বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[প্রথম পর্ব]
X
এই তো কয়েকদিন হলো সরকার থেকে আমাদের জিজেকে জিজেস গোয়েন্দা হিসেবে প্রকাশ করেছে। এখন জিজেস শুধু গল্পের মেলা নয় এখন জিজেস জ্ঞানের মেলা ও বটে। জিজেতে গল্প পড়ে ও লিখে ইউজাররা নিজের জ্ঞানের পরিধিকে বিশাল করে ফেলেছে। তাই ইদানীং এই বিষয়টির অগ্রসর দেখে সরকার জিজেস টিমকে গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। সাইমন জাফরি ভাই জিজেস গোয়েন্দা অফিসে এসে আনন্দে চিৎকার করতে লাগলেন....
সাইমন জাফরিঃ শুভ,রনি,হৃদয়,তুবা,সিয়াম, সাবিরা, পুষ্পিতা,সুস্মিতা,মফিজুল ও তুহিন তোমরা কে কোথায় তোমাদের জন্য একটি সুখবর আছে?
আমিঃকি সুখবর ভাই!
সাইমন জাফরিঃ এই প্রথম জিজেস গোয়েন্দা অফিসে একটি ক্যাইচ আসছে।
সবাই অনন্যা আনন্দে বলে উঠল আসলেই সাইমন জাফরি ভাই!
সাইমন জাফরিঃ এ আসলেই। কিন্তু উত্তেজনার কিছু নেই। তোমাদের সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই ক্যাইচটি উদঘাটন করতে হবে।
রনিঃ অবশ্যই ভাইয়া।
তুবাঃ শিঘ্র করে বলুন আগে কাহিনীটা কি?
আমিঃ তুবা আপি এত উত্তেজিত হলে চলবে না আমাদের এটি ফ্রেশ মাইন্ডে শুনতে হবে।
হৃদয়ঃ ঠিক বলেছেন শুভ ভাইয়া। আমি কি এমনিতে তুবাকে বুড়ি বলি কারন যেকোনো বিষয় এ জানার জন্য উৎসুকভাবে থাকিয়ে থাকে যদি তা শুনার আগেই পরপারে চলে যায়।
কথাটি শুনে সবাই হাসতে লাগল।
তুবাঃ হৃদয় এত জ্ঞানীর মতো কথা বলতে হবে না মূল বিষয়টাতে মনোযোগ দাও।
মফিজুলঃ তুবা আপু ঠিক বলেছেন আগে আমাদের বিষয়টা জানতে হবে।
সুস্মিতাঃ অবশ্যই আগে বিষয়টা জানা উচিৎ @ মফিজুল।
সাইমন জাফরিঃ সারা নামের একটি মেয়ে দুই দিন ধরে নিখুজ। সে কলেজে পড়ে। এই হচ্ছে তার ছবি। রনি ও শুভ তোমরা এখানের সিনিয়র ভাই তাদের মেন্টেইন করা তোমাদের দায়িত্ব।
রনিঃ অবশ্যই সাইমন জাফরি ভাই।
এই সময় একটি অজানা নাম্বার থেকে সাইমন জাফরি ভাইয়ের মোবাইলে ফোন এল....
অজানা লোকঃ এটা কি জিজেস গোয়েন্দা অফিস?
সাইমন জাফরিঃ হ্যা। কোনো সমস্য?
অজানা লোকঃ ভাইয়া বিবিয়ানা ব্রিজের নিচে একটি বস্তা বন্দি লাশ পাওয়া গেছে।
সাইমন জাফরিঃ আমি এক্কনি আমাদের টিমকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
অজানা লোকঃ ঠিক আছে ভাইয়া।
তারপর সাইমন জাফরি ভাইয়া সারার ছবিটি আমার হাতে দিয়ে বললেন...
সাইমন জাফরিঃ শুভ, রনি,হৃদয় ও তুবারা তোমরা সকলি সেখানে যাবে ও বিষয়টি পরিলক্ষিত করবে। আমার মনে হয় উভয় বিষয়টা এক।
তুহিনঃ ভাইয়া আমার ও তাই মনে হয়।
সাবিরাঃ তাহলে চল কথা না বাড়িয়ে আগে বিষয়টাকে গিয়ে পরিলক্ষিত করে আসি।
পুস্পিতাঃ অবশ্যই চলো তাহলে।
তারপর আমরা অফিসের একটি গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম গন্তব্যের উদ্দেশ্যে এবং ঘন্টা খানেক পড় সেই যায়গায় পৌঁছে গেলাম। গিয়ে দেখি অনেক মানুষের ভিড়। আমাদের দেকে সবাই একটু দূরে চলে গেল।
রনিঃ শুভ আমাদের কাজ শুরু করে দেওয়া উচিৎ।
আমিঃ অবশ্যই। হৃদয় ও তুবা আপি তোমরা বস্তাটিকে পানি থেকে উপরে তোলে নিয়ে আস।
তুবাঃ হ্যা ভাইয়া তুলে আনতেছি।
হৃদয়ঃ শুভ ভাইয়া এটা তো অনেক ভারি হবে তুবা তো বুড়ি সে কিভাবে বস্তাটাকে উপরে তোলে আনবে।
রনিঃ হৃদয় এখান পাজলামু করার যায়গা না।
হৃদয়ঃ ঠিক আছে ভাইয়া
তারপর তারা দুজনে বস্তাটি উপরে তোলে আনল এবং বস্তাটি খুলল। আমরা দেখলাম সারার ছবির সাথে সেই বস্তা বন্দি মেয়িটি একই।
শুভঃ তুহিন ক্যামেরা দিয়ে তার কিছু ছবি তোল। আর সুস্মিতা সারার লাশটির মধ্যে কি কোনো কিছু পাওয়া যায় কি না দেখ।
সুস্মিতাঃ হ্যা ভাইয়া দেখছি।
কিছুক্ষণ পড়...
সুস্মিতাঃ শুভ ভাইয়া একটা জিনিস পাওয়া গেছে।
আমিঃ কি পাওয়া গেছে?
সুস্মিতাঃ ভাইয়া একটি সিম কার্ড পাওয়া গেছে।
হৃদয়ঃ ঠিক আছে। শুভ ভাইয়া রাখেন এটা। আর রনি ভাইয়া আমাদের তো লাশটার পোস্টমর্টেম এ পাটাতে হবে।
রনিঃ অবশ্যই। মফিজুল তোমি ও তুহিন লাশটিকে পোস্টমর্টেম এর ব্যাবস্থা কর আর আমরা সারার পরিবারের নিকঠ থেকে স্টেটমেন্ট নিতে হবে। আমরা তাদের বাসায় যাব।
মফিজুলঃ ঠিক আছে ভাইয়া।
তারপর আমরা সারার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম............চলবে
[বিশেষ দৃষ্টব্যঃ গল্পটি কাল্পনিক। আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now