্লোমেন্ট করতে হবে।
সিয়ামঃ আমাদের তো অনেক কাজ! ড্রাইভার ভাইয়া শিঘ্র করে জিজেস গোয়েন্দা অফিসে চলেন।
ড্রাইভারঃ এ ভাইয়া যাচ্ছি।
কিচ্ছুক্ষণ পর আমরা জিজেস গোয়েন্দা অফিসে পৌঁছে গেলাম। গিয়ে দেখি রিপোর্ট নিয়ে বসে আছে মফিজুল।
হৃদয়ঃ মফিজুল যে বসে আছ! সব কাজ কি শেষ?
মফিজুলঃ এ হৃদয় ভাইয়া শেষ।
আমিঃ ধন্যবাদ মফিজুল। জিজেসদের উপর আমাদের পূর্ন আত্মবিশ্বাস ছিল যে, যে যার কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে করবে। তাই তো তোমার সাথে তুহিনকে আর পাঠাই নি @ মফিজুল।
সাবিরাঃ তুহিনকে আমাদের সাথে নিয়ে তো ভালই হয়েছে ভাইয়া।
রনিঃ অবশ্যই। তুহিনতো অনেক কিছু উন্মোচন ও করেছে। এবার কাজের কথায় আসা যাক, সুস্মিতা ও পুস্পিতা তোমাদের একটি কাজ করতে হবে।
পুস্পিতাঃ কি করতে হবে ভাইয়া?
রনিঃ তোমাদের দুজনকে বাজারে গিয়ে সিমটাকে রিপ্লোমেন্ট করে আনতে হবে এবং সিমটি যার আইডি কার্ড থেকে রেজিস্টার করা তার আইডি কার্ড থেকে যতগুলো সিম তোলা হয়ছে সেই নাম্বারগুলোও আনবে।
সুস্মিতাঃ ভাইয়া তার আাইডি কার্ড থেকে কতগুলো সিম তোলা হয়েছে তা দিয়ে আবার কি হবে?
আমিঃ সুস্মিতা এত প্রশ্ন করতে হবে না সময় হলেই জানতে পারবে।
তারপর সুস্মিতা ও পুস্পিতা চলে গেল।
তুবাঃ সিয়াম তোমি পোস্টমর্টেম এর বাকি রিপোর্টগুলো তে কি লিখা আছে তা বল।
সিয়ামঃ অবশ্যই আপি। মফিজুল রিপোর্টগুলো আমার কাছে দাও।
মফিজুলঃ এই নেন ভাইয়া।
কিছুক্ষণ পড়ার পর...
সিয়ামঃ রনি ভাইয়া, শুভ ভাইয়া,হৃদয় ভাইয়া,ও তুবা আপি ও তুহিন এখানে কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস পরিলক্ষিত হয়েছে।
তুবাঃ কি পেয়েছ সিয়াম?
সিয়ামঃ এই রিপোর্ট অনুযায়ী খুনটা কিন্তু গতকাল হয়েছে অর্থাৎ সারা নিখুজ হওয়ার দুই দিন বাদে!
তুবাঃ তা হলে তো খুব রহস্য!
হৃদয়ঃ আমরা আজ খুব ক্লান্ত আমাদের বিশ্রামের দরকার।
সিয়ামঃ আসলেই ভাইয়া। আর রনি ভাইয়া তোমি সুস্মিতাকে ফোন করে বল
তারা যেন তাদের কাজগুলো করে বাড়ি চলে যায়।
তারপর রনি সুস্মিতাকে ফোন দিয়ে বলল। পরের দিন সকাল দশটার সময় সবাই জিজেস গোয়েন্দা অফিসে এসে হাজির।
পুস্পিতাঃ রনি ভাইয়া এই সিমটা সারার প্রেমিকের।
রনিঃ তাহলে তো আমাদের প্রথমে সারার প্রেমিকের বাসায় যেতে হবে।
সাবিরাঃ তাহলে চলেন ভাইয়া।
তারপর আমরা সারার প্রেমিকের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম এবং ঘন্টা খানেক পর পৌছে গেলাম। গিয়ে তার বাবা-মাকে পেলাম।
সারার প্রেমিকের বাবাঃ তোমরা কে?
তুবাঃ আমরা জিজেস গোয়েন্দা অফিস থেকে এসেছি।
সারার প্রেমিকের বাবাঃ তোমরা আমাদের বাড়িতে কেন!
