বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঝগড়া এক্সপ্রেস

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X প্রায় ২০ মিনিট যাবত বাস স্টপে দাড়িয়ে আছি, কিন্তু এই আগমনী বাস যে কখন বাস স্টপে আগমন করবে আল্লাহই জানে। -> অপেক্ষা করতে করতে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। -> রাখি চল বাড়ি ফিরে যাই আজ মনে হয় না তোর আর বগুড়াতে যাওয়া হবে,বরং আজ ফিরে চল কাল না হয় আবার,,,,,,, (দুলা ভাই) -> এই তুমি থামবা সব সময় মুখে অলক্ষনীয় কথা,তোমাদের মত দুই অলক্ষির সাথে আসছি বলেই বাস আসতে এত লেট করছে বুঝছো। -> আচ্ছা তোমরা এখনো এইখানে কেন বলতো? -> তোমাদের দায়িত্ব ছিলো আমাকে বাস স্টপে পোঁছানো, আমি পোঁছে গেছি তোমরা এখন যাওতো যাও। -> তুই কি মনে করিস আমরা খুব বোকা?? (ভাইয়া) -> আজব এইখানে বোকা ভাবার কি আছে? (আমি) -> এই যে আমাদের চলে যেতে বললি, আমরা কি বুঝিনা তোর অন্য জায়গায় প্যাচ গুচ আসে তাই তুই বিয়ে করবি না করবি না বলে রাজশাহি টু বগুড়া দৌড়ে বেড়াস, আমরা সব বুঝি বুঝলি(ভাইয়া) -> বাহ্ তোমরা এত কিছু বুঝ জানতাম না তো, (আমি) -> আমরা তোকে এখন এই খানে রেখে চলে যাই আর তুই অন্য বাসে উঠে আরামে পালিয়ে যাবি, -> তোর সেই গুড়ে বালি, আমরা কেহ যেতে পাচ্ছিনা বলেই তোকে ভাইয়ের গাড়িতে পাঠাচ্ছি। -> তুই আমাদের যত বোকা ভাবিস আমরা ততোও বোকা নয় বুঝলি রাখি (দুলা ভাই) -> এমনি কি আর তোমাদের দুজনকে গাজী ট্যাংক বলি। -> ট্যাংক দেখতে যেমন বিশাল,আর ভিতর সব ফাকা, তোমার মাথাও তেমন। -> খেয়ে খেয়ে পেট টাই বাড়িয়েছো বুদ্ধিটা আর বাড়েনি। -> আরে ছাগল আমার যদি পালানোর মত কেউ থাকতো তাহলে আমি রাজশাহি টু বগুড়া বিয়ে থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতাম_? -> এত দিনে তার সাথে পালিয়ে বিয়ে করে তিন জন হয়ে ফিরতাম বুঝলা ছাগল। -> জিবনে কখনো কোন ছেলেকে ভাল করে তাকিয়ে দেখিনি আর আমি নাকি পালাবো, যত সব রাম ছাগল গুলাই পরছে আমার পাল্লায়(আমি) -> ইতিমধ্যে বাসের পিপ পিপ আওয়াজ কানে আসলো,তাকিয়ে দেখি বাস এসে পড়েছে,বাস টাকে দেখে মনে একটু স্বস্তি পেলাম। -> যাক বাবা এই বার এই দুই ছাগল মার্কা সি আই ডির হাত থেকে শেষ মেস রক্ষা পেলাম(মনে মনে) -> কি হলে ল্যম্পোষ্টের মত দাড়িয়ে আছো কেন যেয়ে দেখতে পাচ্ছোনা জানালার পাশে কোন সিট খালি আছে কিনা। ,, আর হ্যা কন্টেক্টার কে বলবা আমাকে যেন জানালা খুলতে দেয় আমার কিন্তু বমি হওয়ার আশংকা আছে, -> আরো বলবা আমি বাম পাশে করিনা, ডান পাশে করি,পাশের যাত্রীদের উপর, তাহলে দেখ ঠিক জানালা খুলতে দিবে(আমি) -> উফু তুই এতো শয়তানি বুদ্ধি পাস কই থেকে বলতো?