বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এমন সময় বড় বৌমা পান নিয়ে এল। বললঃ আব্বা পান নিন। দাও মা, তুমি দেখছি ছেলের ক্ষিধে টের পাও। বৌমা ঘোমটার মধ্যে মৃদু হেসে চলে গেল। বৃদ্ধ পান চিবাচ্ছিল, ইসলাম শান্ত কন্ঠে বললঃ বাবা জমিদারের বনে তো..................। বৃদ্ধ ছেলের কথা থামিয়ে বললঃ না বাবা না, দুঃস্বপ্নেও বাসা বেঁধ না। জন্তু-জানোয়ারের মধ্যে কি মানুষ বাস করতে পারে? ইসলাম মাথা নিচু করে পুনরায় বললঃ বাবা, ওরাও যাবার মনস্থ করেছে। পিতা পুত্রের কথার মধ্যে গৃহিনী তসবী হাতে পাশে এসে বললঃ তাই বলে, আমরা কি তোমায় জঙ্গলে ছেড়ে দিতে পারি? কষ্ট হলেও ভাইয়ে ভাইয়ে মিলেমিশে থাক। বৌ-ঝির মধ্যে একটু আধটু হয়েই থাকে। মা, জঙ্গলে মানুষ থাকে না বলেই জঙ্গল থাকে। আর আমি তো একা যাচ্ছি না। আমরা গেলে ইনশাল্লাহ এক সময় জঙ্গল বাসের যোগ্য হয়ে যাবে। তুমি অত চিন্তা কর না। বৃদ্ধ বড় ছেলের কথায় আরো চিন্তিয় পড়ে গেল। মাতাও বিচলিত হল, তবে বৃদ্ধের মত অত নয়। মাতার বিশ্বাস ছিল তার সন্তান কোনদিন কারো কোন ক্ষতি করেনি। অতএব আল্লাহ তার কোন অমঙ্গল চাইবেন না। সন্ধ্যার পর ইসলাম রমজানের সাথে দেখা করতে গেল। রমজানদের দাওয়ায় গিয়ে সে দেখল রমজানের সঙ্গে আনোয়ার ও আমিন বসে আছে। ইসলামকে দেখে তারা বললঃ এস মন্সী এস, তোমার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। ইসলাম মাদুরে বসে বললঃ বাবা-মা তো আপত্তি করছে। রমজান বললঃ আপত্তি তো সবাই করছে। তাই বলে কি বসে থাকলে চলে? আনোয়ার বললঃ তা ঠিকই বলেছ, তবে ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে। আসলে জায়গা হলে এ চিন্তা করতে হত না। বড়জোর এক মাইল, হররোজ তো তোদের সঙ্গে যোগাযোগও থাকছে। অত ভয় পেলে চলে? তাদের কথায় একমত হয়ে ইসলাম বললঃ আল্লাহর উপর ভরসা রাখ, ইনশাল্লাহ এক পাশ থেকে বন কাটা শুরু করবো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now