সিয়ামঃ সময় হলেই বুঝতে পারবে। আমরা যা বলব তার আগে উত্তর দিন। তোমার ছেলে কোথায়?
সারার প্রেমিকের বাবাঃ সে তো তিন দিন হলো একটি কাজের জন্য ঢাকায় গেছে!তার কি কিছু হয়েছে?
তুবাঃ কিছু হয়নি তবে হতে চলেছে।
তারপর আমরা তাদের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসলাম।
রনিঃ শুভ আমাদের সন্দেহ তো আরও ভেড়ে গেল।
আমিঃ এ রনি তাই আচ্ছা সুস্মিতা ও পুস্পিতা তার আইডি কার্ড থেকে আর কয়টি সিম তোলা হয়েছে?
পুস্পিতাঃ ভাইয়া তিনটি এবং একটি সিম চালু আছে।
আমিঃ সিয়াম এই নাম্বারটির লোকেশন ট্রাক করে দেখ তো সে ঢাকার কোন যায়গায় আছে?
সিয়ামঃ এ ভাইয়া দেখতেছি।
কয়েক মুহুর্ত পর...
সিয়ামঃ ভাইয়া সে ঢাকার বন্দরনগরীর একটি গলিতে আছে।
তুবাঃ তাহলে আমাদের সেখানে যেতে হবে চল সবাই।
তারপর আমরা লোকেশন ট্রাক করে থাকে ধরে ফেলি এবং তাকে আমাদের জিজেস গোয়েন্দা অফিসে নিয়ে আসি। সে কিছুতেই বলছিল না সে যে খুন করেছে এবং রিমান্ডে দেওয়ার পর সে যে খুন করেছে তা কথা প্রকাশ করে।
সিয়ামঃ মিস্টার বলে ফেলুন সে দিন কি হয়েছিল?
সারার প্রেমিকঃ আমাদের দুই পরিবার আমাদের ভালোবাসাকে মেনে নিচ্ছিল না তাই আমরা জের ধরে পালিয়ে যাই। তাকে আমি সারাকে খুব ভালোবাসতাম জীবনের চেয়েও কিন্তু যখন ওকে নিয়ে আসি তখন জানতে পারি ও নাকি অন্যা একটি ছেলেকেও ভালোবাসে। তাই আমি তাকে মেরে ফেলি।
মফিজুলঃ তার জন্য মেরে ফেললেন!
সারার প্রেমিকঃ ও যদি আমাকে ছেড়ে ওর অন্য প্রেমিকের কাছে চলে যায় তাহলে সেটি আমি কোনো ভাবেই মানতে পারব না।
তুহিনঃ এই জন্য মেরে ফেললেন!
হৃদয়ঃ আমরা তোমাকে তখনই সন্দেহ করছিলাম যখন সিয়াম বলেছিল যে খুনটি সারার হারিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর হয়েছে। কারন সেই খুনটি খুব কাছের একজন করেছে যকন কোনো কারাপ দিক পেয়েছে তার মধ্যে তখনই কাজ করে ফেলে।
তুবাঃ জান এখন তোমার কি হতে পারে, তোমার যাবজ্জীবন অথবা ফাঁসি হবে।
সিয়ামঃ তোমরা খুব জঘন্য মানুষ তোমরা ভালো মানুষের কথাকে অনুসরণ করাকে নকল করা মনে কর। শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তির আদর্শকে অনুসরণ করা মানে কিন্তু তাকে নকল করা না, তাকে অনসরন করা মানে ভালো মানুষ হওয়া।
সাবিরাঃ এদের বলে কোনো লাভ নেই।
রনিঃ সিয়াম স্টেটমেন্টগুলো চাপিয়ে তাকে জেলে প্রেরণ করে দাও।
সাবিরাঃ এটা কিন্তু আমাদের প্রথম জয় আমাদের আনন্দ করতে হবে।
তুবাঃ অবশ্যই। হৃদয় সাইমন জাফরি ভাইকে ফোন দিয়ে বল মিষ্টি আনতে এটা আমাদের প্রথম জয় সবাইকে তো মিষ্টিমুখ করাতে হবে।
কিচ্ছুক্ষণ পর সাইমন জাফরি ভাই মিষ্টি নিয়ে চলে এলেন এবং সবাইকে মিষ্টমুখ করালেন। তারপর আমরা জয়ের উল্লাসে নাচতে লাগলাম।
[বিশেষ দৃষ্টব্যঃ গল্পটি কাল্পনিক। আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত আমার লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now