বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘটনাটি ২০০১/২০০২ সালের।ঘটনাটি যার সাথে ঘটেছে তার নাম মারুফ।মারুফ তার ফ্যামিলি নিয়ে ঢাকায় থাকত।ঢাকায় পড়াশুনা শেষ করে মারুফ তার ফ্যামিলি সহ চট্টগ্রাম তাদের নিজস্ব বাড়িতে চলে যায়।তাদের বাড়িটি ছিল পাহাড়ি এলাকায়।মারুফ ছিল তখন ইউনিভার্সিটিরর স্টুডেন্ট।সে মাঝে মাঝেই মুভি দেখার জন্য রাত জাগত।এরকম একদিন সে মুভি দেখেছিল।তখন তার খুব জল পিপাসা পায়।তাদের বাড়িটা ছিল দোতলা সিস্টেম।মারুফ নিচে নেমে ফ্রিজটা খোলে জল খাওয়ার জন্য।ফ্রিজ খুলে সে দেখতে পায় একটি মানুষের কাটা মাথা যার নিচ দিয়ে ফোটা ফোটা রক্ত পড়ছে।এই দৃশ্য দেখে মারুফ সজোরে ফ্রিজটা বন্ধ করে বাড়ির সবাইকে নিচে ডেকে আনে দেখানোর জন্য।কিন্তু দ্বিতীয় বার ফ্রিজটা খোলার পর তারা এরকম কিছু দেখতে পেল না।সবাই তখন এই বিষয়টা মারুফের মনের ভুল বলে মনে করে।কিন্তু মারুফ সিউর এটা তার মনের ভুল ছিল না।মারুফ এতটাই ভয় পেয়েছিল যে সে তার মাকে বলে ফ্রিজটা বিক্রি করে দেয়।এর দেড়-দুই মাস পরের ঘটনা।সেদিন রাতে মারুফ গান শুনছিল।হঠাৎ সে শুনতে পায় তার মা তাকে ডাকছে।বাইরে বেরিয়ে মারুফ দেখল তার মা নিচে দাড়িয়ে আছে।মারুফ একটু অবাক হলো।কারণ রাত বাজে তখন ১টা আর এইসময় কি কারণে তার মা তাকে ডাকছে।নিচে নামলে মারুফের মা মারুফকে বলে "তোর জন্য নতুন ফ্রিজ এনেছি।দেখত ভেতরটা পছন্দ হয় কিনা"।মারুফ তখন আরো অবাক হয়।সে ফ্রিজটা যেই না খুলল সাথে সাথেই আট-দশটা কাটা মাথা মারুফের শরীরের উপর এসে পড়ল।আর মারুফ এটা সহ্য করতে না পেরে senseless হয়ে পড়ল।পরদিন সকালে যখন তার জ্ঞান ফিরে তখন সে তার মাকে গত রাতের কথা জিজ্ঞেস করলে তার মা বলে তারা কোনো ফ্রিজ কিনে আনেনি আর গত রাতে তার মা তাকে ডাকেও নি।তখন সবাই বুঝতে পারল এই বাড়িটাতে কোনো সমস্যা আছে।তখন মারুফ একজন হুজুরের সাথে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।হুজুর তাকে নিয়মিত নামাজ পড়তে বলে বিশেষ করে ফজরের নামাজ।আর কোরান-শরীফ পড়তে বলে।এর দুই মাস পরের ঘটনা।এর মাঝে মারুফের সাথে তেমন কিছুই ঘটেনি।তবে মাঝে মাঝে শুনতে পেত কেউ তাকে নাম ধরে ডাকছে।মারুফ এর মাঝে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে চট্টগ্রাম university হোস্টেলে চলে যাবে।তো একদিন রাতে মারুফ বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠে।বাথরুমে গিয়ে সে দেখে বাথরুমের সিলিঙ এ একটি লাশ ঝুলে আছে যার কোনো মাথা নেই।মারুফ একটা চিৎকার দিয়ে নিচে নেমে আসে।নিচে নেমে দেখতে পায় তাদের বাড়ির বুয়া কান্না করছে সে নাকি তার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছে না।সারা বাড়ি খুঁজেও ওই ছেলেকে পাওয়া যায় না।এরপর ফজরের পরে বাড়ির পিছনে নারকেল গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ছেলের লাশ পাওয়া যায়।এই ঘটনার পর মারুফরা ওই বাড়িটা ছেড়ে চলে আসে।একজন হুজুরকে ওই বাড়িটা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে হুজুর বলে বাড়িটা তৈরি করার সময় যখন বাড়িটা বাঁধে তখন এই বাড়িতে ৩৬০০ জ্বীন আটকে পরে।এবং তারা কিছুতেই ওই বাড়িতে কোনো মানুষকে allow করতে চায় নি।আর এই কারণেই মারুফরা ওই বাড়িতে থাকতে পারেনি।।।
The End...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now