বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মধ্য আফ্রিকার উত্তরাংশে কঙ্গোর উপত্যকায়
প্রবাহিত ইবোলা নদী থেকে ইবোলাভাইরাসের নামকরণ
করা হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালে এ ভাইরাসের
অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়। মার্বুগ ভাইরাসের সাথে এ
ভাইরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে যা ১৯৬৭
সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল। কিছু প্রাণীর শরীরের রক্তে এ ভাইরাস বসবাস করে।
বিজ্ঞানীরা মনে করতেন যে, যে সকল প্রাণী এ ভাইরাস
বহন করছে সেগুলো মূলতঃ কয়েক প্রজাতির বানর অথবা
কলাবাদুড়। [১] কেবলমাত্র ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের
তরল পদার্থ নিষ্কাশনের মাধ্যমে এ রোগ স্থানান্তরিত
হয়। ইবোলা বায়ুবাহিত রোগ নয় অথবা আক্রান্ত
শরীরের কাছে গেলে হয় না।[২] আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর
থেকে রক্ত, লালা, ডায়রিয়া, বমি, পানি ইত্যাদির
স্পর্শে এটি অন্যের দেহে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত
ব্যক্তির শরীর থেকে ক্রমাগতভাবে রক্তক্ষরণ হয়।
ডায়রিয়া ও বমিতে রক্তপাত হয়ে থাকে। নাক, মুখ
এবং জননেন্দ্রীয়ের মাধ্যমে রক্তক্ষরণ হ ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ (EVD ), ইবোলা হেমোরেজিক
ফিভার (EHF), শুধু ইবোলা অথবা এবোলা হল
ইবোলা ভাইরাস ঘটিত মনুষ্য রোগ।
সাধারণতঃ লক্ষণগুলি ধরা পড়ে ভাইরাস সংক্রমণের দুই
থেকে তিন সপ্তাহ পর, যেগুলি হল জ্বর, গলা ব্যথা,
পেশীর ব্যথা, এবং মাথা ধরা। সাধারণতঃ এর পর
গা গোলানো, বমি , এবং ডাইরিয়া হয়,সাথে লিভার ও
কিডনীর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এই
জায়গাতে এসে কিছু মানুষের রক্তপাতজনিত সমস্যা শুরু
হয়। [১]
এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে কোন সংক্রামিত
পশুর (সাধারণতঃ বানর অথবা ফলাহারী বাদুড় fruit
bat )-এর রক্ত বা শরীর রস-এর সংস্পর্শ থেকে। [১]
প্রাকৃতিক পরিবেশে হাওয়ার মাধ্যমে সংক্রমণের কোন
খবর পাওয়া যায়নি । [২] বিশ্বাস করা হয় যে বাদুর
নিজে আক্রান্ত না হয়ে এই রোগ বহন করে ও ছড়ায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now