বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
ইসলাম
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান zami (০ পয়েন্ট)
X
কদিন মহানবী (সা) কা’বার চত্বরে একাকী বসে
আছেন। তিনি আপন ভাবে বিভোর।
আবু জাহল গিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো। নানা
প্রকার ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করে মহানবীর (সা)
ধৈর্যচ্যুতি ঘটাতে চেষ্টা করল। কিন্তু অনেক
চেষ্টাতেও তাঁর মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি
করতে পারলো না। অবশেষে নবী (সা) কে লক্ষ্য
করে সে অনেক গালমন্দ করে। আবু জাহলের এই
মূঢ়তায় মহানবী (সা) ব্যথিত হলেন। ফিরে এলেন
তিনি বাড়ীতে।
মক্কার একজন কৃতদাসী সব ঘটনা দেখল। সব কথা
সে এসে মহানবীর পিতৃব্য হামজাকে বলে দিল।
হামজা সবে শিকার থেকে ফিরেছেন। ভ্রাতুষ্পুত্রের
প্রতি আবু জাহলের আচরণের কথা শুনে ক্রোধে
জ্বলে উঠলেন। প্রশ্ন তাঁর মনে তাঁর সৎ ও সাধু
সজ্জন ভাতিজা কি দোষ করেছে যে সবাই তাঁর উপর
অত্যাচার করবে? সে কোন কথাটি খারাপ বলে?
হামজা শিকারের ধনুক কাঁধে নিয়ে আবু জাহলের
সন্ধানে বের হলেন। কাবা ঘরে তাকে পেয়ে সক্রোধে
ধনুক দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করতে লাগলেন এবং
হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন, “পাষন্ড! আর তুই
মুহাম্মাদের উপর অত্যাচার করবি? আচ্ছা, আমিও
মুহাম্মাদের ধর্ম গ্রহণ করেছি, কি করবি কর!”
অতঃপর হামজা চলে এলেন মহানবী (সা) এর কাছে।
মহানবীকে বললেন, “আনন্দিত হও ভাতিজা, আবু
জাহলকে শায়েস্তা করেছি।“
মহানবী (সা) সব বুঝলেন। কিন্তু আনন্দ কিংবা
কৃতজ্ঞতার কোন ভাবই তাঁর মুখে প্রকাশ পেলনা।
তিনি বললেন, “চাচা, এতে আনন্দের কিছুই নেই।
যদি শুনতাম যে আপনি সত্যকে গ্রহণ করেছেন,
তাহলে তা আমার জন্য আনন্দের ব্যাপার হতো।“
হামজার হৃদয় দুলে উঠল। আরো মনে পড়ল,
মুহাম্মাদের ধর্ম গ্রহণের কথা তিনি আবু জাহলকে
বলেই এসেছেন। এবার অন্তর থেকে তাঁর সাক্ষ্য
বেরিয়ে এল- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর
রাসূলুল্লাহ।‘
এইভাবে কুরাইশদের প্রতিদিনের অত্যাচার
ইসলামের নতুন নতুন সাফল্যই এনে দিতে লাগল।
মূলঃ আমরা সেই সে জাতি (২)
-আবুল আসাদ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now