বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি গল্পের ঝুড়িতে দুইটা গল্প লিখেছি।আজ আমি লিখব আমার জীবনের গল্প।আমার জীবনের গল্প হয়ত কেউ বিশ্বাস করবেন আবার কেউ বিশ্বাস করবেন না। কিন্ত আমি সত্যি কথা বলছি।আমার জন্ম হয়েছে আমার নানা বাড়ি।জন্মের হয়ত এক দুই বছর পর আমার মা আমাকে নিয়ে সিলেট চলে যায় ।সেখানে আমার বাবা থাকত।আমি সিলেট তিন চার বছর থাকি।আমার বয়স যখন সাড়ে পাঁচ বছর তখন আমি আমাদের বাড়ি ফিরে যাই।তারপর শুরু হয় স্কুল জীবন।আমার পড়া লেখা ভালো ভাবে চলতে থাকে ।আমি যখন চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি তখন ফেব্রুয়ারী মাসে সিলেট বাবার কাছে যাই।বাবার কাছে এক মাস থাকি।আমাদের বাড়ি আমাদের নিজেদের বিল্ডিং ঘর আছে।আর আমার বাবা থাকত বস্তিতে সিলেটের ভাষায় একে বলে কোলোনি।আমি সেই বস্তিতে এক মাস সময় কাটাই। আমাদের বাসার পেছনে দুই তলা একটি বাসা আছে।সেই বাসার মালিকের সাথে আমার বাবার পরিচয় ছিল।আমি প্রতিদিন বাসা থেকে বের হলে একটা মেয়েকে দেখতে পেতাম।মেয়েটা ছিল ঐ দুই তলা বাসার মালিকের মেয়ে।আমাদের বাড়ি ফেরার আগের দিন ঐ বাসায় আমাদের দাওয়াত খাওয়ায়।তার পরের দিন আমারা নিজেদের বাড়ি চলে আসি।চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেনী আমার ভালো ভাবে কাটে।ষষ্ঠ শ্রেনীতে ওঠার পর আমার মনে পড়ে সিলেটের সেই মেয়ের কথা ।আমি সিলেট যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে যাই।আমি প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাকে বলি মা আমি সিলেট যাব ।এরকম ষষ্ঠ শ্রেনী চলতে থাকে।সপ্তম শ্রেনী ওঠার পর আমার মা আমাকে বলে আমরা যদি সিলেট যাই তাহলে আমাদের বস্তিতে থাকতে হবে।আমি বললাম আমি বস্তিতে থাকতে পারব।সপ্তম শ্রেনীতে এপ্রিল মাসে আমরা সিলেট আসি।থাকতে শুরু করি সেই বস্তিতে।নিজেদের বড় বাড়ি থাকতেও আমি আজ বস্তিতে অবাক ব্যাপার।তারা বড়লোক তার মার অনেক অহংকার।ঐ মেয়ে অহংকারী কিনা তা আমি জানি না।আমার জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল ঐ মেয়ের জন্য কষ্ট করা।আমি যত কষ্ট করি তাকে দেখার সব কষ্ট ভুলে যাই । আমি তাকে ভোলার অনেক চেষ্টা করেছি কারন আমি জানি তার মা কোনদিন আমাদের ভালোবাসা মেনে নেবে না। শত চেষ্টা করেও আমি তাকে ভুলতে পারছিনা।আমার সব কষ্ট সার্থক হবে যদি এই মেয়ে আমাকে মন থেকে ভালোবাসে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now