বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ইচ্ছের ইচ্ছা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X #গল্প: ইচ্ছের ইচ্ছা ------ভালোবাসি না বললাম তো তোকে!! এতো প্যাঁচাল পারোস কেন তুই,মেয়েদের মতো?? যা ভাগ......এখান থেকে। মিথুন টুটুলকে কথাগুলো বলছে।যে মেয়েটার কথা বলছে সে ওদের ফ্রেন্ড পাপড়ি। হ্যা.....মিথুন, টুটুল আর পাপড়ি ভার্সিটি প্রথম বর্ষ থেকেই খুব ভালো ফ্রেন্ড।ওদের তিন জনের এই গ্রুপটাকে সবাই "ত্রিশূল " বলে।এক জন আরেক জনের পিছু এক মিনিটের জন্য ছাড়েনা।কিন্তু কেউ যদি পাংগা নেয়....কোন এক জনের সাথে তাহলে ত্রিশূল এর মত তিন জন ঝাঁপিয়ে পরবে। এখন ওরা থার্ড ইয়ারের শেষ এর দিকে।টুটুলের কেন জানি মনে হচ্ছে মিথুন আর পাপড়ি একে অপরকে অনেক ভালোবাসে।কিন্তু ফ্রেন্ডশিপ ভাঙার ভয়ে কেউই সামনে এগুতে চাচ্ছে না। তাই ও নিজেই দায়িত্ব নিয়ে দুইজনের একটা হিল্লে করার তালে আছে। ভার্সিটি এমন একটা জায়গা যেখানে একটু পাওয়ার থাকলে মন্দ লাগে না।নিজে কে একটু ভাই ভাই লাগে। যাই হোক...মিথুন একটু রগচটা স্বভাবের ছেলে।এক বার রেগে গেলে কেউ ওকে থামাতে পারে না।সব হুলউস্তুল করে এক মহা কান্ড। পাপড়ি কে ভার্সিটিরর কোন এক সিনিয়র ভাই একটু ডিস্টার্ব করেছিলো। কিসের সিনিয়র..... কিসের কি!! মিথুন এর মাথায় কিছু নাই। কথা শুনেই......ওই ছেলের সামনে গিয়ে কলার টা ধরে ঠাশঠাশ করে থাপ্পর......তারপর ওর চোখে আঙুল দিয়ে বলে আসলো...... --------আর যদি আমার পাপড়ির আশেপাশে তোকে দেখি.....মনে রাখিস!!হাত পা ভেঙে না......জাস্ট ফু দিয়ে উড়িয়ে দিবো। তারপর ওইখান থেকে টুটুল কোনমতে ওকে টেনে পাপড়ির কাছে নিয়ে আসলো। পাপড়ি তো মিথুন কে ধরেই বকা..... -------ওই তুই এটা কি করলি?? তুই জানিস ওই ছেলে কত বড় নেতা। ওর একটা কলে রাম দা নিয়ে পোলাপাইন চলে আসে। মিথুন------আরে ধুর!!কত দেখলাম এমন নেতা!! বাদ দে তো......কত বড় সাহস...তোর দিকে তাকায়!! টুটুল--------তুই পাপড়িকে বাঁচাবি কেমনে??কয় জন কে মারবি?? মিথুন-------সবগুলির চোখ কানা করে দিবো।ওই পাপড়ি তোকে এখন থেকে আমি বাসায় দিয়ে আসবো। একা একা তোর আর যাওয়া লাগবে না। পাপড়ি--------হইছে!!এখন বল কোথাও লাগি নিতো?? দেখি......... আমাকে ভালোভাবে দেখতে দে!! মিথুন---------আরে ধুর!!ওই সব মামুর এতো বড় কলিজা হয় নি আমাকে মারার। আমার কিছু হয় নি। তোর এতো চিন্তা করতে হবে না। চল তোকে বাসায় দিয়ে আসি। টুটুল মিথুন আর পাপড়িকে দেখেই যাচ্ছে। এক জনের প্রতি আরেক জনের কেয়ারিং। একটা আরেকটা কে পাগলের মত ভালোবাসে। কিন্তু মানতে নারাজ। কি হবে এদের.......?? কখনো কি প্রকাশ পাবে এদের ভালোবাসা?? নাকি সময়ের সাথে.......... হারিয়ে যাবে। ইচ্ছের ইচ্ছে কি কখনো হবে এদের অনুভুতিগুলি কি বুঝতে দেয়ার?? এমন সময় মিথুন চিৎকার দিয়ে টুটুলে ডাকছে..... --------আব্বে ওই বয়রা!!এতো ভাবিস কেন.......চল পাপড়িকে বাসায় পোঁছে দিয়ে আমাদের কেও বাসায় ফিরতে হবে। টুটুলের ভাবনায় ছেদ পড়লো।মিথুনের কথা শুনে মুচকি হাসলো.........আর ভাবলো দেখাই যাক না,ইচ্ছার যদি একটু ইচ্ছে হয়!! (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ইচ্ছের ইচ্ছা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now