বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[দ্বিতীয় পর্ব]
X
.........ঘন্টা খানেক পর আমরা সারার বাড়িতে পৌঁছে গেলাম। গিয়ে দেখি তার বাবা-মা বিমর্ষ অবস্থায় বসে আছে।
আমিঃ আঙ্কেল আমরা জিজেস গোয়েন্দা অফিস থেকে এসেছি। আমরা সারার খুনি বেড় করতে আপনাদের কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
সারার বাবাঃ কি হবে বের করে আমার মেয়েকে তো আর ফিরে পাওয়া যাবে না!
তুহিনঃ অবশ্যই আঙ্কেল। কিন্তু যদি আমরা খুনি বেড় করতে পারি তাহলে অন্তত পক্ষে তার আত্মা শান্তি পাবে।
সারার বাবাঃ তাহলে বলুন কি জানতে চান।
রনিঃ তোমার মেয়ের কি কোনো শত্রু ছিল?
সারার বাবাঃ না তবে স্কুলে পড়াকালীন সময়ে সে একটি বন্ড ছেলে কতৃক ইভটিজিং এর শিকার হয়েছিল।
পুস্পিতাঃ তোমরা কি কোনো অ্যাকশন নিয়েছিলে?
সারার বাবাঃ হ্যা নিয়েছিলাম।
পুস্পিতাঃ কি অ্যাকশন নিয়েছিলে?
সারার বাবাঃ ছেলেটিও সারার স্কুলেই পড়ত। অনেকদিন এইরকম করার পর আমরা স্কুল কতৃপক্ষকে অবহিত করি এবং তারা তাকে শান্তি সরূপ জুতারমালা পড়িয়ে সমস্ত স্কুল ক্যাম্পাস ঘুরিয়েছিল।
তুহিনঃ শুভ ভাই তাহলে কি এটাই মূল সমস্যা!
আমিঃ এটা হতে পারে নাও হতে পারে তুহিন।
হৃদয়ঃ এটা তো অনেক আগের কাহিনী এটার সাথে কি সম্পর্ক থাকতে পারে,!
রনিঃ এটার সাথে অনেক সম্পর্ক থাকতে পারে।
তুবাঃ আচ্ছা সারার বাবা আর ও একটি কথা আমরা লোক মুখে শুনেছি তোমার মেয়ের নাকি সাফাত নামের একটি ছেলের নাকি এফআইআর ও ছিল।
সারার বাবাঃ তার সাথে সম্পর্ক ছিল। তবে এই প্রশ্ন কেন!
সাবিরাঃ তুবা আপু খুব ভালো একটি প্রশ্ন করেছ। আর সারার মৃত্যুর সাথে তার সম্পর্ক ও থাকতে পারে।
তাদের সাথে কথা বলার মধ্যেই মফিজুল আমাকে ফোন দিল....
মফিজুলঃ শুভ ভাইয়া আমি এই মাত্র পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট পেয়েছি।
আমিঃ কি পেয়েছ তার মধ্যে?
মফিজুলঃ ভাইয়া আমি সারার গলা থেকে একটি হাতের চাপ পেয়েছি। তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয় এবং গালের মধ্যে আঙ্গুলের ও চাপ পাওয়া গেছে।
আমিঃ এতটুকুই থাক বাকিটুকু এসেই জানব।
তারপর আমি ফোন কেটে দিলাম এবং বিষয়টি সম্পর্কে সবাইকে অবগত করলাম।
সাবিরাঃ হৃদয় ভাইয়া আমার মধ্যে একটি বিষয় খুব ঘুরপাক খাচ্ছে।
হৃদয়ঃ কি বিষয় বলে ফেল এই ধরনের কথা বুকে চাপা দিয়ে রাখার নয়।
সাবিরাঃ সারার গালে যেয়েতো আঙুলের চাপ পাওয়া গেছে আমার মনে হয় সারার মৃত্যুর আগে সারা ও খুনির মধ্য ঝগড়া হয়েছিল এবং এক প্রর্যায়ে খুনি সারাকে গালে তাপ্পর মারে এবং যখন তাতেও কাজ হলো না তখন খুন।
আমিঃ সাবিরা খুব ভালো একটা কথা বলেছ। এই রকমই একটা হবে তাহলে এখন চল আমাদের জিজেস গোয়েন্দা অফিসে যেতে হবে।
তুহিনঃ তাহলে চলেন ভাই।
হৃদয়ঃ আঙ্কেল আমরা এখন যাচ্ছি তোমাদের এই রকম অবস্থায় প্রশ্ন করা খুবই কষ্টের ছিল।
সারার বাবাঃ অবশ্যই তবুও যদি তোমরা সারার মৃত্যুর খুনি বেড় করতে পার তাহলে অন্তত পক্ষে সারার আত্মাটা তো শান্তিতে থাকতে পারবে।
তারপর আমরা গাড়ি নিয়ে জিজেস গোয়েন্দা অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। তারপর গাড়ির মধ্যে.....
সুস্মিতাঃ রনি ও শুভ ভাইয়া আমরা তো সিম কার্ড এর কথা বুলেই গেছি।
পুস্পিতাঃ এটার মধ্যে থেকেও অনেক কিছু পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু.....
সুস্মিতাঃ কিন্তু কি আবার পিস্পিতা আপু।
পুস্পিতাঃ যদি সিম কার্ডটি নষ্ট হয় তাহলে...
তুহিনঃ তাহলে কোনো সমস্যা নয় সিম কার্ডকে রিপ্লোমেন্ট করে অন্ততপক্ষে কার নামে সিমটা তা যানা যাবে।
রনিঃ তুহিন খুব ভালো একটি কতা বলেছ তাহলে তো.........(চলবে)
[বিশেষ দৃষ্টব্যঃ গল্পটি কাল্পনিক। আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত গল্পগুলো কপিরাইট করবেন না।]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now