(দুলাভাই) -> সেইটা তোমার জানতে হবেনা,তোমাকে যা করতে বলছি সেইটা কর যাও(আমি) -> জো হুকুম মহারাণী,(দুলা ভাই) -> শখ কত আমারে বানাবে মহারাণী, আমার আপু দেখে তোমার মত গাজী ট্যাংক এর সাথে ঘর করলো আমি হলে ত,,,,,,,(মনে মনে আমি) -> ইতি মধ্যে বাসে উঠে পড়লাম বাস ছেড়ে দিল। -> আমি জানালা দিয়ে ভাইয়াকে বিদায় দিচ্ছি, হঠাৎ পাশের সিটে মনে হল ভাদ্রমাসের পাঁকা তাল পড়লো,কিন্তু এখন তো ভাদ্রমাস নয় পৌষ মাস তাহলে পড়লো টা কি?? -> পাশে তাকিয়ে দেখি একটা ছেলে আমার পাশে,দেখেই মেজাজ টা খারাপ হয়ে গেল। -> এত বড় বাসে কি আর সিট ছিলো না আমার পাশেই বসতে হল যত সব।(মনে মনে) -> বাস চলছে আপন মনে আমি জানালা দিয়ে বাহিরের প্রকৃতি দেখছি,খুব ঠান্ডা বাতাস বইছে বাহিরে, কিছুটা বাতাস ভিতরে আসছে খুব ভাল লাগছে আমার। -> জানালাটা দয়া করে বন্ধ করে দেনতো খুব ঠান্ডা বাতাস আসছে আমার খুব অসুবিধা হচ্ছে(পাশের ছেলে) -> আমি কোন কথা না বলেই বাহিরে তাকিয়েই রইলাম। -> কানে শুনেনা নাকি,এই যে ম্যাডাম জানালাটা বন্ধ করেন,আমাকে হালকা ছুয়ে (ছেলে) -> আপনার সাহ্স তো কমনা আপনি আমায় র্স্পশ করেন।(রেগে গিয়ে আমি) -> সরি সরি আসলে আপনাকে ডাকলাম সাড়া দিলেন না তাই ভাবলাম আপনি মনে হয় কানে,,,,,, ( ছেলে) -> তাই ভেবে নিলেন আমি কানে শুনিনা কালা তাই তো? -> আমি আপনার কথা প্রথমেই শুনেছি কিন্তু আমি দুঃখিত আপনার কথা রাখতে পারবোনা(আমি) -> বললেই হলো রাখতে পারবেন না,আমার অসুবিধা হচ্ছেতো, জানালা বন্ধ করেন বলছি (ছেলে) -> শুনুন আপনার যদি কোন অসুবিধা হয় আপনি অন্য কোন সিটে বসতে পারেন। -> আমি ১৮০ টাকা দিয়ে এই সিটটা ৩ ঘন্টার জন্য কিনেছি সুতরাং আমি ১৬ আনা সুবিধা ঠিক উসুল করে নিব বুঝলেন (আমি) -> ও আমি মনে হয় ফ্রী তেই উঠেছি যে সুবিধা পাবোনা খালি অসুবিধাই ভোগ করবো(ছেলে) -> সেইটা আপনি জানেন, আমি জানালা বন্ধ করবোনা না ব্যস, আপনার সমস্যা হলে অন্য কোন সিটে চলে যান ওকে (আমি) -> আজব গাড়িটা কি আপনার দাদার টাকায় করা হইছে যে আপনার কথা মত সব হবে (ছেলে) -> মুখ সামলে কথা বলবেন,না হলে মুখ মেরে ভেঙ্গে দিব (আমি) -> আপনি আমার মুখ মেরে ভেঙ্গে দিবেন,এইটা মেয়ে না কাঁচা মরিচ পয়দা করছে আল্লাহ (ছেলে) -> কি বললেন আপনি আমি কাঁচা মরিচ, আপনার সাহস তো কমনা আপনি আমাকে কাঁচা মরিচ বলেন (আমি) -> ও শুকনা মরিচ বললে খুশি হতেন বুঝি? অবশ্য আপনি দেখতেও কিন্তু শুকনা মরিচের মতই শুকনো (ছেলে) -> কি ফাজিল ছেলে রে বাবা,আপনাকে আর সহ্য করতে পাচ্ছি না, কন্টাক্টার আংকেল একটু আসবেন। -> জ্বী বলুন (কন্টাক্টার) -> এই ছেলেটাকে অন্য কোন সিটে দিয়ে দিন, আমি ওনার সাথে বসতে পারবনা(আমি) -> আমারও আপনার সাথে বসে যাওয়ার ইচ্ছা নেই, আমিও অন্য সিটেই যেতে চাই(ছেলে) -> মাফ করবেন টিকিটের সিরিয়াল অনুযায়ী সবাইকে বসানো হয়েছে সুতরাং পরির্বতন করা সম্ভব নয়(কন্টাক্টার) -> কি?? তার মানে পুরো পথ এনার সাথে যেতে হতে উফ আল্লাহ(দুজনে এক সাথে) -> দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে দাঁত কিটমিট করে উনি দক্ষিণ মেরুর দিকে. আমি উওর মেরুর দিকে তাকালাম। -> জানালার দিকে হয়ে ব্যাগ থেকে হেডফোনটা বের করে কানে লাগালাম। -> যদিও আমি ভ্রমনকালে সূরা শুনি, কিন্তু এখন মেজাজ গরম হওয়াই গান শুনছি, -> মেজাজটা এত গরম হয়ে আছে যে কি গান হচ্ছে বুঝতে পাচ্ছি না।