বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঈদুল আযহা (পর্ব- ০১)

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ফেরদৌস ইবনে আবু বকর (০ পয়েন্ট)

X ঈদুল আযহা (পর্ব- ০১) 'ঈদুল আযহা' শব্দটি আরবি শব্দ। প্রচলিত ভাষায় বলা হয় কুরবানির ঈদ। বিশ্ব মুসলিম জাতি ত্যাগের নিদর্শন স্বরুপ মহাসমারোহে যিলহজ মাসের দশম যে উৎসব পালন করে থাকে তাকে ঈদুল আযহা বলে। আল্লাহরর নবী হযরত ইব্রাহীম (আ) তার প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আ) কে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কুরবানি করতে প্রস্তুত হয়ে ছিলেন। হযরত ইসমাইল (আ) ও এটাই আল্লাহর ইচ্ছা জানতে পেরে আনন্দিত চিত্তে তা গ্রহণ করেন। আল্লাহর ইচ্ছায় ইসমাইল এর পরিবর্তে ১টি দুম্বা কুরবানি হয়ে যায়। এ স্মৃতি রক্ষার্থে কুরবানি করে থাকেন। এর অতুলনীয় ইতিহাস স্মরণ করে আল্লাহর নিকট এ দিন শপথ করে বলেন, " হে আল্লাহ! তোমার সন্তুষ্টির জন্য যে ভাবে পশুর রক্ত প্রবাহিত করছি, ঠিক সে ভাবে তোমার সন্তুষ্টির জন্য জীবন উৎসর্গ করতে সদা প্রস্তুত আছি।" কুরবানির গুরুত্ব আর্থিক সংগতিসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিমকে কুরবানি করতে হয়। এটি আল্লাহর বিধান। শুধি গোসত খাওয়ার নাম কুরবানি নয়। বরং আল্লাহর নামে সর্বস্ব বিলিয়ে এক আন্তরিক শপথের নাম কুরবানি। কুরবানির মাধ্যমে মুসলমানের ইমান ও তাকওয়ার পরিক্ষা হয়ে থাকে। মুলত তাকওয়াই হলো কুরবানির প্রাণ শক্তি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, আল্লাহর নিকট সেগুলোর (কুরবানি পশুর) গোশত ও রক্ত পৌঁছায় না বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।" (আল-হাজ্জ: ৩৭) [তাকওয়া শব্দের অর্থ বিরত থাকা, ভয় করা, নিজেকে রক্ষা করা, বেঁচে থাকা। ব্যবহারিক অর্থে পরহেজগারি, খোদাভীতি, আত্মশুদ্ধি ইত্যাদিকে বোঝায়। ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় আন্যায়, অত্যাচার ও পাপাচার থেকে বিরত থাকাকে তাকওয়া বলে। অন্য কথায়, সকল প্রকার পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করে কুরআন সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করাকে তাকওয়া বলে।] কুরবানির গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবী (সা) বলেন, "কুরবানি পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা কবুল হয়ে যায়।" (তিরমিজি) তিনি আরো বলেন, "কুরবানির পশুর প্রত্যেকটি পশমের জন্য ১টি করে সাওয়াব পাওয়া যায়।" (ইবনে মাজাহ) সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানি করলো না তার সম্পর্কে রাসূল (সা) বলেন, "যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।" (আবু দাউদ)। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির ও অশেষ পুণ্য লাভের আশায় খুশি মনে কুরবানি করব। (চলবে...)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঈদুল আযহা (পর্ব- ০১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now