বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
--------আসসালামু আলাইকুম--------
--লেখকঃ সাইম আরাফাত(ইসলামের সৈনিক)
প্রশ্নঃ ইসলাম কী সত্যিই তলোয়ারের জোরে প্রসারিত হয়েছে?
আজকে ভার্সিটিতে আমাদের এস্ট্রোলজির ক্লাস আছে।তাই তাড়াতাড়ি করে ভার্সিটিতে ছুট লাগালাম।কিন্তু আমার পোড়া কপাল! আজও জ্যামের জন্য লেট হলো।ভার্সিটিতে ঢুকতেই ক্লাসের বেল পড়ল।আমি ক্লাসে গিয়ে মুনার পাশে চুপচাপ বসে রইলাম।৫ মিনিট পর মফিজুর রহমান স্যার ক্লাসে ঢুকলেন।আন্তরিকতা পর্ব শেষ করে স্যার আমার দিকে এগিয়ে আসছেন।স্যারকে এগিয়ে আসতে দেখে মুনা আমাকে ফিসফিস করে বলল,আজকেও ক্লাসটা হবে না।স্যারের সঙ্গে তোমার বিতর্ক করতে করতেই সময় চলে যাবে।আমি বুঝি না স্যার প্রতিবার তোমার হাতে গো হারান হারে তবুও লজ্জা হয় না।
স্যার আমার কাছে এসে দাঁড়িয়ে একটা মুচকি হাসি দিলেন।আমিও স্যারের দেখাদেখি একটা মুচকি হাসি দিলাম।স্যার আমাকে বলল,কেমন আছ সক্রেটিস?
—জ্বী আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
স্যার একটু গম্ভীর হয়ে বললেন,আচ্ছা মিস্টার সক্রেটিস, তুমি কি বিশ্বাস কর যে ইসলাম শান্তির ধর্ম?
—অবশ্যই করি,এটা বিশ্বাস না করার কি আছে? ইসলাম যে একমাত্র শান্তির ধর্ম তাতে কোনো সন্দেহ নেই আর ইসলাম শব্দের অর্থই শান্তি।
স্যার মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলল,কিন্তু ইসলাম কি করে শান্তির ধর্ম হয় অথচ তা প্রসার লাভ করে তলোয়ারের মাধ্যমে,যুদ্ধ-বিগ্রহের মাধ্যমে।
আমি বুঝতে পারলাম স্যার কোন দিকে আলোচনার মোড় ঘোরাচ্ছেন।ঘোরাচ্ছে ঘোরাক,আমিও প্রস্তুত।
আমি স্যারকে বললাম,স্যার,আসলে কতিপয় অমুসলিম এবং নাস্তিকদের একটা সাধারন অভিযোগ যে ইসলাম নাকি তলোয়ারের জোরে প্রসার লাভ করেছে,তা না হলে ইসলাম সমগ্র বিশ্বে এত অনুসারী পেত না।কিন্তু আসলেই কি তাই?
স্যার বললেন,অবশ্যই তাই!
—স্যার এ বিষয়ে আলোচনা করতে হলে অনেক সময় দরকার, পুরো ক্লাসের সময়ই দরকার।
স্যার বললেন,ঠিক আছে সমস্যা নেই,একটা ক্লাস না করলে কিছু হবে না।তুমি শুরু করো দেখি তোমার ধর্ম কতটা শান্তির হাহাহা....
আমি বললাম,স্যার ইসলাম যে তলোয়ারের মাধ্যমে প্রসার লাভ করেনি,একটু পরই তা প্রমান হয়ে যাবে।
—কর দেখি প্রমান কর যে ইসলাম তলোয়ারের দ্বারা প্রসারিত নয়।
—স্যার,ইসলামকে যেটা প্রসারিত করেছে তা ছিল সত্যের সহজাত শক্তি,সঙ্গত কারন ও মানব প্রকৃতি সম্মত যৌক্তিকতা যা এত দ্রুত ইসলামকে প্রসার লাভ করতে সহায়তা করেছে।
—তাই বুঝি?
