বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হুম !!! তো??"

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X "হুম !!! তো??" লিখেছেন-irfan ! __________________ হুম! তো!! বড় মুশকিলের একটা উক্তি। এর পরে আর কোন কথা চলে না। আবার চলেও। চলমান ঝগড়ায় এক পর্যায়ে যদি বলে, " তোমাকে আমি পাগলের মত ভালবাসি " এবং এর উত্তর যদি হয়, " হুম! তো!! " টাইপ, এর পরে পাগল হয়ে যাওয়া ছাড়া গতি নাই। কারন এ কথায় কিছুই বোঝা যায়না। আবার উত্তর যদি এমন হয় যে, " হুম! তো!! তুমি তো আমাকেই ভালবাসবে, সে পাগল হয়ে যাও কি গাধা। এটা বলার কি আছে!! " এ উত্তরে পুরো উম্মাদ হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোন গতি থাকে না। মেয়েটা তাকে ' হুম তো'ই বলেছে। এর রিয়্যাকশানে পাগলই হতে হয়, উম্মাদ না। ছেলেটা চায়ের দোকানে অনেকক্ষন ধরেই বসে আছে। অনেকটা থুম ধরে বসে থাকার মত করে। সেই পুরানো গলির মোড়ের চায়ের দোকান। তুমি এখানে কেন? " মেয়েটা তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ জামায় তাকে ঠিক প্রজাপতি মনে হচ্ছে। - হুম,এখানে। তো!! তো মানে? তোমাকে কত বার বলেছি আমার বাসার কাছে এসে ঘুর ঘুর করবেনা। - আমি ঘুর ঘুর করছিনা, বসে আছি। সেতো দেখতেই পাচ্ছি। কতক্ষন ধরে বসে আছো? - চার ঘন্টা হবে। কয়েটা সিগারেট খেয়েছো? - আটটা। মেয়েটা ছেলেটার ডান গালে একটা চড় মারে। ছেলেটা হাসে। মেয়েটা যখন রেগে যায় তখন তার নীচের ঠোঁট থর থর করে কাঁপে। কেনো কাঁপে কে জানে। তুমি হাসছো কেনো? - এই নিয়ে গত দের বছরে ১৮ টা চড় হলো। তোমার লজ্জা করেনা? ছেলেটা এখনও হাসছে। তোমাকে সকাল বিকাল রাত নিয়ম করে চড়ানো উচিৎ। - আমি তো তাই চাই। সকাল বিকেল রাত নিয়ম করেই তুমি আমার কাছে থাকো। ছেলেটা আবার হাসে। ভালবাসলে ছেলে গুলো এত বেহায়া হয়। মেয়েটা ভাবে। চল এখান থেকে। রিক্সা নাও। আর আমি আজ ডান পাশে বসবো। ছেলেটা আবার হাসে। কারন সে জানে মেয়েটা বাম পাশে ছাড়া বসতে পারেনা। দুপুরে কিছু খেয়েছো? ছেলেটা উত্তর দেয়না। হাসে। আচ্ছা, তুমি আমাকে ভাল থাকতে দিবে না? আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দিবে না? - না দিবো না। দিলেই তুমি আমাকে ভুলে যাবে। এত অসহ্যকর কথা তুমি কেনো বলো বারবার। মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। - তোমার মেজাজ খারাপ করার জন্যেই বলি। একদিন দেখবে আমি সত্যি সত্যি চলে গেছি। - আপাতত পারছনা মেয়ে। যেদিন থেকে আমি আর তোমার মেজাজ খারাপ করবো না, সেদিন চলে যেতে পারবে। আপাততো না। ছেলে আবার হাসে। প্লিজ তোমার বেহায়া হাসিটা আর দিবে না। অসহ্য লাগে। ছেলেটা তাও চুপ করে হাসে। এই ছেলে, চুপ করে আছো কেনো? - কি বলবো? একটা কথা শোনাও। " তাড়াহুড়োর বিকেলে কখন যে আকাশ রং বদলায়, কে জানে। অভিমানী মেয়েটা বিকেল দেখেনা, অপেক্ষায় ছেলেটা গোধুলীর রং চেনেনা। বাতাসেরা অপেক্ষা করে কেঁপে ওঠার, আচমকা মেয়েটির দুষ্টু ছোঁয়ায়। ছেলেটিও, মেয়েটিও। চিনচিনে ব্যাথার গালও বুঝি। " চড়টা কি বেশি জোরে হয়েছে? - হয়েছে, তবে গতবারের চেয়ে একটু কম। তুমি কেনো আমার কোন কথা শোননা, আমার মেজাজ খারাপ করাও। ছেলেটা কথা বলে না, হাসে। দেখি কাছে আসো। মেয়েটা ছেলেটার চুল ধরে টানে। ছেলেটা মাথা এগিয়ে দেয়। বাতাসেরাও কাঁপে আজ দুষ্টু ছোয়ায়, চিনচিনে ব্যাথার গালে। ছেলেটা মনে মনে বলে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হুম !!! তো??"

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now