যে গান হোক হোক তবু বজ্জাত ছেলেটার কথা যেন কানে না আসে, উফ কি পাজি ছেলেরে বাবা(মনে মনে আমি) -> বেশ কিছুক্ষন পর তাহসানের (ভালবাসার অন্য জগত)গান শুনছি, কিন্তু কানের হেডফোনের তারে একটু টান অনুভব করতে পাচ্ছি, বা কানে হাত দিয়ে দেখি ফাকা তাই পাশে তাকালাম। -> একি, কত বড় সাহস এই ছেলেটার, আমার হেডফোন দিয়ে গান শুনছে, উফ আর তো পারা গেলনা এই ছেলেটার সাথে। -> এক টানে তার কান থেকে তারটা খুলে নিলাম। -> সে আমার দিকে মিটমিট করে তাকিয়ে আছে,এমন ভাব নিচ্ছে যেন ভাজা মাছটা উল্টে খেতে জানেনা পাজি কোথাকার(মনে মনে আমি) -> আচ্ছা আপনি এমন মেয়ে কেন বলুন তো, প্রতিবেশিদের সুখ সহ্য করতে পারেন না। -> একটু না হয় আপনার ফোনে গানই শুনছি তাই এমন করে কেড়ে নিতে হবে,এইটা কিন্তু ঠিকনা।(ছেলে) -> কি বলতে চাচ্ছেন আপনি,আর কিসের প্রতিবেশি হুম? (আমি) -> আপনি এইটাও জানেন না, যারা পাশাপাশি থাকে তাদের কে প্রতিবেশি বলা হয়। -> এইযে আমি আপনার এখন পাশাপাশি বসে আছি আমি এখন আপনার প্রতিবেশি সুতরাং আমার সুবিধা অসুবিধা আপনার দেখা উচিৎ বুঝলেন।(ছেলে) -> ও আচ্ছা আচ্ছা পাশের সিটে জোর করে দখল করে বসে থাকা ব্যক্তিকে বুঝি প্রতিবেশি বলে? -> যে ব্যক্তি জোর করে সিট দখল করে বসে থাকে তাকে আমি প্রতিবেশি বলে মানতে রাজি নয়। -> আপনাকে প্রতিবেশি ভাবতে আমার বয়েই গেছে(আমি) -> আচ্ছা না মানলেও করার কিছুই নেই, আমি মেনে নিয়ে ছিলাম বলেই একটু আপনার ফোনে,,,,,,,একটা কথা বলবো ম্যাডাম? (ছেলে) ,, কি, জানালা কিন্তু বন্ধ হবেনা আগেই বলে দিচ্ছি,আমার বমির আশংখা (আমি) -> না না জানালা বন্ধ করতে হবেনা,আসলে কথা হল,আপনার চোখ গুলি দেখতে কিন্তু হেব্বি আপনার রুচি গুলোও ভাল কি সুন্দর সুন্দর তাহসান এর গান, কিন্তু আপনার ব্যবহার টা এতো খা,,,,,,,,,,, ,, (ছেলে) -> আমি ১০০ ডিগ্রী রেগে তার দিকে তাকিয়ে আছি -> দয়া করে ওমন করে আমার দিকে তাকাবেন না, আমার হাই প্রেসার আছে কিন্তু (ছেলে) -> তাহলে বকবকানি টা থামান ওকে না হলে কিন্তু খবর আছে আপনার(আমি) -> আচ্ছা থামাবো তাহলে আপনার নামটা বলবেন please (ছেলে) -> আমি বড় বড় করে তাকিয়ে বললাম জানিনা। -> বাহ্ কি সুন্দর নাম,আপনার চিহারার সাথে একদম ঠিক ঠাক। -> জানেন তো আমাদের বাসায় যে বুয়াটা কাজ করে তার নামও না জরিনা,কি মিল আপনার নামের সাথে বলুন (ছেলে) -> আমি তার দিকে আবারো তাকিয়ে দাঁত কিটমিট করে বললাম রাখি -> রাখি, কি রাখবো, না