—জ্বী স্যার তাই! ইসলাম অর্থ শান্তিঃ স্যার,ইসলাম শব্দটা এসেছে "সালাম" শব্দ থেকে।এর অর্থ শান্তি।আরো একটি অর্থ হচ্ছে আল্লাহর প্রতি সমর্পিত করা।এভাবে ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম যা লাভ করা যায় সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে নিজেকে সমর্পিত করার মাধ্যমে।
—ওও তাই?
—জ্বী।স্যার শান্তি রক্ষার জন্য মাঝে মাঝে শক্তি প্রয়োগ করতে হয়ঃ স্যার,পৃথিবীর প্রতিটি লোক শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার অনুকূলে নয়।দুনিয়াতে এমন মানুষও রয়েছে যারা নিজের স্বার্থে বিঘ্ন ঘটায়।সকল ক্ষেত্রে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শক্তি প্রয়োগ অপরিহার্য হয়ে পড়ে।পৃথিবীর প্রতিটি সভ্য দেশে অপরাধী ও সমাজ বিরোধীদের দমন করার জন্য সুনির্দিষ্ট আইন-শৃঙ্গলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে।যাদেরকে আমরা পুলিশ বলি।ইসলাম শান্তির প্রবর্তক।একই সাথে তার অনুসারীদের উদ্বুদ্ধ করে জুলুম, অত্যাচার ও নীপিড়নের বিরুদ্ধে রুঁখে দাঁড়াতে জালিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে মাঝেমাঝে শক্তির প্রয়োগ অপরিহার্য হয়ে পড়ে।ইসলাম শুধু মাত্র মানব সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও ভারসাম্যপূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য জন্যই শক্তি প্রয়োগের অনুমতি দেয়।
স্যার মাথা ঝাঁকাতে লাগলেন,মনে হয় কিছু বলতে চাইছেন কিন্তু বলতে পারছেন না।
আমি বলতে লাগলাম,স্যার বিশ্ববিখ্যাত ইতিহাসবিদ ডি ল্যাসী ওলেরীর একটা মন্তব্য আছে এ বিষয়ে।
—কী মন্তব্য?
—বিশ্বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ডি ল্যাসী ওলেরী প্রণীত "Islam at the cross road" গ্রন্থে যে মন্তব্য করেছেন তাতে "তলোয়ারের মাধ্যমে ইসলাম প্রসারিত হয়ে " এই ভুল ধারণায় যারা নিমজ্জিত- তাদের জন্য দাত ভাঙ্গা জবাব।
"অবশেষে ইতিহাসই একথা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে যে, ধর্মান্ধ মুসলমানদের কাহিনী হলো,পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত তারা তাড়া করে বেরিয়েছে আর বিজিত জাতিদেরকে তরবারীর অগ্রভাগে রেখে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেছে।এটা অনেকগুলোর মধ্যে একটি কল্পনাপ্রসূত,উদ্ভট ও অবাস্তব কাহিনী- যা ঐতিহাসিকরা বেশি বেশি পুনরাবৃত্তি করেছেন" (ল্যাসীর মন্তব্য"Islam at the cross road")
স্যার আপনি কি জানেন মুসলমানরা আট'শত বছর স্পেন শাসন করেছে?
—হুম জানি, এই বইটা আমি পড়েছি "স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাস"।
—ঠিক বলেছেন স্যার।প্রায় আ'টশত বছর স্পেন শাসন করেছে মুসলমান জাতি।সেখানে " মানুষকে তরবারির মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করেছে" এমন উদ্ভট কথা ইসলামের কোনো চির শত্রুও বলতে লজ্জা পাবে।আর দেখেন খ্রিষ্টান ক্রুসেডরা স্পেন এসে সেই মুসলমানদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।ফলে এমন একজন মুসলমান স্পেনে ছিল না যে তার নামাজের জন্য প্রকাশ্যে আযান দিতে পারতো।
—হুম এটা আমি পড়ছি কিন্তু...
—বলছি স্যার,এককোটি একচল্লিশ লক্ষ্য আরব "মিশরীয়" খ্রিষ্টান এটা কি আপনি জানেন?
