বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেন তারপর তারমধ্যে আত্মা দিয়ে প্রাণ সঞ্চার করেন। এভাবেই চলছিল। হঠাৎ একদিন তিনি মানুষ সৃষ্টি করতে গিয়ে দেখলেন মানুষের চেয়ে আত্মা কয়েকটা কম। কিন্তু মানুষ তো সৃষ্টি করতেই হবে| কি আর করার তিনি যম রাজ কে আদেশ দিলেন| যেভাবেই হোক কয়েকটা আত্মা পৃথিবী থেকে নিয়ে আস। যম রাজ পৃথিবীতে এসে দেখলেন মাঠে এক যুবক বসে আছে| যমরাজ যুবকের কাছে এসে নিজের পরিচয় দিলেন এবং তাঁকে সেচ্ছায় দেহত্যাগ করার অনুরোধ করলেন। যমরাজ এটাও বললেন এখন যদি আপনি ঈশ্বরের কাজের জন্য দেহ ত্যাগ করেন তাহলে আপনার নিশ্চয়ই স্বর্গ বাস হবে। এমনিতেই যুবক মানুষ রক্তের জোর বেশী। সে রেগে গিয়ে বলল ব্যাটা ফাইজলামি পাইছ। তুমি যম রাজ ঈশ্বর তোমাকে পাঠায়েছেন। চাপা মারার যায়গা পাওনা। তোমার এত স্বর্গে যাওয়ার শখ থাকলে তুমি নিজে মরে নিজের আত্মা দান কর। নিজে মরতে না পারলে আমাকে বল আমি তোমাকে সাহায্য করছি। যম রাজ দেখলেন অবস্থা বেগতিক। এখান থেকে সরে পড়াই ভাল। তারপর যম রাজ দেখলেন বট গাছের ছায়ায় এক বৃদ্ধ বসে আছেন। যম রাজ ভাবলেন লোকটার বয়স অনেক। আর ক দিনই বা আর বাঁচবে গাঁয়েও তেমন জোর নেই একে প্রস্তাব দেয়া নিরাপদ। যমরাজ বৃদ্ধের সাথে অনেক কথা বলে শেষে এই প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু এবারও কপাল খারাপ যম রাজের প্রস্তাব শুনে বৃদ্ধ তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল। এত বড় কথা। আমাকে বলে মরতে!!! সে তার ছেলে নাতি সবাই এক সাথে ডাকল। এই সালা টাকে ধর। ওর কত বড় সাহস বলে কিনা আমাকে মরতে আবার স্বর্গের লোভ দেখায়। যম রাজ এবার ও কোন মতে পালিয়ে বাঁচল। বুঝতে পারল মানুষ্য জাতী নিজেকে খুবই ভাল বাসে এরা সহজে মরতে চায় না। এদিকে রাত হয়ে আসছে একটা আত্মা ও পাওয়া গেল না। যম রাজ চিন্তিত হয়ে পড়লেন। হাঁটতে হাঁটতে তিনি একটা বনের ধারে চলে এসেছিলেন। হ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now