না, আমাদের বাসাতে আর এই নামের বুয়া লাগবেনা,আর এমন ঝগড়াটে বুয়া তো নয়ই -> উফু আল্লাহ,আমার নাম রাখি, ইসরাত জাহান রাখি বুঝলেন কিছু (আমি) -> থামেন থামেন ইসরাত জাহান রাখি,৩ টা নাম আপনার,এখন বুঝলাম আপনি এমন RFL এর পাইপের মত চিকন কেন। -> এক সাথে এত গুলো নাম বহন করে করেই আপনার এই অবস্থা আল্লাহ এই মেয়ে টাকে রক্ষা কর -> কিন্তু মানতেই হবে আপনি এবং আপনার নাম দুটাই কিন্তু ফাটাফাটি (ছেলে) -> আপনি না আসলেই একটা আস্ত ফাজিল, বাজে কথা না বললে থাকতে পারেন না তাই না(রেগে গিয়ে আমি) -> রাগলে কিন্তু আপনাকে দারুণ লাগে সত্যিই, যদিও আপনার চোখ ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছেনা, তবু না দেখেই আমি ১০০% গ্যারান্টি আপনি খুব সুন্দর -> আচ্ছা আপনি তো আমার নাম জানতে চাইলেন না,আচ্ছা না চাইলেন আমি নিজেই বলছি, -> আমার নাম রুবেল মাহাবুব,সুন্দর না নামটা? (ছেলে) -> নামটা শুনে আমি তার দিকে আবার তাকিয়ে মনে মনে ভাবলাম, -> তাইতো বলি ছেলেটা এতটা ঝগটাটে কেন,এই নামের ছেলে গুলো প্রচুর পরিমানে ঝগরুটে হয়,আমার পরিচিত একটা আছে বাপরে ভাবা যায়না ১০০ টা মেয়ে যে পরিমানে ঝগড়া না পারে তা সে একাই যথেষ্ট। -> কি হলো বললেন না আমার নামটা কেমন? (ছেলে) -> অপূর্ব কি যে সুন্দর আপনার নামটা কি বলবো,যেন গবরের মধ্যে পদ্মা ফুল ফুটে আছে দাঁত কিটমিটিয়ে (আমি) -> আপনি এমনটা বলতে পারলেন আমার নামটা নিয়ে, আচ্ছা আপনি যাচ্ছেন কই সেইটাই তো জানলাম না (ছেলে) -> জাহান্নামে যাচ্ছি,আপনার কোন সমস্যা আছে তাতে? (আমি) -> না না কোন সমস্যা নেই,আপনাকে এই পোষাকে জাহান্নাম বাসীদের মতনই লাগছে, কাল বোরকা কাল হেজাব,পুর মহিলা আজরাইলের মত দেখতে(ছেলে) -> রেগে মেগে দু হাত দিয়ে তার গলাটা চিপে ধরার জন্য হাত বাড়ালাম (আমি) -> মারবেন না দয়া করে মারবেন না মহিলা আজরলাইর আমি এখনো অবিবাহিত,বিবাহ না করেই মরতে চাইনা (ছেলে) -> বাসের অর্ধেক লোক আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আমি হাত সরিয়ে নিয়ে আবার জানালার দিকে মুখ করলাম। -> কি কেমন দিলাম, আপনাকে এখন কেউ বিয়ে করবেনা, সবাই বলবে আপনি মহিলা আজরাইল। -> কিন্তু হুম আপনার জন্য একটা অফার আছে, যদি কেহ আপনাকে বিবাহ না করে আমাকে জানাবেন ওকে কারন আমি এখনো অবিবাহিত হি হি হি(ছেলে) -> আমি দু হাত দিয়ে নিজের কানটা শক্ত করে ধরে নিচু করলাম মাথাটা। -> মেম মাথা কি খুব ব্যথা করছে, ম্যাসেজ করে দিব আমায় হালকা ধাক্কা দিয়ে (ছেলে) -> আপনি আর একবার আমাকে ছুলে আপনার হাত একদম কেটে দিব, মনে থাকে যেন (রেগে গিয়ে আমি) -> আচ্ছা আচ্ছা ছুবোনা তাহলে বলেন না আপনার বাসাটা কই, (ছেলে) -> বগুড়া আর কিছু,?