—না,আমার জানা নেই।
—স্যার,সমগ্র আরব ভূখন্ডে ১৪০০ বছর ধরে মুসলমানরাই ছিল মালিক।এর মধ্যে সামান্য কিছু বছর ব্রিটিশ ও আর কয়েক বছর ফরাসীরা দখলদারিত্ব করেছিল।সর্বোপরি মুসলিমরাই ১৪০০ বছর আরব শাসন করে আসছে।তারপরও আজ সেখানে ১৪ মিলিয়ন খ্রিষ্টান বংশ পরম্পরায় কিভাবে রইল? মুসলমানরা যদি তরবারীর ব্যবহার করত তাহলে আজ আরব ভূখন্ডে এত বিশাল খ্রিষ্টান থাকত না।সেখানে একটা খ্রিষ্টানকেও খুঁজে পাওয়া যেত না।
স্যার মুসলিমরা একটানা আটশ বছর ভারত শাসন করেছে।যদি তারা ইচ্ছা করত তাহলে তাদের সেই রাজশক্তি ও ক্ষমতার বল প্রয়োগ করে ভারতের প্রতিটি অমুসলিমকে নিঃশেষ করে দিতে পারত।অথচ আজ ভারতে ৮০ ভাগেরও বেশি অমুসলিম।অমুসলিম ভারতীয়রা একথা অকপটে বহন করছে যে," ইসলাম তলোয়ারের দ্বারা প্রসার লাভ করে নি"।
স্যার আমার কথা মন দিয়ে শুনছেন, শুধু স্যার না ক্লাসের সবাই খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছেন,কেউ টু শব্দ করছে না,ক্লাসে একেবারে পিনপতন নীরবতা।
আমি একগ্লাস পানি খেয়ে আবার বলতে শুরু করলাম,স্যার,ইন্দোনেশিয়া এমন একটি দেশ যেখানে পৃথিবীর সর্বচ্চো-সংখ্যক মুসলমান বাস করে আর মালেশিয়ার জনসংখ্যার অধিকাংশ মুসলমান।এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন,কোন মুসলিম বাহিনী সেখানে গিয়েছিল?উত্তর হবে কোনো মুসলিম বাহিনীই সেখানে যাইনি তারা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরিত হয়েছিল।
আবার একইভাবে ইসলাম দ্রুতগতিতে আফ্রিকার পূর্বতীরে বিকাশ লাভ করে।এখন আবারো আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, সেখানে কোন মুসলিম বাহিনী গিয়েছিল? আবারো উত্তর হবে কোন মুসলিম বাহিনী সেখানে যাইনি, তারা ইসলামে আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরিত হয়েছিল।
স্যার একটা সিগারেট ধরালেন।
আমি একদমে বলে যেতে লাগগলাম,বিশ্ববিখ্যাত ইতিবাচক ইতিহাসবিদ টমাস কার্লাইল তার "Heroes and Hero orship" গ্রন্থে ইসলামের বিকশিত হওয়া নিয়ে যে ভ্রান্ত ধারণা আছে,সে সম্পর্কে বলেছেন-
"তরবারী! কিন্তু কোথায় পাবে তোমার তরবারী? প্রত্যেকটি নতুন 'মত' তার প্রারম্ভে সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট হয়- একজনের সংখ্যালঘুত্বে।শুধু একজন মানুষের মাথায়।সারা পৃথিবীর একজন মানুষ শুধু তা বিশ্বাস করে, অর্থাৎ সকল মানুষের বিপক্ষে শুধু একজন মানুষ।একটি তরবারী সে নিল এবং তা দিয়ে(তার মতাদর্শ) প্রচার করতে চেষ্টা করল।তাতে তার কোনো কাজ হবে কী? তোমার তরবারী তোমাকেই খুঁজে নিতে হবে।মোট কথা একটি জিনিস আপনা আপনি বিকশিত হবে যেমনটা তার ক্ষমতা আছে।" (টমাস কার্লাইলঃHeroes and Hero orship)
স্যার বললেন,বইটা তোমার কাছে আছে কি?
