বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উহুদ যুদ্ধে তিরন্দাজদের ভূলের কারণে মুসলমানরা দারুণ বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। মুসলিমরা বিক্ষিপ্ত হয়ে ছড়িয়ে গেল।
এক পর্যায়ে আনসারদের মাত্র বারোজন এবং তালহা (রাঃ) ছিলেন মোহাম্মদ (সঃ) এর সাথে। তারা মুশরিকদের সাথে লড়ছিলো। তাহারা সকলে একটি পাহাড়ের চূড়ায় ছিলেন। মুশরিকরা তাদের ঘিরে ফেললো। তখন মোহাম্মদ (সঃ) বললেন, "যে এদের হটিয়ে দিতে পারবে, জান্নাতে সে হবে আমার সাথী"। তখন তালহা (রা) যেতে চাইলেন, কিন্তু মোহাম্মদ (সঃ) তাকে মানা করলেন। অন্য একজন আনসার যেতে চাইলে মোহাম্মদ (সঃ) অনুমতি দেন। কিন্তু সেই আনসার সাহাবী শহীদ হন। এভাবে একে একে বারোজন আনসারই শহীদ হন। তখন তালহা (রা) কে মোহাম্মদ (সঃ) বললেন, "এবার তোমার পালা।"
তখন তালহা (রা) লড়তে থাকেন। হঠাত্ মোহাম্মদ (সঃ) আহত হন। তার দাত মোবারক শহীদ হয় এবং তিনি রক্তে রঞ্জিত হলেন। এ সময় তালহা (রা) একাকী মুশরিকদের বিপক্ষে লড়ে তাদের পিছু হঠায়। একটু পরে তালহা (রা) এসে মোহাম্মদ (সঃ) কে কাধে করে পাহাড়ের দিকে উঠে একটি সুরক্ষিত স্থানে রেখে এসে আবারও মুশরিকদের উপর হামলা চালান।
তখন হযরত আবু বকর (রাঃ) এবং আবু উবাইদা (রাঃ) দৌড়ে আসেন মোহাম্মদ (সঃ) এর কাছে। মোহাম্মদ (সঃ) বললেন, "আমাকে ছাড়, তোমাদের বন্ধু তালহাকে দেখ"। তাহারা তাকিয়ে দেখলেন তালহা (রা) একটি গর্তে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তাঁর একটি হাত দেহ থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে এবং সারা দেহে তরবারী ও তীর বর্শার৭০ টির বেশী আঘাতের চিহ্ন।তাই পরবর্তীকালে মোহাম্মদ (সঃ) বলেন, "যদি কেউ কোন মৃত ব্যক্তিকে পৃথিবীতে হেঁটে বেড়াতে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন তালহা ইবন উবাইদুল্লাহ (রা) কে দেখে।" এ কারণেতালহা (রা) কে জীবিত শহীদবলা হয়। মোহাম্মদ (সঃ) তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সুসংবাদ দান করেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now