এই বার কিন্তু একদম চুপ ওকে (আমি) ,, একটি আঙ্গুল দিয়ে তার দু ঠোঁট ধরে থাকলো, আমি দেখে একটু সস্তির পেলেম,যাক বাবা তাও যে চুপ করলো বজ্জাতটা। -> শুনেছি বগুড়া তে নাকি খুব ভাল দই পাওয়া যাই, দই গুল নাকি খেতে খুববববববব ভাল,আমি না কখনোই খাইনি, একটু খাওতে পার,,,,,,,,,,,,,,, (ছেলে) -> আমি ভ্রু কুচকে দাঁত কিটমিট করে তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম, -> মাফ করে দিন ভুল করে বলে ফেলেছি,যে ব্যক্তি একটু তার ফোনে গান শুনতে দেইনা সে খাওয়ে দই, ভাবা যাই কত বড় বোকা আমি যে এত বড় আকাল কুসুম ভেবে নিলাম। -> কথাটা বলে মুখটা বাংলার পাঁচ বানিয়ে বসে রইলো(ছেলে) -> এই বার তার দিকে আমি স্বাভাবিক ভাবে তাকালাম,কেন জানি ছেলেটাকে এখন দেখতে ভাল লাগছে, -> হঠাৎ একটা ধাক্কা এলো বাস থামলো মনে হলো,আল্লাহ বাস আবার নষ্ট হলোনা তো,?? -> জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে বুঝলাম না নষ্ট হয়নি লোক উঠা নামা করছে উফু যাক বাবা তাও ভাল। -> পাশ ফিরে দেখি ছেলেটা পাশে নেই তার মানে ও এই খানেই নামবে,আল্লাহ বাঁচলাম শেষ পথ টুকু তাও শান্তিতে যেতে পারবো(মনে মনে আমি) -> হঠাৎ জানালা দিয়ে কিছু আমার গায়ে এসে পরলো আমি চমকে উঠলাম, -> একি চিরকুট, কে দিল,এ নিশ্চয় বজ্জাত ছেলে টারই কাজ-- -> কি মেডাম হাপ ছেড়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন বুঝি,ভেবেছেন আমি চলে গেয়েছি, আপনার সেই আশায় গুরে বালি, আমি আসছি Wait হি হি হি (রুবেল ) ,, আল্লাহ মুক্তি দাও,দয়া করে এই ছেলেটার হাত থেকে তারাতাড়ি মুক্তি দাও চোখ বন্ধ করে প্রর্থনা করলাম। -> হঠাৎ আবার একটা কিছু ছুরে এলো,আমি চোখ খুলে দেখি আবার চিরকুট। -> উফু আল্লাহ, আমার মনে হয় আর রক্ষা নেই এ পাজি ছেলেটার হাত থেকে। -> ম্যাডাম আমি জানি আপনি উপর ওয়ালার কাছে মুক্তি চাচ্ছেন, -> কি ব্যাপার এ কি করে জানলো,অন্তর্যামি নাকি, -> এইবার সত্যিই আমি আপনাকে মুক্তি দিলাম খুশিত? ,কিন্তু হ্যাঁ যদি এই চিরকুট টা ছিড়ে ফেলেন তাহলে কিন্তু আবার চলে আসবো। -> কি ম্যাডাম খুব রাগ হচ্ছে আমার উপর তাই না,তাহলে আর একটু রাগিয়ে দেই,আমি আপনার ফোন নাম্বার টা চুরি করে নিয়ে নিয়েছি, যখন আপনি চোখ বন্ধ করে গান শুনছিলেন তখন, ->লেখাটা পড়ে চোখটা বড় বড় হয়ে গেলে। -> বিশ্বাস করুন আপনাকে একদম বিরক্ত করবোনা। -> কয়েক দিন পর বগুড়াতে যাব ২ টা জিনিস খাইতে আপনার ঝাড়ি আর আপনাদের বগুড়ার দই, তাই নাম্বার টা নিলাম ভাল থাকবেন (রুবেল) -> উফ বাঁচতে বাঁচতেও আর বাঁচতে পারলাম না এই শয়তানটার হাত থেকে, কি করে যে নাম্বার টা চুরি করলো আল্লাহই জানে। ,, আসুক না বগুড়াই ভাল করে খাওয়াবো বগুড়া দই সাথে বগুড়ার কাঁচা মরিচ ফ্রী, আমাকে কাঁচা মরিচ বলা দেখে নিব তোমায়, পাজি ককোথাকার, উফ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঝগড়া এক্সপ্রেস

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now