—জ্বী স্যার।
—বইটা আমাকে দিও।তুমি থামলে কেন,বলে যাও।
আমি বলতে লাগলাম,স্যার,দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই।কোন তরবারী দ্বারা ইসলাম বিকশিত হয়েছে?এমনকি সে তরবারী যদি মুসলমানদের হাতেও থাকতো তাহলেও তারা তা ইসলাম প্রচারের জন্য ব্যবহার করতে পারত না,কারণ মুসলমানদের পথের দিশা আল-কোরআন বলছে-
"দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা জোরাজোরি নেই।সকল ভ্রান্তি-বিভ্রান্তি ও ভ্রষ্টতা থেকে সত্য-পথ স্পষ্ট করে দেয়া আছে।" (বাকারাঃ ২৫৬)
স্যার,জ্ঞান ও প্রজ্ঞার তরবারী।তা ছিল চেতনা ও জ্ঞান-প্রজ্ঞার তরবারী,যে তরবারী মানুষের হৃদয়, মন ও অন্তরকে জয় করেছে।আল-কোরআন বলছে-
"আহব্বান করো সকলকে তোমার প্রতিপালকের পথে- প্রজ্ঞাপূর্ণ সুন্দরতম বাগ্মীতার সাথে।আর যুক্তি প্রমাণ দ্বারা আলোচনা করো তাদের সাথে এমনভাবে,যা সর্বোত্তম।" (নাহলঃ ১২৫)
—বলে যাও, আমরা শুনছি।
আমি মুচকি হেসে বলতে লাগলাম,১৯৩৪ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত পৃথিবীতে ধর্মসমূহের প্রবৃদ্ধিহারটা আমরা দেখে নিই, তাহলে বিষয়টা ভালো করে বুঝতে পারব।স্যার,১৯৮৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যাগাজিন রিডার্স ডাইজেস্টের "এ্যালমানাক" সংখ্যার একটি তথ্য সমৃদ্ধ প্রবন্ধে- বিগত অর্ধ শতাব্দীতে পৃথিবীতে প্রধান প্রধান ধর্মসমূহের প্রবৃদ্ধির হার সম্পর্কে একটি স্ট্যাটিসটিক্স উল্লেখ করা হয়।প্রবন্ধটি "Plain Truth" ম্যাগাজিনেও প্রকাশিত হয়েছিল।সেই পরিসংখ্যানে সর্বচ্চো অবস্থানে ছিল ইসলাম- যা বেড়েছে ২৩৫% হারে।আর খ্রিষ্টবাদ বেড়েছিল মাত্র ৪৭% হারে।এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন,মুসলমানরা কোন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল গত শতাব্দিতে যে কোটি কোটি মানুষকে ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করেছিল? উত্তর হবে মুসলমানরা গত শতাব্দীতে কোন যুদ্ধে অংশ নেয় নি।
স্যার বললেন,তা ঠিক কিন্তু...
—আবার কিসের কিন্তু স্যার? সময় প্রায় শেষ যাচ্ছে।
—হোক তুমি বল।
—স্যার, আপনি নিশ্চয়ই ড.জোসেফ অ্যাডাম পিয়ার্সনকে চিনবেন?
—হ্যাঁ চিনি।
—স্যার তিনি বলেছিলেন যে,যারা আশঙ্কা করছে পারমানবিক বোমা কোনো একদিন আরবদের হাতে এসে পড়বে।আসলে তারা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে যে,ইসলামী বোমা ইতিমধ্যেই ফেলে দেওয়া হয়েছে।তা পড়েছে সেদিন যেদিন হযরত মহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।"
এখন স্যার বিষয়টা হয়ত আপনি বুঝতে পারছেন যে,ইসলাম কখনো তলোয়ারের জোরে প্রসারিত হয় নি।ইসলামম এত দ্রুত প্রসারিত হয়েছে তার গুণের জন্য।
এই যা!আজকেও বেল পড়ে গেল।ক্লাস শেষ।আজকেও ক্লাসটা করতে পারলাম না।বেল পড়তেই স্যার চলে যেতে উদ্যত হলেন।আমি স্যারকে ডাক দিয়ে বললাম,স্যার এই যে নিন টমাস কার্লাইলের "Heroes and Hero orship" বইটা।
স্যার বইটা হাতে নিতে নিতে বললেন,তুমি কি এসব বই সবসময় সাথেই রাখ?
স্যারের কথায় আমি শুধু মুচকি হাসলাম।
======The End======
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now