বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হটাৎ!(অবন্তির চাওয়া)-০৬

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Opu Ahasan (০ পয়েন্ট)

X মা মানি ! এটুকু খেয়ে না ! -না ! খাবো না । তেতো লাগছে । -খেতে হবে ! কই মুখ খোলো ! আবন্তি ভাল করে চোখ মেলে দেখলো সে নিজের ঘরে নেই । সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে মনে হল কোন হাসপাতালে আছে । সামনে ওর দিকে স্যুপের বাটি নিয়ে স্যামের আম্মু ফরিদা পারভিনকে দেখা যাচ্ছে । -মুখ খোলো ! আবন্তি মুখ খুলল । ফরিদা পারভিন পরম যত্ন নিয়ে খাইয়ে দিতে লাগলেন । পুরো স্যুপের বাটি খালি করেই তবেই তিনি উঠলেন ! আবন্তির মনে হল ও যেন স্বপ্ন দেখছে ! এমন ভাবে ওর দেখা শুনা কেউ করেছে কি না আবন্তির মনে নেই । এমন স্বপ্ন ও প্রায়ই দেখে । ও খুব শরীর খারাপ করে ঘরে শুয়ে আছে । ওর মা ওকে আদর কয়ে স্যুপ খাইয়ে দিচ্ছে । জল পট্টি দিয়ে দিচ্ছে । কিন্তু তার এই জীবনে এমন ঘটনা কোন দিন ঘটে নি । আজকে ঘটছে ! আবন্তি বলল -আমি এখানে কিভাবে এলাম ? -এখন কোন কথা না । তোমার যে বৃষ্টিতে ভিজলে এমন জ্বর আসে সেটা জেনেও তুমি স্যামের সাথে বৃষ্টিতে ভিজেছো কেন ? আগে তুমি ঠিক হও স্যামের কপালে দুঃখ আছে । -ওর কোন দোষ নেই । আমিই ...... -হয়েছে । ও কেন ভিজতে দিবে ? এই খেয়াল নেই ? কটপ রাগটা কেন জানি আবন্তির অসম্ভব ভাল লাগলো । বুকের ভেতরে কেমন জানি করতে লাগলো । ওর নিজের মা যদি এমন হত তাহলেও ওকে এভাবে বকাবকি করতো ! এমন করে শাসন করতো ? ঘন্টা খানেক পরে স্যাম আসলো হাসপাতালে । হাতে ফুলের তোড়া ! ওর দিকে তাকিয়ে হাসলো । তারপর বলল -ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে তুমি ! এভাবে কারো জ্বর আছে আমার জানা ছিল না । -আমি এখানে কিভাবে এলাম ? -আম্মু নিয়ে এসেছে তোমাকে ! আমিও অবশ্য ছিলাম ! -কিন্তু খবর পেলেন কিভাবে ? -তোমার সম্ভবত হুস ছিল না জ্বরের কারনে । তুমি আমাকে মেসেজ পাঠাতে গিয়ে আম্মুকে পাঠিয়ে ছিলে । আম্মুতো তখনই আমাকে নিয়ে তোমার বাসায় হাজির । দরজার কাছে গিয়ে দেখি তুমি দরজাটাও ঠিক মত লক কর নি । বৃষ্টিতে ভিজলে তোমার জ্বর আসে তবুও কেন এভাবে ভিজলে । তোমার জন্য আম্মু আমাকে এতো বকেছে জানো !! তারপরও আরও দুইদিন আবন্তিকে হাসপাতালে থাকতে হল । ওকে যেদিন রিলিজ করে দিবে সেদিন বিকেলেও খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো । ফরিদা পারভিন রুমের ভেতরে এসে দেখে আবন্তি বারান্দায় দাড়িয়ে আছে । বৃষ্টির দিকে আছে । খানিকটা ধমকের সুরে আবন্তিকে বিছানা এসে বসতে বলল । আবন্তি আবার বেডের কাছে আসতে আসতে বলল -আন্টি আমার আবারও বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে করছে । -কি ! কি বলে এই মেয়ে ! -আবার বৃষ্টিতে ভিজলে আবার জ্বর আসবে । আবারও আপনি স্যাম আঙ্কেল আমার জন্য অস্থির হয়ে যাবে । আমাকে দেখা শুনা করবেন ! আসলে ছোট বেলা থেকে এমন ভালবাসা আদর পেয়ে আমার অভ্যেস নেই তো তাই লোভ সমালাতে পারছি না । আমার কেউ নেই তো যে আদর করবে ..। ফরিদা পারভিন দেখলো আবন্তির চোখে পানি । তিনি মেয়েটার জন্য এমন মায়া অনুভব করলেন ! আবন্তিকে জড়িয়ে ধরে বললেন -তুমি আজকে থেকে আমাদের বাসায় থাকবে । ঠিক আছে ! আর কেউ নেই এই কথাটা খবরদার বলবে না ! আজ থেকে আমাকে আন্টি নয় আম্মু বলে ডাকবে ! মনে থাকবে ? (চলবে...)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হটাৎ!(অবন্তির চাওয়া)-০৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now